Friday, April 27, 2018

পরিপাকতন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ IBS, IBD, Ulcerative Colitis, Crohn's Disease এর চিকিৎসা

আমরা আজ ইরিটেবল বাওয়াল সিনড্রোম (IBS-আইবিএস), ইনফ্ল্যামেটরি বাওল ডিজিজ (IBD-আইবিডি), অলসারেটিভ কোলাইটিস (Ulcerative Colitis), ক্রনস ডিজিজ (Crohn's Disease) সম্পর্কে জানবো। পরিপাকতন্ত্রের কোনো অংশে প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক অসুখগুলো খুব কষ্টদায়ক হয়, বিশেষ করে আইবিএস, আলসারেটিভ কোলাইটিস ও ক্রনস ডিজিজ। সতর্ক থাকলে এসব অসুখ থেকে নিজেকে বাঁচানো যায়, নিয়ম মানলে আক্রান্ত হওয়ার পরও ভালো থাকা যায়। তবে চাইলে হোমিও চিকিৎসা নিয়ে এই রোগ থেকে মুক্তি লাভ করতে পারেন চিরদিনের জন্য।

মূলত দুটি অসুখকে আইবিডি বা পরিপাকতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি অসুখ বলা হয়। আলসারেটিভ কোলাইটিস ও ক্রনস ডিজিজ। এ দুটির মধ্যে আমাদের দেশে আলসারেটিভ কোলাইটিস বেশি হয়। ক্রনস ডিজিজও হয়, তবে উন্নত দেশে এটি অনেক বেশি হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে এই দীর্ঘমেয়াদি রোগগুলো রোগীর প্রাণহানির কারণও ঘটায়। আবার এলোপ্যাথিতে এই রোগগুলো চিকিৎসায় খুব একটা ভালো ফল পাওয়া যায় না। কিছু ক্ষেত্রে অত্যন্ত ব্যয়বহুলও। কিন্তু হোমিওপ্যাথিতে এই রোগগুলির অনেক উন্নত চিকিৎসা রয়েছে। হোমিও চিকিৎসকরা খুব সহজেই প্রপার ট্রিটমেন্ট দিয়ে এই রোগগুলি নির্মূল করতে পারেন।
পরিপাকতন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ IBS, IBD, Ulcerative Colitis, Crohn's Disease এর  চিকিৎসা

ইরিটেবল বাওয়াল সিনড্রোম (IBS - আইবিএস)

আইবিএস>> হলো পরিপাকতন্ত্র কার্যক্রমের একটি সমস্যা। এটি অন্ত্রের কার্যকারিতারও একটি সমস্যা। এ রোগে মলত্যাগের সময় পেটে ব্যথা হয়ে মলত্যাগের সাধারণ অভ্যাসের পরিবর্তন ঘটে। স্বাভাবিক মলত্যাগের পরিবর্তে পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া অথবা কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।

কারণ : আইবিএসকে এলোপ্যাথিরা  অতিরিক্ত মানসিক অত্যাচার ও মানসিক রোগ বলে অবহিত করে থাকেন। কিন্তু এর পেছনে প্রধান কারণ কি সেটা আজ পর্যন্ত এলোপ্যাথির বিজ্ঞানীগন আবিষ্কারই করতে পারেন নি। পৌষ্টিকনালির স্বাভাবিক গতির পরিবর্তনে সাধারণত আইবিএসের রোগীরা হয় পাতলা পায়খানা নয়তো ডায়রিয়া অথবা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগে থাকেন। ১০ থেকে ২০ শতাংশ রোগীর আইবিএস হয় পৌষ্টিকনালির প্রদাহ হওয়ার পরবর্তী সময়ে। অনেকের ক্ষেত্রে এ রোগের জন্য দৈনন্দিন জীবনের কতগুলো খাবার প্রধানত দায়ী। যেমন- দুধ, দুধের তৈরি খাবার, শসার সালাদ, গম ও গমের তৈরি বিভিন্ন খাবার।

ইনফ্ল্যামেটরি বাওল ডিজিজ (IBD-আইবিডি)

পরিপাকতন্ত্রের প্রদাহজনিত অসুখ বা ইনফ্ল্যামেটরি বাওল ডিজিজ বা আইবিডি আসলে কয়েকটি অসুখের একটি সম্মিলিত নাম। দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক রোগ এগুলো। ডায়রিয়া, পেটে ও বুকে ব্যথা, ওজন কমা, দুর্বলতাবোধ ইত্যাদি সাধারণ উপসর্গ থাকে রোগটিতে।

আলসারেটিভ কোলাইটিস ও ক্রনস ডিজিজের সাধারণত লক্ষণগুলো অনেকটা একই রকম।
  • ঘন ঘন ডায়রিয়া হয়। 
  •  জ্বরজ্বর ভাব। দুর্বলতাবোধ হয় ও ক্লান্তি লাগে। 
  • পেটে ব্যথা। কারো কারো পেট মোচড়ায়। অনেকের বমি বা বমি বমিভাব হয়।
  • পায়খানার সঙ্গে রক্ত যায়। তবে সব সময় যে তাজা রক্ত যায় তা নয়। পায়খানায় রক্ত থাকার কারণে অনেক সময় ঘন কালো রঙের পায়খানাও হয়। এগুলোকে বলে অকাল্ট ব্লাড।
  • খাওয়ার আগ্রহ কমে যায়। চেষ্টা করেও খাওয়া যায় না।
  • কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমতে থাকে।
আলসারেটিভ কোলাইটিস সাধারণত বৃহদান্ত্র বা লার্জ ইনটেসটাইনের মধ্যে সীমিত থাকে এবং রেকটাম (মলদ্বার) থেকে শুরু হয়ে মিউকাস পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে। অন্যদিকে ক্রনস ডিজিস মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে পায়ুপথ পর্যন্ত যেকোনো স্থানে হতে পারে। রোগ দুটি সাধারণত ১৫ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে হয়ে থাকে।

অলসারেটিভ কোলাইটিস (Ulcerative colitis)

এ রোগ বৃহদান্ত্রের প্রদাহ হয়ে অন্ত্রের মিউকাস মেমব্রেনে বা মিউকাস আবরণীতে ক্ষত সৃষ্টি করে। কোন অঞ্চলে হয়েছে এবং রোগের মাত্রা কেমন তার ওপর নির্ভর করে এর ধরন নির্ণয় করা হয়। যেমন - মলদ্বারের কাছে হলে আলসারেটিভ প্রক্টাইটিস, সিগময়েড কোলন এবং মলদ্বারে হলে প্রক্টসিগময়েডাইটিস ইত্যাদি। এ ছাড়া আছে লেফট সাইডেড কোলাইটিস, প্যানকোলাইটিস, অ্যাকিউট সিভিয়ার আলসারেটিভ কোলাইটিস ইত্যাদি ধরনও।

রক্ত আমাশয়ই হলো এ রোগের বিশেষ লক্ষণ। কোনো প্রাপ্তবয়স্ক লোকের যদি কয়েক সপ্তাহের বেশি রক্ত আমাশয় থাকে, তাহলেই এ রোগ সন্দেহ করতে হবে। রোগের তীব্রতা বেশি হলে অন্ত্র ছিদ্র হয়ে যাওয়া, পেট ফুলে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো জটিলতাও দেখা দিতে পারে।
তবে চিন্তার কারণ নেই - এই রোগের প্রায় শত ভাগ কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করে রেখেছে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞান। অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিলেই এই রোগ নির্মূল হয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসে। 

ক্রনস ডিজিজ (Crohn's disease)

এই রোগে মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে পায়ুপথ পর্যন্ত যেকোনো স্থান আক্রান্ত হতে পারে। সাধারণত আইলিয়াম বা স্মল ইনটেসটাইনের একটি বিশেষ অংশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কখনো কখনো কোলনও আক্রান্ত হতে দেখা যায়। এ রোগে পরিপাকতন্ত্রের নালির গাত্রে স্কার বা ফাইব্রোসিস হতে থাকে এবং নালি সরু হয়ে যেতে থাকে। জটিলতা হিসেবে পায়খানার সমস্যা হওয়া, ফোড়া, ফিস্টুলাও হতে পারে।

কেন হয় আইবিডি?

ঠিক কী কারণে আইবিডি হয় তা এখনো নিশ্চিতভাবে নির্ণয় করা যায়নি। তবে কিছু বিষয় এ রোগ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে বলে মনে করা হয়।
  • পরিবারে নিকটাত্মীয়ের মধ্যে কারো এ রোগ থাকলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
  • ধূমপান করলে ক্রনস ডিজিজ বেশি হতে দেখা যায়। তবে ধূমপায়ীদের আবার আলসারেটিভ কোলাইটিস কম হয়।
  • ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধ যেমন—আইসোট্রেটিনন ব্যবহার করলে।
  • দীর্ঘদিন ধরে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করলে। যেমন -আইবুপ্রোফেন, ন্যাপ্রোক্সেন সোডিয়াম, ডাইক্লোফেনাক সোডিয়াম ইত্যাদি।
  • শহরের লোকের বেশি হয়, বিশেষ করে শিল্পকারখানার আশপাশে বা যেখানে বাতাসের দূষণ বেশি সেখানে বসবাসকারীদের এটি বেশি হতে দেখা যায়।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে খাদ্যাভ্যাস, অন্ত্রের জীবাণু বা জীবাণুর সংক্রমণ এ রোগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। যদি আঁশজাতীয় খাবার, শাকসবজি কম খাওয়া হয়, তবে এ রোগ বেশি হয়।  বলা যায়, মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতির কারণেই পরিপাকতন্ত্রের ক্ষতি সাধন হয়ে এ অসুখগুলো হয়।

দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি

এ রোগ দুটির নানা রকম দীর্ঘস্থায়ী, নানা প্রকার  উপসর্গসহ বিভিন্ন জটিলতা আক্রান্ত ব্যক্তির জীবন দুর্বিষহ করে তোলে। অন্ত্রের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি এ রোগের কারণে অনেক বেড়ে যায়। আরো কিছু জটিলতা দেখা দেয়।
  • অ্যানাল ফিস্টুলা হতে পারে
  • অপুষ্টিজনিত অসুখবিসুখ হয়
  • কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি হয়
  • শরীরের অন্যান্য অঙ্গ, যেমন - চোখ, অস্থিসন্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  • রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া, অস্টিওপরোসিস, লিভারের প্রদাহ, শিশুর শারীরিক বিকাশ ব্যাহত হওয়া ইত্যাদি হতে পারে।
রোগ নির্ণয়:-  রোগের লক্ষণসহ কিছু রুটিন পরীক্ষা যেমন -রক্ত, পায়খানা, পেটের এক্সরে, আলট্রাসনোগ্রাম ইত্যদি এ রোগ নির্ণয়ে সহায়ক। তবে রোগ নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করার জন্য কলোনোস্কোপি, এন্টারোস্কোপি, ফ্লেক্সিবল সিগময়ডোস্কোপি ও এন্ডোস্কোপি পরীক্ষা করা হয়। অনেক সময় বায়োপসি করেও রোগ নির্ণয় সম্ভব করা যায়। পেটের সিটিস্ক্যান, এমআরআইও মাঝেমধ্যে এ রোগ শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।

স্থায়ী ভাবে নির্মূলের জন্য চিকিৎসা আছে কি ?

এলোপ্যাথিক চিকিৎসা:- আগেই বলেছি এ রোগ নিরাময়ের কোন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা এখনো জানা যায়নি। তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এলোপ্যাথিক ডাক্তারগণ পর্যন্ত লক্ষণনির্ভর বা লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দিয়ে থাকে। কিন্তু তাদের হাতে এই রোগ স্থায়ী ভাবে সারানোর মতো কোন ঔষধ নেই অর্থাৎ আপনাকে সব সময় ঔষধ খেয়ে যেতে হবে ভালো থাকার জন্য।
  • সাধারণত প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। এসব ওষুধের মধ্যে আছে অ্যামাইনোস্যালিসাইলেট ও কর্টিকোস্টেরয়েড। আলসারেটিভ কোলাইটিসে অ্যামাইনোস্যালিসাইলেট উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে আনতে ভালো কাজ করে কিন্তু স্থায়ী ভাবে ভালো করতে পারে না। আর কর্টিকোস্টেরয়েডের মধ্যে প্রেডনিসোলন, হাইড্রোকর্টিসন তখনই প্রয়োগ করা হয়, যখন রোগটির তীব্রতা ব্যাপক হয় এবং অন্য ওষুধে ঠিকমতো উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না তখন, ভালো হওয়া তো দূরের কথা।
  • অনেক সময় ইমিউন সিস্টেম সাপ্রেসর বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দমিয়ে রাখার জন্যও কিছু ওষুধ প্রয়োগ করে থাকে এলোপ্যাথি ডাক্তারগণ । এ ধরনের ওষুধের মধ্যে আছে অ্যাজাথিওপ্রাইন, সাইক্লোস্পোরিন, ইনফ্লিক্সিম্যাব, মেথোট্রেক্সেট ইত্যাদি।
  • যাদের আলসারেটিভ কোলাইটিসের সঙ্গে সব সময় জ্বর জ্বর ভাব থাকে, তাদের অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েও চিকিৎসা দিয়ে থাকে অনেক এলোপ্যাথিক ডাক্তার। কার্যকরী এ ধরনের দুটি অ্যান্টিবায়োটিক হচ্ছে মেট্রোনিডাজল ও সিপ্রোফ্লক্সাসিন।
  • সাধারণত এসব ওষুধের পাশাপাশি ব্যথানাশক, আয়রন সাপ্লিমেন্ট, ভিটামিন বি ১২, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ইত্যাদিও দিতে হয়।
  • রোগ নিয়ন্ত্রণের কিছু ওষুধ ব্যয়বহুল। আবার কিছু ওষুধ  মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও সৃষ্টি করতে পারে। দীর্ঘদিন ওষুধ প্রয়োগ করেও রোগ ভালো না হলে সার্জারি বা অপারেশনও প্রয়োজন হতে পারে। সাধারণত ক্রনস ডিজিজে আক্রান্তের অর্ধেকেরই সার্জারির প্রয়োজন হয়।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:- এলোপ্যাথি এই সকল রোগ নির্মূল করতে ব্যর্থ হলেও এটা কখনই মনে করবেন না যে  - আপনি এর থেকে মুক্তি পাবেন না। কারণ এই রোগসমূহ স্থায়ী ভাবে নির্মূল করার চিকিৎসা রয়েছে আপনার হাতের কাছেই - পুঁজিবাদীদের অপপ্রচারের  কারণে যা হয়তো এতদিন আপনার অজানা ছিল। মনে রাখবেন বর্তমান বিশ্বে এলোপ্যাথিই একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি নয়। এই আধুনিক যুগে পৃথিবীতে প্রায় ১৫০+ চিকিৎসা পদ্ধতি>> রয়েছে। এলোপ্যাথির ক্রমবর্ধমান রোগ জটিলতা, নিরাময়ে ব্যর্থতা, মারাত্মক পার্শপ্রতিক্রিয়া ফলে বিভিন্ন দেশে এই সকল চিকিৎসা পদ্ধতিগুলি আবিষ্কৃত হয়েছে এবং মানুষ সেগুলি গ্রহণ করে সুস্থ্যতা লাভ করছে বিধায় একেক দেশে একেক প্রকার চিকিৎসা পদ্ধতি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
আর বিকল্প এই সব চিকিৎসা পদ্ধতিগুলির মধ্যে বর্তমান বিশ্বে সর্বাধিক জনপ্রিয় হলো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞান। কারণ শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথি দিয়েই প্রায় ৯০ ভাগ রোগের কার্যকর চিকিৎসা দেয়া যায়।
উল্লেখ করার মতো আরেকটি বিষয় হলো - হোমিওপ্যাথি হল পার্শপ্রতিক্রিয়ামুক্ত একটি স্থায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি। পরিপাকতন্ত্রের প্রদাহজনিত যেকোন প্রকার রোগে হোমিওপ্যাথি দারুন কার্যকর। তবে মনে রাখবেন - এর জন্য আপনাকে অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিতে হবে। যদি একজন ডাক্তারের চিকিৎসাতে ভালো ফল না দেয় তাহলে ডাক্তার পরিবর্তন করুন। কারণ প্রপার ট্রিটমেন্ট নিলে এই সকল রোগ থেকে মুক্তি লাভ করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

পরিপাকতন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ IBS, IBD, Ulcerative Colitis, Crohn's Disease এর চিকিৎসা ডাক্তার আবুল হাসান 5 of 5
আমরা আজ ইরিটেবল বাওয়াল সিনড্রোম (IBS-আইবিএস), ইনফ্ল্যামেটরি বাওল ডিজিজ (IBD-আইবিডি), অলসারেটিভ কোলাইটিস (Ulcerative Colitis), ক্রনস ডিজিজ (...

ডাক্তার আবুল হাসান (ডিএইচএমএস - বিএইচএমসি, ঢাকা)

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

যৌন ও স্ত্রীরোগ, চর্মরোগ, কিডনি রোগ, হেপাটাইটিস, লিভার ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, পাইলস, IBS, পুরাতন আমাশয়সহ সকল ক্রনিক রোগে হোমিও চিকিৎসা নিন।

১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- ০১৭২৭-৩৮২৬৭১ এবং ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
ইমেইল:adhunikhomeopathy@gmail.com
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন সর্বাধুনিক ও সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা নিন

কিডনি সমস্যা

  • কিডনি পাথর
  • কিডনি সিস্ট
  • কিডনি ইনফেকশন
  • কিডনি বিকলতা
  • প্রসাবে রক্ত
  • প্রস্রাবের সময় ব্যথা
  • প্রসাব না হওয়া
  • শরীর ফুলে যাওয়া

লিভার সমস্যা

  • ফ্যাটি লিভার
  • লিভার অ্যাবসেস (ফোঁড়া)
  • জন্ডিস
  • ভাইরাল হেপাটাইটিস
  • ক্রনিক হেপাটাইটিস
  • HBsAg (+ve)
  • লিভার সিরোসিস
  • লিভার ক্যানসার

পুরুষের সমস্যা

  • যৌন দুর্বলতা,দ্রুত বীর্যপাত
  • শুক্রতারল্য,ধাতু দৌর্বল্য
  • হস্তমৈথুন অভ্যাস
  • হস্তমৈথনের কুফল
  • অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ
  • পুরুষত্বহীনতা, ধ্বজভঙ্গ
  • পুরুষাঙ্গ নিস্তেজ
  • সিফিলিস, গনোরিয়া

স্ত্রীরোগ সমূহ

  • স্তন টিউমার
  • ডিম্বাশয়ে টিউমার
  • ডিম্বাশয়ের সিস্ট
  • জরায়ুতে টিউমার
  • জরায়ু নিচে নেমে আসা
  • অনিয়মিত মাসিক
  • যোনিতে প্রদাহ,বন্ধ্যাত্ব
  • লিউকোরিয়া, স্রাব

পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা

  • পেটে গ্যাসের সমস্যা
  • ক্রনিক গ্যাস্ট্রিক আলসার
  • নতুন এবং পুরাতন আমাশয়
  • আইবিএস (IBS)
  • আইবিডি (IBD)
  • তীব্রতর কোষ্ঠকাঠিন্য
  • পাইলস, ফিস্টুলা
  • এনাল ফিসার

অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা

  • বাতজ্বর
  • লিউকেমিয়া, থ্যালাসেমিয়া
  • সাইনোসায়টিস
  • এলাৰ্জি
  • মাইগ্রেন
  • অনিদ্রা
  • সোরিয়াসিস (Psoriasis)
  • সাধারণ অসুস্থতা