Saturday, December 16, 2017

ত্বকের সোরিয়াসিস চিরদিনের জন্য নির্মূল হয় ! এই রোগের কার্যকর চিকিৎসা কি দেখুন

অ্যালোপ্যাথি ডাক্তারদের ভাষায় সোরিয়াসিস একটি দীর্ঘস্থায়ী দুরারোগ্য চর্মরোগ। এই রোগ নারী-পুরুষ সবারই হতে দেখা যায়। এখনো পর্যন্ত এই রোগের সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। সোরিয়াসিস হওয়ার পেছনে জন্মগত একটি প্রভাব আছে। পরিবেশগত কারণও জড়িত, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা জড়িত, সব কিছু মিলিয়ে এটি একটি মাল্টি ফ্যাকটারাল ইউটোলজি। অনেক কিছু মিলে এই রোগটি হয়।

আগেই বলেছি অ্যালোপ্যাথি ডাক্তারদের ভাষায়- সোরিয়াসিস একটি দীর্ঘস্থায়ী দুরারোগ্য চর্মরোগ। এই রোগ নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে দেখা যায়। এখনো পর্যন্ত এই রোগের সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। এ ক্ষেত্রে ত্বকে প্রথমে প্রদাহের সৃষ্টি হয় এবং সে স্থানে লালচে ভাব দেখা যায়। একই সাথে ছোট ছোট গুটি যা চামড়া থেকে সামান্য উঁচুতে থাকে। ধীরে ধীরে এগুলো বড় হতে পারে। মাছের আঁশের মতো উজ্জ্বল সাদা শুকনো চটলা দ্বারা গুটিগুলো আচ্ছাদিত থাকে। এই আঁশগুলো ঘষে ঘষে তুললে আঁশের নিচের চামড়ায় লালচে ভাব দেখা যায় এবং তা থেকে রস-কষ ঝরতে পারে এবং সেখান থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্তক্ষরণও হতে থাকে।
ত্বকের সোরিয়াসিস রোগের কার্যকর চিকিৎসা
সাধারণভাবে একজন সোরিয়াসিসের রোগীকে দেখলে অন্যরা ভয় পেয়ে যান এবং অনেকেরই ধারণা এটা বুঝি ছোঁয়াচে। আসলে এটা কোনোক্রমেই ছোঁয়াচে রোগ নয়। এটা কোনো জীবাণুজনিত রোগও নয়। তাই তার থেকে অন্য কারো হওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই। এটা তেমন বড় কোনো শারীরিক সমস্যার সৃষ্টিও সাধারণত করে না।

সোরিয়াসিসে মূলত কী হয়?

সাধারণত দেখা যায় যে হাঁটুতে, কনুইতে, মাথায়, হাতের মধ্যে, হাতের তালুতে, পায়ের তালুতে কিছু রিংয়ের মতো প্লাক তৈরি হয়ে যায়। তখন সেখান থেকে চামড়া উঠতে থাকে। একসময় সেটা লাল আকার ধারণ করে। আমরা বলি সিলভার স্কেল, মাছের আশের মতো উঠতে থাকে। খুবই বিরক্তিকর একটি বিষয়। এটা নিয়ে রোগী খুব মনঃক্ষুণ্ণ থাকেন। কাজের স্পৃহা হারিয়ে ফেলেন। এই সময় গাঁটগুলো শক্ত হয়ে যেতে থাকে। হাত পায়ের আঙ্গুলগুলো শক্ত হয়ে যেতে থাকে।

ত্বকের সোরিয়াসিস কাদের হয় 

নারী-পুরুষ উভয় ক্ষেত্রেই সমহারে হতে দেখা যায়। যেকোনো বয়সেই হতে পারে। তবে ১৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে বেশি হতে দেখা যায়। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। এ ক্ষেত্রে জেনেটিক বা পারিবারিক প্রভাব অবশ্যই আছে বলে প্রমাণিত হয়েছে এবং অনেক কিছুরই প্রভাবে এটা বাড়তে দেখা গেছে। যেমন আঘাত, ইনফেকশন, দুশ্চিন্তা, আবহাওয়ার পরিবর্তন, নানাকরম ওষুধ যেমন- কোনো ম্যালেরিয়ার ওষুধ, ব্লাড প্রেসারের ওষুধ, হরমোন এবং কর্টিসেল জাতীয় ওষুধ সেবনে প্রাথমিকভাবে উপকার পেলেও পরে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ত্বকের সোরিয়াসিস রোগের উপসর্গ 

সোরিয়াসিসের উপসর্গ ত্বকের যেকোনো স্থানেই দেখা দিতে পারে। ত্বক ছাড়া নখেও দেখা দিতে পারে। ত্বকের যেসব এলাকা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়, তা হলো কনুই, হাঁটু, মাথার চামড়া, কোমড়ের নিচের মধ্যখানের স্থানে ইত্যাদি। তবে এটা শরীরের যেকোনো স্থানের যেকোনো চামড়ায়ই হতে পারে। সাধারণত এ রোগে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য উপাসর্গই থাকে না।

তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সামান্য চুলকানিভাব থাকতে পারে। তবে যাদের এ রোগ হয় তারা লোকসমাজে যেতে ইতস্তত করেন, যাদের কাছে যান তারাও দেখলে ছোঁয়াচে ভেবে ভয়ে দূরে থাকতে চান। কারণ চামড়া উঠতে উঠতে এমন এক ভয়ঙ্কর অবস্থার সৃষ্টি হয় যা কি না রোগীর জন্য এক বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করে। আসলে কিন্তু এ রোগটি কোনো অবস্থাতেই ছোঁয়াচে নয়।

প্রথমে ত্বকে প্রদাহের সৃষ্টি হয়, তারপর লালচে ভাব ধারণ করে, সেখানে ছোট ছোট গুটি দেখা দেয়, ওপরের ত্বকে চলটার আকারে মাছের আঁশের মতো শুকনো চামড়া দেখা দেয় যা কি না টানলে চলটাসহ উঠে আসে। খুঁটে বা টেনে এই চামড়া তুললে নিচে লালচে চামড়া দেখা যায়। যা থেকে রস ঝরে এবং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্তক্ষরণ দেখা যায়। সোরিয়াসিসের ক্ষেত্রে ত্বকের উপসর্গের বাইরে সাধারণত কোনো শারীরিক উপসর্গ থাকে না। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন হাত ও পায়ের গিরায় গিরায় বাতব্যথার মতো ব্যথা দেখা দিতে পারে, যাকে বলা হয় সোরিয়াটিক আর্থোপ্যাথি।

এ ছাড়া হাত ও পায়ের তালুতে পুঁজ ভর্তি দানা দেখা দিতে পারে, যাকে বলা হয় প্যাস্টুলার সোরিয়াসিস। আবার ছোট ছোট দানার আকারে লালচে আঁশযুক্ত সোরিয়াসিস যা সারা দেহসহ হাত-পা পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে, যাকে বলা হয় গাটেট সোরিয়াসিস। সোরিয়াসিসে নখও আক্রান্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নখের রঙ হলদে হতে পারে এবং নখের গায়ে ছোট ছোট দানার আকারে দেখা যায়। নখ পুরো হতে যেতে পারে, নখের গায়ে ফাটা ফাটা দাগ দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া সোরিয়াসিসে আর একটি জটিলতা দেখা দিতে পারে যাকে বলা হয় সোরিয়াটিক এরিথ্রোডারমা, যাতে সারা শরীরের ত্বকে প্রদাহ দেখা দেয় এবং সারা শরীরের ত্বক লালচে হয়ে ফুলে ওঠে। তার সারা শরীর থেকে শুকনো আঁশ ঝরে ঝরে পড়তে থাকে। এ অবস্থায় রোগীর জীবন আশঙ্কাযুক্ত হয়ে পড়ে এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। সোরিয়াসিস যখন মাথায় দেখা দেয় তখন তাকে বলা হয় স্কালপ সোরিয়াসিস।

আমাদের দেশে কেন, পৃথিবীজুড়েই এটা ব্যাপক আকারে দেখা যায়। তবে অনেকেই এটাকে মাথার ত্বকের ছত্রাকজনিত চর্মরোগ (টিনিয়া ক্যাপিটিস) ভেবে ভুল করে থাকেন। এ ক্ষত্রে মাথার ত্বক থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি আঁশ উঠতে থাকে এবং আঁশের নিচের ত্বকে লালচে প্রদাহজনিতভাব দেখা যায়। তবে মাথায় তেমন কোনো চুলকানি থাকে না। অল্প সামান্য থাকলেও অনেকে আবার খুশকি ভেবেও ভুল করে থাকেন।

এর চিকিৎসার জন্য কী করা হয়? এটি কী পুরোপুরি ভালো হয়?

এটি পুরোপুরি ভালো হয় না - এই কথাটি বলে থাকেন অ্যালোপ্যাথি ডাক্তারগণ। তবে তারা এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনাকে চিকিৎসা দিবে।  শুধু এই রোগটি নিয়ে ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস হয়। পৃথিবীর সবাই এই রোগটি নিয়ে বেশ চিন্তিত। এবং নতুন নতুন অনেক চিকিৎসা বের হচ্ছে। এর অনেক ভালো চিকিৎসা রয়েছে। ব্যয়বহুল চিকিৎসা রয়েছে, আবার কম খরচেও এর চিকিৎসা করা যায়। রোগীকে কত কম খরচে কত সাধারণ ওষুধ দিয়ে ভালো রাখা যায়, আমরা সেই চেষ্টা করি - ত্বকের সোরিয়াসিস রোগের ক্ষেত্রে এই হল অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসকদের বক্তব্য। 

সোরিয়াসিস চিরদিনের জন্য নির্মূল হয় ! আপনি জানেন কি 

অ্যালোপ্যাথি ডাক্তারগণ বলে থাকেন চিকিৎসায় ত্বকের সোরিয়াসিস সম্পূর্ণরূপে সেরে যাবে এ কথা বলা সঙ্গত হবে না। অথচ সমগ্র বিশ্বে হাজার হাজার রোগী পরিপূর্ণরূপে সুস্থ হচ্ছে শুধু মাত্র হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মাধ্যমেই।
আপনি জানেন কি হোমিওপ্যাথি ডাক্তাররা সাফল্যের সাথেই ত্বকের সোরিয়াসিস রোগের কার্যকর চিকিৎসা দিয়ে আসছেন যুগ যুগ ধরে এবং তাদের চিকিত্সায় সুস্থ হচ্ছেন হাজার হাজার রোগী।
অনেকেই বলেন আমি ২ মাস, ৩ মাস, ৬ মাস হোমিও ঔষধ খেয়েছি কিন্তু আমার রোগ ভালো হচ্ছে না, তাই হোমিওপ্যাথি ভালো না, হোমিওপ্যাথি খারাপ ইত্যাদি ইত্যাদি.........। এই প্রকার প্রশ্ন যারা করেন তাদের অব্শ্যই একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি -
যেখানে অ্যালোপ্যাথি ডাক্তাররা আপনাকে চিকিৎসা দিয়ে হাজার হাজার টাকা নিচ্ছেন অথচ রোগটাই তারা আপনার শরীর থেকে দূর করতে পারছেন না আর আপনি আপনার পাশের দোকান থেকে  ২০ টা আর ৫০টাকার হোমিও ঔষধ খেয়েই বলছেন আমার রোগ ভালো হচ্ছে না। 
আপনার জানা দরকার - আপনার রোগ ভালো হবে কি হবে না এটা নির্ভর করবে ডাক্তারের চিকিৎসা দক্ষতার উপর। আপনি যদি ভালো চিকিৎসা পেতে চান আপনাকে ভালো ডাক্তার দেখাতে হবে এবং প্রপার ট্রিটমেন্ট নিতে হবে। তবে অবশ্যই অভিজ্ঞ এবং রেজিস্টার্ড একজন হোমিও ডাক্তার থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরী।

ত্বকের সোরিয়াসিস চিরদিনের জন্য নির্মূল হয় ! এই রোগের কার্যকর চিকিৎসা কি দেখুন ডাক্তার আবুল হাসান 5 of 5
অ্যালোপ্যাথি ডাক্তারদের ভাষায় সোরিয়াসিস একটি দীর্ঘস্থায়ী দুরারোগ্য চর্মরোগ। এই রোগ নারী-পুরুষ সবারই হতে দেখা যায়। এখনো পর্যন্ত এই রোগের সুন...

ডাঃ হাসান (ডিএইচএমএস, পিডিটি - বিএইচএমসি, ঢাকা)

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

যৌন ও স্ত্রীরোগ, চর্মরোগ, কিডনি রোগ, হেপাটাইটিস, লিভার ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, পাইলস, IBS, পুরাতন আমাশয়সহ সকল ক্রনিক রোগে হোমিও চিকিৎসা নিন।

১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- ০১৭২৭-৩৮২৬৭১ এবং ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
ইমেইল:adhunikhomeopathy@gmail.com
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন সর্বাধুনিক ও সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা নিন

কিডনি সমস্যা

  • কিডনি পাথর
  • কিডনি সিস্ট
  • কিডনি ইনফেকশন
  • কিডনি বিকলতা
  • প্রসাবে রক্ত
  • প্রস্রাবের সময় ব্যথা
  • প্রসাব না হওয়া
  • শরীর ফুলে যাওয়া

লিভার সমস্যা

  • ফ্যাটি লিভার
  • লিভার অ্যাবসেস (ফোঁড়া)
  • জন্ডিস
  • ভাইরাল হেপাটাইটিস
  • ক্রনিক হেপাটাইটিস
  • HBsAg (+ve)
  • লিভার সিরোসিস
  • লিভার ক্যানসার

পুরুষের সমস্যা

  • যৌন দুর্বলতা,দ্রুত বীর্যপাত
  • শুক্রতারল্য,ধাতু দৌর্বল্য
  • হস্তমৈথুন অভ্যাস
  • হস্তমৈথনের কুফল
  • অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ
  • পুরুষত্বহীনতা, ধ্বজভঙ্গ
  • পুরুষাঙ্গ নিস্তেজ
  • সিফিলিস, গনোরিয়া

স্ত্রীরোগ সমূহ

  • স্তন টিউমার
  • ডিম্বাশয়ে টিউমার
  • ডিম্বাশয়ের সিস্ট
  • জরায়ুতে টিউমার
  • জরায়ু নিচে নেমে আসা
  • অনিয়মিত মাসিক
  • যোনিতে প্রদাহ,বন্ধ্যাত্ব
  • লিউকোরিয়া, স্রাব

পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা

  • পেটে গ্যাসের সমস্যা
  • ক্রনিক গ্যাস্ট্রিক আলসার
  • নতুন এবং পুরাতন আমাশয়
  • আইবিএস (IBS)
  • আইবিডি (IBD)
  • তীব্রতর কোষ্ঠকাঠিন্য
  • পাইলস, ফিস্টুলা
  • এনাল ফিসার

অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা

  • বাতজ্বর
  • লিউকেমিয়া, থ্যালাসেমিয়া
  • সাইনোসায়টিস
  • এলাৰ্জি
  • মাইগ্রেন
  • অনিদ্রা
  • সোরিয়াসিস (Psoriasis)
  • সাধারণ অসুস্থতা