Sunday, August 17, 2014

যে ভয়ঙ্কর সত্যগুলো এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা বলেন না

‘বিজনেস সেক্রেট’ বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। পেশাদার চিকিৎসকদেরও এমন কিছু গোপনীয়তা আছে যা তারা কখনোই রোগীদের বলেন না। অনেকে রোগীর আস্থা পেতে বা মানসিক শক্তি বাড়াতে আবার কেউ জেনে বুঝে টুপাইস অবৈধ উপার্জনের জন্য এমন তথ্য গোপন করেন। কিন্তু এসব তথ্য রোগীর জন্য ভয়ঙ্কর হতে পারে তা তারা জানেন না বা বিবেচনায় নেন না। এমন কিছু তথ্য এখানে জেনে নিন। অবশ্য এটা গড়পড়তা চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে সত্য। সবাই এ দোষে দুষ্ট তা বলা যাবে না।
ওষুধে ডায়াবেটিস :-
সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ হয়। কিন্তু কম লোকই জানে বেশক’টি ওষুধের প্রভাবেও এ রোগ হতে পারে। যেমন: অ্যান্টি ডিপ্রেসেন্ট (বিষণ্ণতা উপশম), ঘুমের ওষুধ, কাশির সিরাপ এবং বাচ্চাদের এডিএইচডি (অতিসক্রিয়তা) ওষুধ থেকে ডায়াবেটিস বাড়তে পারে। এসব ওষুধের প্রভাবে ইনসুলিন কমে যায় ফলে ডায়াবেটিস হয়।

ভ্যাক্সিন ভয় :-
বেশ কিছু ভ্যাক্সিন ফ্লু (সর্দি-জ্বর) ভাইরাস ছড়াতে সাহায্য করে। যেমন: ডিটিএপি যা বাচ্চাদের দেয়া হয়। তবে বি পারটিউসিসের মতো সাধারণ রোগের মোকাবেলায় এই ভ্যাক্সিন দেয়া হয়। কিন্তু ডিটিএপি ভ্যাক্সিন ফুসফুসের ইনফেকশন (সংক্রমণ) ডেকে আনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়।

ক্যানসার সব সময় ক্যানসরা নয় :-
ক্যানসার যে কারোরই যে কোনো কারণে হতে পারে। কিন্তু স্তন ক্যানসার নিয়ে প্রায়ই এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা বিভ্রান্ত হন। অধিকাংশরে ক্ষেত্রে তারা স্তন ক্যানসরা শনাক্ত করতে ভুল করেন। অনেক সময় স্তনে কোনো গোটা বা জমাট অংশ দেখলেই তাকে ক্যানসার বলেন তারা। কিন্তু এটা সব সময়ই ঠিক নয়। যেমন: হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি শুধু এই আশঙ্কায় ম্যাসেকটমি করান যে তার শরীরে ক্যানসার সৃষ্টিকারী জিন পাওয়া গেছে। তার নানীর নাকি স্তন ক্যানসার হয়েছিল সে ভয়েই তিনি স্তন কেটে ফেলেছেন।


এলোপ্যাথিক ওষুধেও হতে পারে ক্যানসার :-
উচ্চ রক্তচাপের ওষুধে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা তিন তিন গুণ বাড়ে। কারণ, রক্তচাপের ওষুধ শরীরের ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকারের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীরে কোষের মৃত্যু বেড়ে যায়। আর এই মৃত কোষগুলো ক্যানসার সৃষ্টিতে জড়ো হয়।

অ্যাসপিরিন :-
হার্ট অ্যাটাক বা রক্ত জমাট বাঁধা আটকাতের অ্যাসপিরিন দেয়া। কিন্তু এ ওষুধটি অভ্যন্তরীণ প্রদাহের (ইন্টারনাল ব্লিডিং) আশঙ্কা প্রায় ১০০ গুণ বাড়িয়ে দেয়। অ্যাসপিরিনের প্রভাবে শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রতঙ্গ দুর্বল হয়ে যায় এবং রক্ত ক্ষরণ শুরু করে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, যেসব রোগী দৈনিক অ্যাসপিরিন সেবন করেন তাদের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার রোগীর ইন্টারনাল ব্লিডিং হয়।

এক্স-রে থেকে ক্যানসরা :-
এক্স-রে এর তেজস্ক্রিয় রশ্মি ক্যানসারের জন্ম দিতে পারে। একটি সাধারণ এক্স-রে এর ফলে শরীরের যে ক্ষতি হয় তা সেরে উঠতে অন্তত এক বছর সময় লাগে। এ জন্য গর্ভবতীদের এক্স-রে না করানোর পরামর্শ দেয়া হয়।

বুক জ্বালাপোড়ার ওষুধ :-
অনেক সময় খাবার বা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পেটের অসুখ হয়। এর ফলে বুক জ্বালাপোড়া হতে পারে। এ জন্য এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা অ্যান্টি-গ্যাস্ট্রিক ওষুধ দেন। এ ওষুধে অন্ত্রের আলসারের সম্ভাবনা বাড়ে। পাশাপাশি হাড় ক্ষয় পেতে শুরু করে, শরীরে ভিটামিন বি-১২ শোষণ ক্ষমতা কমে যায়। কিছু ওষুধ অসুখ সারিয়ে তুলতে পারে না কিন্তু তাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শরীরের পক্ষে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।

ওষুধ ও ল্যাব টেস্টে কমিশন :-
এটা সবাই জানে, এলোপ্যাথিকচিকিৎসকরা বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি ও ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কমিশন পান। এ জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসক প্রেসক্রিপশনে সব সময় নির্দিষ্ট ওষুধ কোম্পানির ওষুধগুলোই লেখেন। আবার বিভিন্ন টেস্টের জন্য নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের যাওয়ার পরামর্শ দেন। রোগীকে কমিশন দেয়ার জন্য স্লিপ লিখে দেন।

সর্দির কোনো ওষুধ নেই :-
নাকের ভেতরের অংশ ফুলে গেলে বা প্রদাহের কারণে সর্দি হয়। এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরা এখনো এর সঠিক কারণ জানেন না। এর কোনো কার্যকরী ওষুধও নেই। তারপরও এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা অ্যান্টিবায়োটিক দেন। কিন্তু বেশক’টি গবেষণায় দেখা গেছে, ৪-৭ দিনের মধ্যে সর্দি নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়। এতে ওষুধের কোনো প্রভাব নেই। অবশ্য কিছু ভেষজ যেমন: কাঁচা রসুন, পেঁয়াজ বা আদা সর্দি উপশম ত্বরান্বিত করে। এসব ভেষজ সর্দির ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসকে ত্বরান্বিত করে মাত্র, এ জন্য দ্রুত সর্দি পেকে যায়। কিন্তু এসব রোগ সারিয়ে তুলতে পারে না।
তথ্য সুত্র :- এই সময় , সময়ের কন্ঠস্বরইনসাফ২৪.কম এবং  বাংলা মেইল ২৪

যে ভয়ঙ্কর সত্যগুলো এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা বলেন না ডাক্তার আবুল হাসান 5 of 5
‘বিজনেস সেক্রেট’ বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। পেশাদার চিকিৎসকদেরও এমন কিছু গোপনীয়তা আছে যা তারা কখনোই রোগীদের বলেন না। অনেকে রোগীর আস্থা পেত...

ডাক্তার আবুল হাসান (ডিএইচএমএস - বিএইচএমসি, ঢাকা)

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- ০১৭২৭-৩৮২৬৭১ এবং ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
ইমেইল:adhunikhomeopathy@gmail.com
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।