Thursday, July 17, 2014

জরায়ু ক্যান্সারের কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা !

সাধারণত জরায়ুর নিচের সরু অংশ যা জরায়ুর মুখ বা সারভিক্স এ বেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়৷ যোনিপথের ওপরের অংশ থেকে শুরু করে জরায়ুর মাঝামাঝি পর্যন্ত এই অংশটি বিস্তৃত ৷ জরায়ু-মুখের ক্যান্সার বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের নারীদের মৃত্যুর অন্যতম একটি কারণ৷ বাংলাদেশের ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের শতকরা ৩০ ভাগই হচ্ছেন জরায়ু মুখের ক্যান্সারের শিকার৷

জরায়ু ক্যান্সারের কারণ

মূল কারণ না জানা গেলেও নিম্নোক্ত রিক্স ফ্যাক্টরসমূহকে জরায়ু ক্যান্সারের জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়-
  • ২টি বয়সে বেশি দেখা যায়৷ ৩৫ বছরে এবং ৫০-৫৫ বছরে৷ 
  • অল্প বয়সে বিয়ে হলে (১৮বছরের নিচে) বা যৌন মিলন করে থাকলে 
  • ২০বছরের নিচে গর্ভধারণ ও মা হওয়া 
  • অধিক ও ঘনঘন সন্তান প্রসব 
  • বহুগামিতা 
  • স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এবং জননাঙ্গের অপরিচ্ছন্ন অবস্থা 
  • বিভিন্ন রোগ জীবাণু দ্বারা জরায়ু বারেবারে আক্রান্ত হলেও জরায়ু ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেশি থাকে যেমন - হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস এবং হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস৷ 
জরায়ু ক্যান্সারের কারণ ও লক্ষণ এবং চিকিৎসা

জরায়ু ক্যান্সারের লক্ষণ

প্রাথমিক পর্যায়ে রোগের লক্ষণ নাও থাকতে পারে৷ তবে নিচের লক্ষণগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়৷
  • অনিয়মিত ঋতুস্রাব হওয়া৷
  • ঋতু সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ১ বছর পরেও রক্তস্রাব দেখা যাওয়া৷
  • যৌন সঙ্গমের পর রক্তস্রাব হওয়া৷
  • যোনিপথে বাদামি অথবা রক্ত মিশ্রিত স্রাবের আধিক্য দেখা দেওয়া৷
সাদা দুর্গন্ধযুক্ত যোনিস্রাব হওয়া৷ একদিন বা একমাসে হঠাত্‌ করে জরায়ু-মুখে ক্যান্সার হয় না৷ জরায়ু মুখ আবরণীর কোষগুলোতে বিভিন্ন কারণে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে৷ এই পরিবর্তন ধীরে ধীরে ক্যান্সারের রূপ নেয় এবং এই পরিবর্তন হতে ১০-১৫ বছর সময় লাগে৷ উন্নত দেশে জরায়ু-মুখ নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়, ফলে তারা প্রাথমিক অবস্থাতেই সমস্যাটি জানতে পারেন৷ ফলে চিকিত্‌সার দ্বারা ১০০ ভাগ রোগী ভালো হয়ে যান৷

আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জরায়ু-মুখ নিয়মিত পরীক্ষার জন্য কোনো ব্যবস্থা এখনও গড়ে উঠেনি৷ এর ফলে জরায়ু-মুখ ক্যান্সারের ক্ষেত্রে শতকরা ৮০ ভাগ রোগীরা আসেন শেষ পর্যায়ে এবং ইতিমধ্যে ক্যান্সার ছড়িয়ে যায় এবং অপারেশন করা আর সম্ভব হয় না৷ রোগীরা দেরীতে আসার কারণ হচ্ছে প্রথম অবস্থাতে এ রোগের কোনো লক্ষণ থাকে না, তাই সমস্যা না থাকার কারণে রোগীরা আসেন না৷ একমাত্র জরায়ু মুখনিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে সমস্যাটি প্রাথমিক পর্যায়ে চিহ্নিত করা সম্ভব৷

জরায়ু ক্যান্সারে করণীয়সমূহ

রোগের চিকিত্‌সার পরিবর্তে প্রতিরোধ অর্থাত্‌ রোগটা হতে না দেওয়া হলো বুদ্ধিমানের কাজ৷ যদিও সকল রোগের ক্ষেত্রে প্রতিরোধ সম্ভব হয় না, তবে জরায়ু-মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব৷ কারণ ডাক্তার অথবা স্বাস্থ্যকর্মী সহজেই জরায়ু-মুখ দেখতে এবং পরীক্ষা করতে পারেন৷ ক্যান্সারপূর্ব অবস্থা ধরা পড়লে সামান্য চিকিত্‌সার মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব৷ এক্ষেত্রে জরায়ু ফেলে দেবার প্রয়োজন হয় না এবং চিকিত্‌সার পরও সন্তান ধারণ সম্ভব ৷Visual Inspection of Cervix with Acetic Acid (VIA) এই পদ্ধতির জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব -ক্যান্সারপূর্ব অবস্থায় খালি চোখে জরায়ু মুখে কোনরকম ক্ষত বা চাকা দেখা যাবে না৷ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যে পদ্ধতিতে জরায়ু মুখের ক্যান্সারপূর্ব অবস্থা শনান্ত করা হয় তাকে ভায়া বলে৷ পদ্ধতিতে জরায়ু মুখ পরীক্ষা করলে ক্যান্সারপূর্ব অবস্থা সাদা রং ধারণ করে৷

সর্বাধিক কার্যকর চিকিৎসা

দ্রুত রোগ ধরা পড়লে অপারেশনের মাধ্যমে জরায়ু কেটে বাদ দেওয়া পরামর্শ দিয়ে থাকেন এলোপ্যাথিক ডাক্তারগণ। দেরী হয়ে গেলে রোগ ছড়িয়ে পরবে৷ কেমোথেরাপি এবং রেডিও থেরাপি দিয়ে চিকিত্‌সা দিয়ে থাকেন তারা ৷ এর আবার রয়েছে অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তারপর রোগটি সবক্ষেত্রে ভালো হয় না। কিন্তু আপনি যদি কোন প্রকার কাটা চিরা বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই সম্পূর্ণ আরোগ্য হতে চান তাহলে হোমিওপ্যাথিই হলো তার একমাত্র চিকিত্সা। কারণ অনেক সময় দেখা গেছে হাসপাতাল থেকে অপারেশন করে রোগীকে লাল কার্ড দিয়ে বের করে দিয়ে বলে এই ক্যান্সার ভাল হবে না। অথচ সেই রোগীই অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের নিবিড় তত্থাবধানে থেকে চিকিৎসা নিয়ে পুরুপুরি সুস্থ হয়ে উঠছে। তাই এই সমস্যায় অযথা এলোপ্যাথির পেছনে ছুটাছুটি না করে শুরু থেকেই রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন - ডাক্তার প্রপারলি ট্রিটমেন্ট দিতে পারলে - অব্যর্থ ফলাফল পাবেন।

জরায়ু ক্যান্সারের কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা ! ডাক্তার আবুল হাসান 5 of 5
সাধারণত জরায়ুর নিচের সরু অংশ যা জরায়ুর মুখ বা সারভিক্স এ বেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়৷ যোনিপথের ওপরের অংশ থেকে শুরু করে জরায়ুর মাঝামাঝি পর্য...

ডাঃ হাসান (ডিএইচএমএস, পিডিটি - বিএইচএমসি, ঢাকা)

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

যৌন ও স্ত্রীরোগ, চর্মরোগ, কিডনি রোগ, হেপাটাইটিস, লিভার ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, পাইলস, IBS, পুরাতন আমাশয়সহ সকল ক্রনিক রোগে হোমিও চিকিৎসা নিন।

১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- ০১৭২৭-৩৮২৬৭১ এবং ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
ইমেইল:adhunikhomeopathy@gmail.com
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন সর্বাধুনিক ও সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা নিন

কিডনি সমস্যা

  • কিডনি পাথর
  • কিডনি সিস্ট
  • কিডনি ইনফেকশন
  • কিডনি বিকলতা
  • প্রসাবে রক্ত
  • প্রস্রাবের সময় ব্যথা
  • প্রসাব না হওয়া
  • শরীর ফুলে যাওয়া

লিভার সমস্যা

  • ফ্যাটি লিভার
  • লিভার অ্যাবসেস (ফোঁড়া)
  • জন্ডিস
  • ভাইরাল হেপাটাইটিস
  • ক্রনিক হেপাটাইটিস
  • HBsAg (+ve)
  • লিভার সিরোসিস
  • লিভার ক্যানসার

পুরুষের সমস্যা

  • যৌন দুর্বলতা,দ্রুত বীর্যপাত
  • শুক্রতারল্য,ধাতু দৌর্বল্য
  • হস্তমৈথুন অভ্যাস
  • হস্তমৈথনের কুফল
  • অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ
  • পুরুষত্বহীনতা, ধ্বজভঙ্গ
  • পুরুষাঙ্গ নিস্তেজ
  • সিফিলিস, গনোরিয়া

স্ত্রীরোগ সমূহ

  • স্তন টিউমার
  • ডিম্বাশয়ে টিউমার
  • ডিম্বাশয়ের সিস্ট
  • জরায়ুতে টিউমার
  • জরায়ু নিচে নেমে আসা
  • অনিয়মিত মাসিক
  • যোনিতে প্রদাহ,বন্ধ্যাত্ব
  • লিউকোরিয়া, স্রাব

পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা

  • পেটে গ্যাসের সমস্যা
  • ক্রনিক গ্যাস্ট্রিক আলসার
  • নতুন এবং পুরাতন আমাশয়
  • আইবিএস (IBS)
  • আইবিডি (IBD)
  • তীব্রতর কোষ্ঠকাঠিন্য
  • পাইলস, ফিস্টুলা
  • এনাল ফিসার

অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা

  • বাতজ্বর
  • লিউকেমিয়া, থ্যালাসেমিয়া
  • সাইনোসায়টিস
  • এলাৰ্জি
  • মাইগ্রেন
  • অনিদ্রা
  • সোরিয়াসিস (Psoriasis)
  • সাধারণ অসুস্থতা