Showing posts with label অন্যান্য স্বাস্থ্য তথ্য. Show all posts
Showing posts with label অন্যান্য স্বাস্থ্য তথ্য. Show all posts

Tuesday, February 20, 2018

গরমে যখন তখন ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি… কিছু বিষয়ে সতর্ক হোন

ফ্রিজের ঠাণ্ডা করা পানি পান করলে মেদ ঝরে। অনেকেই এই যুক্তিকে পূঁজি করে তীব্র গরমের সময় যখন তখন ফ্রিজের পানি খেয়ে তৃপ্ত হন। কাঠফাটা রোদের মধ্যে স্বস্তি পাওয়ার এটাই যেন একমাত্র উপায়। ঠাণ্ডা পানির উপকারিতার পক্ষে ব্যাখ্যা হল, ঠাণ্ডা পানির তাপমাত্রা আর শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার মধ্যে রয়েছে অনেকটা পার্থক্য।

আপনার পানকৃত ঠাণ্ডা পানির তাপমাত্রাকে স্বাভাবিক করতে শরীর অতিরিক্ত শক্তি ব্যয় করে, এতে মেদ ঝরতে পারে। তবে এই মেদ হ্রাসের পরিমাণ খুবই সামান্য। তাই এতে খুশি হওয়ার কারণ নেই। বরং ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি পান করার ক্ষতিকর দিকটি উপকারের চেয়ে অনেক প্রকট।
গরমে যখন তখন ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি… কিছু বিষয়ে সতর্ক হোন
খাবার খাওয়ার মাঝে কিংবা শেষে ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি পান করলে তা খাবারের চর্বি অংশটুকু কঠিন অবস্থায় পরিণত করে। ফলে শরীরে মেদ কমার চেয়ে বাড়িয়ে দেয় অনেক বেশি। একই সঙ্গে ঠাণ্ডা পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিক করতে শরীর ব্যস্ত হয়ে পড়ে, আর এ কারণে খাবার পরিপাকের প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে। পরবর্তী সময়ে ঠাণ্ডা পানির সহায়তায় খাবারের সেই কঠিন হওয়া অতিরিক্ত চর্বিকে পরিপাক করাটা শরীরের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এসব অতিরিক্ত চর্বি কখনো কখনো রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে শোষিত হয়। ধমনিতেও ধীরে ধীরে চর্বি জমিয়ে উচ্চ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। ফলে মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সুস্থ থাকার জন্য শরীরের তাপমাত্রা এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশের তাপমাত্রার মধ্যে যোগসূত্র থাকাটা খুব জরুরি। অথচ আমরা বাইরে থেকে ঘরে এসে তড়িঘড়ি করে ফ্রিজ থেকে ঠাণ্ডা পানি নিয়ে খেয়ে ফেলি। এটা শরীরের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি তাহলে কখন পান করবেন? পিপাসা হচ্ছে সেই অনুভূতি, যা খুব সহজেই জানিয়ে দেয়, শরীরে পানির ঘাটতি হয়েছে। তাই তৃষ্ণা মেটাতে তাড়াতাড়ি পানি পান করতে হবে। সুতরাং একমাত্র পরিতৃপ্তির জন্য মাঝেমাঝে স্বাভাবিক পানির সঙ্গে ফ্রিজের পানি মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। তবে অবশ্যই সেই পানির শীতলতা থাকবে পরিবেশ ও শরীরের তাপমাত্রার সহ-অবস্থানে।

যাদের অ্যাজমা, টনসিলাইটিস কিংবা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা আছে, তাদের জন্য ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি একেবারেই নিষিদ্ধ। আবহাওয়া যতই গরম থাকুক না কেন ঠাণ্ডা পানিতে আপনার শরীরের ক্ষতি করে বসতে পারে। তাই সাবধান থাকা জরুরি।
বিস্তারিত

Monday, February 19, 2018

কিভাবে বুঝবেন আপনার অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে ?

প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হলো পেটব্যথা। এটা শুরু হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা নেয়া জরুরি। প্রয়োজনে যত শিগগিরই সম্ভব আপারেশন করাতে হতে পারে।

অনেকে এই ব্যথা হলে ব্যথানাশক বা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেয়ে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। এতে পরবর্তীতে রোগীর শরীরে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হয়।

মানুষের বৃহদন্ত্রের সঙ্গে লাগানো কনিষ্ঠ আঙুলের মতো একটি সরু। তলপেটের ডান দিকে লম্বায় এটি ২ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। মূলত বেঁচে থাকার জন্য এটির প্রয়েজনীয়তা এখনো জানা যায়নি। কিন্তু এই ছোট্ট থলেতে আকস্মিক প্রদাহ হলে দেখা দেয় অসহনীয় ব্যথা। এর নাম অ্যাপেন্ডিসাইটিস।

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা সাধারণত নাভির চারপাশে বা নাভির একটু ওপর থেকে শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টা পর তলপেটের ডান দিকের অংশে ব্যথাটা স্থায়ী হয়। থেমে থেমে ব্যথা ওঠে। ব্যথা তীব্র ও হালকা দুই রকমেরই হতে পারে। এ ছাড়া বমি বমি ভাব বা ১/২ বার বমিও হতে পারে।
কিভাবে বুঝবেন আপনার অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে ?
সঙ্গে হালকা জ্বরও থাকতে পারে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। ব্যথা তীব্র হলে রোগী হাসপাতালে আসতে বাধ্য হয়। তবে হালকা ব্যথা হলেও সতর্ক হতে হবে। কেননা, পরবর্তীতে রোগীর অ্যাপেন্ডিক্সের চারদিকে বিভিন্ন উপাদান জমা হয়ে পেটে একটি পিণ্ডের মতো তৈরি হতে পারে।

সময়মতো চিকিৎসা না করালে অ্যাপেন্ডিক্স ছিদ্র হয়ে খাদ্যনালীর ভেতরের বিভিন্ন উপাদান, পরিপাক হয়ে যাওয়া খাবারের অংশ ও মল বেরিয়ে পুরো পেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে পেটের ভেতরে, এমনকি রক্তেও ছড়িয়ে পড়তে পারে গুরুতর সংক্রমণ। এ ধরনের ঘটনায় রোগীর জীবনের আশঙ্কাও দেখা দেয়।

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের চিকিৎসা হলো আক্রান্ত অংশ বা অ্যাপেন্ডিক্স যত দ্রুত সম্ভব অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে ফেলে দেয়া। অস্ত্রোপচারের ভয়ে অনেকে হাসপাতালে যেতে চান না। অনেক সময় শিশু বা বেশি বয়স্করা ব্যথার সঠিক বর্ণনাও দিতে পারে না।

কিন্তু জটিলতা এড়াতে পেটব্যথা তীব্র ও স্থায়ী অথবা থেকে থেকে হলে রোগীকে শক্ত খাবার দেয়া থেকে বিরত থাকুন বা মুখে খাবার দেয়া বন্ধ রাখুন এবং যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যান।
বিস্তারিত

Saturday, February 3, 2018

কোন রক্তের গ্রুপে কোন কোন খাবার খাওয়া উচিত

ডায়েট চার্ট মেনে অনেকেই খাওয়া দাওয়া করে থাকেন। তাতে শরীর সুস্থ যেমন থাকে, তেমন মুডও থাকে ভাল। তবে লো-ক্যালরি, হাই এনার্জি ডায়েটেও অনেকে যেন ঠিক মনের মতো ফল পাচ্ছেন না। মানে, ওজন ঝরিয়ে ফেলে ঠিক যেমনটা স্লিম হতে চান তেমনটা কিছুতেই যেন হয়ে ওঠছে না। এর কারণ জানেন? গবেষকরা জানাচ্ছেন, আমরা আমাদের রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী ডায়েট মেনে চলি না বলেই এমনটা হয়ে থাকে।

নিউরোপ্যাথ ড. পিটার ডি’অ্যাডামো জানান, রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী খাবার খেলে শুধু যে ওজম কমে তা নয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেড়ে যায়, সংক্রমণের সম্ভাবনা কমে। জেনে নিন কোন গ্রুপের রক্ত হলে ডায়েটে কোন ধরনের খাবার রাখা উচিত।
কোন রক্তের গ্রুপে কোন কোন খাবার খাওয়া উচিত
রক্তের গ্রুপ ‘ও’:- এ ধরনের রক্ত যাদের রয়েছে তারা উচ্চমাত্রায় প্রোটিন খেলে যথেষ্ট উপকৃত হবে। এক্ষেত্রে বেশি করে সাদা মাংস, হাঁস-মুরগির মাংস, মাছ ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া সবজি এবং নানা ধরনের দানাযুক্ত খাবার যথেষ্ট উপকার করবে। সীম ও বীজধরনের খাবার এবং ডেইরি পণ্য খাওয়া উচিত।

রক্তের গ্রুপ ‘এ’:- এ রক্তের গ্রুপের মানুষদের জন্য মাংসবিহীন খাবারই সবচেয়ে উপযুক্ত। এক্ষেত্রে সবজি ও ফলমূল হতে পারে সবচেয়ে আদর্শ খাবার। এছাড়া নানা ধরনের ডাল, দানাদার খাবার, লাল আটার রুটি, সীমের বিচি ও বিভিন্ন ধরনের বীজ খাওয়া উচিত বেশি করে।

রক্তের গ্রুপ ‘বি’:- ‘বি’ গ্রুপের রক্ত যাদের রয়েছে তাদের প্রধানত সবুজ সবজি, ডিম, কিছু ধরনের মাংস ও কম ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত। তাদের ভুট্টা, গম, ডাল, টমেটো ও চিনাবাদাম এড়িয়ে চলা উচিত।

রক্তের গ্রুপ ‘এবি’:- রক্তের গ্রুপ যাদের ‘এবি’ তাদের খাবারে থাকা উচিত সয়াবিন, সামুদ্রিক খাবার, দুগ্ধজাত সামগ্রী ও সবুজ সবজি। এছাড়া ক্যাফেইন, অ্যালকোহল, ধূমপান ও প্রক্রিয়াজাত মাংস বর্জন করা উচিত।
বিস্তারিত

Friday, February 2, 2018

হাড়ের স্যুপের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলি জেনে রাখুন

আপনি হয়তো মুরগীর স্যুপ বা হাড় দিয়ে তৈরি অন্য কোন খাবার যেমন- নেহারি খেয়েছেন। কিন্তু এই হাড়ের জুস বা স্যুপের যে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে তা কি জানেন? আসলে বিভিন্ন ধরণের স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে হাড়ের জুস।

হাড়ের এই স্যুপ তৈরি হয় গরু বা মুরগীর অস্থি ও তরুণাস্থি দিয়ে। হাড়ের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের মিনারেল থাকে এবং এর পাশাপাশি জেলাটিন ও কোলাজেন থাকে। এ কারণেই হাড়ের স্যুপের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রচুর।
হাড়ের স্যুপের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলি জেনে রাখুন
হাড়ের স্যুপে মিনারেলের পাশাপাশি ভিটামিন ও থাকে। এতে উচ্চমাত্রার ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এছাড়াও আয়রন, সেলেনিয়াম, কপার, ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, ভিটামিন সি ও বি৬ এর ভালো উৎস হাড়ের স্যুপ। হাড়ের স্যুপে কন্ডিশনাল অ্যামাইনো এসিড থাকে। এই ধরণের অ্যামাইনো এসিড আমাদের শরীরে উৎপন্ন হয় না, তাই খাদ্য থেকে এদের গ্রহণ করতে হয়। হাড়ের স্যুপে যে ৪টি অ্যামাইনো এসিড থাকে সেগুলো হল- আরজিনিন, গ্লিসাইন, গ্লুটামিন ও প্রোলিন। এই অ্যামাইনো এসিড গুলো ইমিউন ফাংশন, অন্ত্রের কাজ, জ্ঞানীয় ক্ষমতা এবং বডি ডিটক্সের জন্য প্রয়োজনীয়।

হাড়ের স্যুপের স্বাস্থ্য উপকারিতা সমূহ

১. অন্ত্রের সমস্যা নিরাময়ে সাহায্য করেঃ- যাদের অন্ত্রের বিভিন্ন ধরণের সমস্যা যেমন- লিকি গাট বা হজমের সমস্যা থাকে তারা প্রতিদিন ১ কাপ হাড়ের স্যুপ খেলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। অন্ত্রের ছিদ্রগুলোকে মেরামত করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে হাড়ের স্যুপের জেলাটিন।ডায়রিয়া, খাদ্যের অসহনীয়তা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার সমস্যাগুলো হয় অন্ত্রের ছিদ্রের অসামঞ্জস্যতার জন্য।—-

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ-
হাড়ের স্যুপ ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে কিনা তা এখনো জানা যায়নি। তবে অনেক ধরণের স্বাস্থ্যগত সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করে হাড়ের স্যুপ এবং এই কাজটি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মাধ্যমে। হাড়ের স্যুপের প্রচুর খনিজ উপাদানের উপস্থিতি, অ্যামাইনো এসিড ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের জন্যই এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে পারে।

৩. ভাইরাস ও ঠান্ডার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেঃ- গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, সাধারণ ঠান্ডার উপসর্গগুলো কমতে সাহায্য করে হাড়ের স্যুপ। হাড়ের স্যুপ সাইনাস ও শ্বাসনালীর পথ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এটি হজম সহায়ক পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ। তাই অসুস্থ হলে মুরগীর স্যুপ খাওয়ার কথা বলা হয়।

৪. জয়েন্টের ব্যথা দূর করেঃ- বছরের পর বছর ধরে মানুষ জয়েন্টের ব্যথায় আরাম পাওয়ার জন্য গ্লুকোসামাইন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করছেন। হাড়ের স্যুপে গ্লুকোসামিন থাকে, তার অর্থ হাড়ের স্যুপ অস্থি সন্ধির ব্যথা কমাতে কার্যকরী হতে পারে। এছাড়াও হাড়ের স্যুপ হাড়কে শক্তিশালী করে এবং অষ্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে।

৫. ঘুমের উন্নতি ঘটায়ঃ- হাড়ের স্যুপে গ্লিসাইন থাকে যার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। আসলে গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, গ্লিসাইন ঘুমের মান উন্নত করতে পারে এর পাশাপাশি স্মৃতিরও উন্নতি ঘটায়।

তাছাড়া হাড়ের রসে কোলাজেন থাকে বলে এই স্যুপ খেলে ত্বককে দৃঢ়, উজ্জ্বল ও তরুণ রাখে, অন্ত্রের যে ব্যাকটেরিয়া স্থূলতার জন্য দায়ী তাদের দূর করে ওজন কমতে সাহায্য করে হাড়ের স্যুপ, মিনারেল ও ইলেক্ট্রোলাইটের উপস্থিতির জন্য শরীর হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করে হাড়ের স্যুপ।
বিস্তারিত

Wednesday, January 24, 2018

দাঁত রোগমুক্ত রাখতে করণীয় এবং দাঁতের যত্নে প্রাকৃতিক ঔষধগুলি কি কি জেনে নিন।

বাংলায় একটা কথা আছে, যা প্রতিটি মানুষই তার জীবনকালে একবার না একবার শুনেই থাকেন, তা হল দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বুঝতে হয়, না হলে পরে আফসোস করা ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। আপনাকে যাতে এমন কথা শুনতে না হয় সেজন্যই আজ এই লেখায় দাঁত বাঁচাতে এমন সহজ কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হল, যা মেনে চললে আপনার দাঁতের কোনও ক্ষয় তো হবেই না, সেই সঙ্গে বুড়ো বয়সে দাঁত পড়ে যাওয়ার চিন্তাও দূর হবে।

দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বুঝুন। একটা মধুর হাসি তখনই সম্পূর্ণ হবে, যখন তার সঙ্গে থাকবে হিরের মতো ঝকঝকে দাঁত। মুগ্ধ গোটা বিশ্ব। শরীরের সঙ্গে দাঁতেরও যত্ন নেওয়া দরকার। দাঁত ভালো রাখতে আমাদের নিয়মিত চিকিত্সকের পরামর্শসহ আরও কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিৎ
দাঁত রোগমুক্ত রাখতে করণীয় এবং দাঁতের যত্নে প্রাকৃতিক ঔষধগুলি কি কি জেনে নিন

দাঁতের কালো দাগ: সমস্যা এবং সমাধান

দাঁত থাকুক সুন্দর, ঝকঝকে, রোগমুক্ত; কে না চায় এমন। কিন্তু হয়ে উঠে কি? কথায় বলে দাঁত থাকতে দাঁতের মর্জাদা বুঝে না। এটাই হয় মূলত। সাধারণত দেখা যায় দাঁতের চিকিৎসা সময় মত না করানোর ফলেই দাঁতের যত সমস্যার শুরু হয়। সময় মত চিকিৎসা করালে যে সমস্যা কোন সমস্যাই না, অসময়ে চিকিৎসা করাতে গেলে ঐ সমস্যাই বড় সমস্যা হয়ে দাড়ায়।

অনেকেরই দেখা যায় দাঁতের মাড়ির ওপর কালো দাগ পড়েছে। আর সেখানে প্রচন্ড ব্যাথা, গর্ত হওয়া বা ফাঁকা হওয়া, রক্ত পড়া সহ বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে। এক্ষেত্রে আমরা অনেকেই দাতে লবন এবং সরিষার তেল দিয়ে দাঁত মাজি। কিন্তু ডাক্তারদের মতে এটা করা ঠিক নয়। বরং দাঁতে কালো দাগ দেখা দেবার সাথে সাথে আমাদের যা করা উচিৎ তা হলো একজন দাঁতের ডাক্তার দেখানো।

মূলত দাঁতে কালো দাগ দেখা মানে হচ্ছে এটি দাঁত ক্ষয়ের প্রাথমিক পর্যায়ের সমস্যা। প্রথম অবস্থাতেই এটির চিকিৎসা করালে এবং বিশেষজ্ঞ দ্বারা ফিলিং করিয়ে নিলে ভবিষ্যতের ব্যয়বহুল রুট ক্যানেল করানোর মত ঝামেলা এড়ানো যায় সহজেই।

আর আপনি যদি সময় মত দাঁতের এই কালো দাগ দূর করে ফিলিং করান, তাহলে দাঁতে অ্যাপিক্যাল অ্যাবসেস হওয়ার ঝুঁকি থাকে না। আর না করালে এবং অ্যাপিক্যাল অ্যাবসেস হলে রুট ক্যানেল করে ফিলিং করালে যদিও দাঁত রক্ষা করা যায়, কিন্তু তা খুবই ব্যয়বহুল।

কিছু নিয়ম মানুনঃ- দাঁতের নিয়মিত সুরক্ষার জন্য আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিৎ। এগুলি মেনে চললে অনেকাংশেই আমরা আমাদের দাঁতকে রাখতে পারবো ঝকঝকে সাদা, রোগমুক্ত।

প্রতিদিন সকালের নাস্তার পর, এবং রাত্রে ঘুমাবার আগে দাঁত ব্রাশ করুন।
(রমজানে,সেহেরী খাওয়ার পর)
  • দিনে মাত্র একবার দাঁতব্রাশ করলে তা অবশ্যই রাত্রে ঘুমাবার আগে দেড় থেকে দুমিনিট দাঁত ব্রাশ করা শ্রেয়, এর বেশী বা কম নয়
  • ফ্লস দিয়ে দাঁতের ফাঁকার মধ্যে জমে থাকা ময়লা পরিস্কার করতে পারেন
  • যে কোন মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, চুইংগাম, কেক, ফাস্টফুড খাবার পর অবশ্যই পানি দিয়ে ভালো ভাবে কুলকুচি করবেন
  • মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন, তবে টানা ব্যবহার করবেন না, ৪/৫ দিন ব্যবহারের পর আবার ৪/৫ দিন ব্যবহার বাদ দিন
  • অতিরিক্ত ফ্লুরাইড ব্যবহার করে এমন টুথপেষ্ট লম্বা সময় ব্যবহার করবেন না, এতে আপনার দাঁতে সাদা দাগ পড়া সহ ভেঙ্গে যেতে পারে
  • সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ করবার নিয়মটি আপনার দাঁতের ডাক্তারের কাছ থেকে ভালো ভাবে শিখে নিন
  • দাঁতে সমস্যা থাকুক চাই না থাকুত, বছরে অন্তত ২/১ বার দন্ত চিকিৎসককে দেখানো উচিত

দাঁতের যত্নে কার্যকর প্রাকৃতিক উপাদানগুলো

দাঁতের ক্ষয় হওয়ার পেছনে মূলত আমাদের খাদ্যাভ্যাস অনেকাংশে দায়ী থাকে। এই যেমন সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সমীক্ষা রিপোর্ট অনুসারে যে যে খাবারগুলি বিশেষ করে দাঁতের ক্ষয় করে থাকে, মিষ্টিজাতীয় খাবার তার মধ্যে অন্যতম। শুধু কী আর খাবার, সেই সঙ্গে খাবার খেয়ে ঠিক মতো মুখ না ধোওয়া, দাঁতের যত্ন না করার মতো বিষয়ও দাঁতের ক্ষয়ের পিছনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এই বদঅভ্যাসগুলি ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি নিয়ম করে এই লেখায় আলোচিত ঘরোয়া দাওয়াইগুলো মেনে চলা যায়, তাহলে দাঁত নিয়ে আর কখনও চিন্তাই করতে হবে না। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো কী।

১. তেল মালিশ:- শরীরকে চাঙ্গা রাখতে তেল মালিশের উপকারিকাতর কথা শুনেছি। কিন্তু দাঁতে তেল মালিশ! এই ব্যাপারটা তো ঠিক বুঝলাম না ভাই? আসলে দাঁতের তেল মালিশ বলতে সহজ কথায় বিশেষ কিছু তেল দিয়ে কুলকুচি করাকে বোঝানো হয়ে থাকে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ১ চামচ নারকেল তেল নিয়ে কুলকুচি করার পর যদি গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলা যায়, তাহলে দাঁতের ক্ষয় হওয়ার ভয় অনেকটাই কমে আসে। প্রসঙ্গত, নারকেল তেল দিয়ে কম করে ২০ মিনিট কুলি করতে হবে, তবেই মিলবে সুফল!

২. হলুদ:- এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ দাঁতে পোকা লাগতে দেয় না। সেই সঙ্গে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনের হাত থেকে দাঁতকে রক্ষা করতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। এক্ষেত্রে প্রথমে হাফ চামচ হলুদ গুঁড়োতে পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পেস্টটা ব্রাশে লাগিয়ে দিনে কম করে দুবার দাঁত মাজতে হবে। এমনটা যদি কয়েকমাস করা যায়, তাহলে দাঁত নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকবে না।

৩. পেয়ারা পাতা:- দাঁতের সুরক্ষায় এই প্রাকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান দাঁতের স্বাস্থ্যকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখন প্রশ্ন হল দাঁতের সুরক্ষায় কীভাবে ব্যবহার করতে হবে পেয়ারা পাতাকে? এক্ষেত্রে ১-২টা পেয়ারা পাতা নিয়ে কিছুক্ষণ চিবিয়ে ফেলে দিতে হবে। এমনটা করলে পেয়ারা পাতার রস দাঁতের ভেতরে প্রবেশ করে নিজের খেল দেখানোর সুযোগ পেয়ে যাবে। আর এমনটা হওয়া মাত্র দাঁতের শক্তি বাড়তে শুরু করবে।

৪. গ্রিন টি:- শরীরকে সুস্থ রাখতে গ্রিন টি-এর যেমন কোনও বিকল্প হয় না, তেমনি দাঁতের সুরক্ষাতেও এই পানীয়টি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এক্ষেত্রে বিশেষভাবে কাজে লেগে থাকে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে দিনে ৩-৪ কাপ গ্রিন টি খেলে দাঁতের বেশ উপকার হয়, সেই সঙ্গে শরীররে প্রতিটি অঙ্গ এতটাই কর্মক্ষম হয়ে ওঠে যে সার্বিকভাবে শরীরের উন্নতি ঘটে।

৫. তুলসি পাতা:- মুখের ভেতরে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলার মধ্যে দিয়ে তুলসি পাতা একদিকে যেমন মুখের দুর্গন্ধ দূর করে, তেমনি ক্যাভিটি এবং প্লাকের মতো সমস্যাকেও ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো তুলসি পাতা নিয়ে রোদে শুকিয়ে একটা পাউডার বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পাউডার দিয়ে প্রতিদিন দাঁত মাজলেই দেখবেন উপকার পেতে শুরু করেছেন।

৬. পিপারমেন্ট পাতা:-  ২০১৩ সালে হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এই পাতাটি নিয়মিত খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দাঁতে পোকা লাগার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। কারণ পিপারমেন্ট পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এক গ্লাস পানিতে পরিমাণ মতো পিপারমেন্ট পাতা ফেলে পানিটা ফুটিয়ে নিন। যখন দেখবেন পানিটা ভাল রকম ফুটতে শুরু করেছে, তখন আঁচটা বন্ধ করে, পানিটা ছেঁকে নিয়ে ভাল করে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন। তাহলেই দেখবেন কেল্লাফতে!

৭. আমলকি:- এতে থাকা ভিটামিন সি শরীরে প্রবেশ করার পর শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় না, সেই সঙ্গে দাঁতের বাইরের স্তরকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে ক্যাভিটি হোক কী ব্যাকটেরিয়া, কোনও কিছুই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। তাই তো দাঁতের পাশাপাশি শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে প্রতিদিন ১-২টা আমলকি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।
বিস্তারিত

নিয়মিত এক কাপ চা পান করার যে উপকারিতাগুলি আপনি জানেন না !!

শরীরের ঝিমভাব কাটাতে অনেকেই চা পান করে থাকেন। কারও পছন্দ চিনি ছাড়া লাল চা, কারও আবার বেশি দুধ ও চিনি সহযোগে কড়া চা। চায়ের কতই না রূপভেদ। কিন্তু ধর্ম-বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে মানুষ একটা ব্যাপারে একমত হবেনই, চা ছাড়া দিন যে কাটে না।

সম্প্রতি চায়ের গুণাগুণ সম্পর্কে একটি নতুন সমীক্ষা হয়েছে। বের হয়েছে তার ফলাফলও। যেখানে বলা হচ্ছে, যারা নিয়মিত চা পান করেন, তাদের বুদ্ধি, একাগ্রতা ও সৃজনশীলতা যারা চা পান করেন না, তাদের চেয়ে বেশি।
নিয়মিত এক কাপ চা- পান করার যে উপকারিতা
গবেষকরা বলছেন, চায়ের মধ্যে ক্যাফিন ও থিয়ানিন রয়েছে। এই উপাদানগুলো মানুষকে সদা সতর্ক থাকতে সাহায্য করে। একাগ্রতা বাড়ায়। মস্তিষ্কে ‘ক্রিয়েটিভ জুসে’র প্রবাহ বাড়িয়ে দেয় এক কাপ চা।

এই তত্ত্ব হাতেকলমে প্রমাণ করতে ২৩ বছর বয়সী ৫০ জন যুবককে দুটি দলে ভাগ করা হয়। তাদের মধ্যে একদলকে শুধু পানি দেয়া হয়, ওপর দলটিকে দেয়া হয় পানি ছাড়াও নিয়মিত লিকার চা পান করতে। দুটি দলকেই নানা কাজের ভার দেয়া হয়। তাদের কিছু অঙ্ক কষতে দেয়া হয়, ইতিহাসের কয়েকটি প্রশ্ন জানতে চাওয়া হয়।

এবার ফল যা বলছে, তাতে দেখা যায়, যারা নিয়মিত চা পান করেছেন, তাদের স্কোর ৬.৫৪। আর যারা চা পান করেননি, তাদের গড় স্কোর ৬.০৩।

তাহলে বুঝতেই পারছেন, বারবার চা চাওয়ার অভ্যাসে গিন্নি বিরক্ত হলেও এই প্রবণতা কিন্তু মোটেও ক্ষতিকারক নয়। তবে ঘনঘন পান করার অভ্যাস থাকলে দুধ-চিনি ছাড়া লিকার চা বা গ্রিন টি পান করুন। এতে সুস্থও থাকবেন বেশিদিন, আর বাড়বে বুদ্ধি-একাগ্রতাও।
বিস্তারিত

Monday, January 22, 2018

নীরব ঘাতক হাড়ের ক্যান্সারের মারাত্মক লক্ষণগুলো সবারই জেনে রাখা দরকার

আজকাল বোন ক্যান্সার বা হাড়ের রোগের কথা বেশ শুনতে পাওয়া যায়। আর এই ক্যান্সারে মৃত্যুর হারটাও অনেক চড়া। তবে ভয়ের বিষয়টা হচ্ছে এই ক্যান্সারের সঠিক কারণ এখন পর্যন্ত নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।

তাই সত্যি বলতে কি, নিশ্চিতভাবে কারো ক্ষেত্রেই বলা সম্ভব না যে তার এই হাড়ের ক্যান্সার হবে কি হবে না। তাহলে উপায়? উপায় হচ্ছে কারণ ও লক্ষণ গুলো সম্পর্কে একটু বিস্তারিত জেনে রাখা ও সতর্ক হওয়া।

ম্যালিগন্যান্ট বোন টিউমার থেকেই মূলত হাড়ের ক্যানসার হয়। হাড়ের কোষে টিউমার, অস্টিওজেনেটিক দেহকলার মারাত্মক টিউমার, কন্ড্রোমা সারকোমাটোসাম ইত্যাদির কারণেও এটি হয়ে থাকে। তবে হাড় ক্যানসারের লক্ষণ ক্ষেত্রে অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

বোন ক্যানসারের কারণ

হাড়ের ক্যানসারের কারণ এখনও সঠিক ভাবে জানা যায়নি। হাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি ও সংক্রমণের ফলেই ক্যানসার হতে পারে বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা।
নীরব ঘাতক হাড়ের ক্যান্সারের মারাত্মক লক্ষণগুলো
এছাড়াও হাড়ের অতিরিক্ত বৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ, জেনেটিক ফ্যাক্টর, ভাইরাস সংক্রমণ, রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদির কারণেও হাড়ের ক্যানসার হতে পারে।

এবার জানুন নীরব ঘাতক হাড়ের ক্যান্সারের মারাত্মক লক্ষণগুলো সম্পর্কে….

১) হাড়ে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া:- হাড়ে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ার অর্থ যে আপনি কোনো ভাবে ব্যথা পেয়েছেন তা নাও হতে পারে। হাড়ের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হচ্ছে হাড়ে ব্যথা হওয়া। এই ব্যথা একটানা হবে না। হুট করেই ব্যথা শুরু হওয়া এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া, রাতের বেলা ব্যথা শুরু হওয়া, ভারী কোনো জিনিস তোলার পর ব্যথা হওয়া বা হাঁটার ফলে হাড়ে ব্যথা হওয়া হতে পারে হাড়ের ক্যান্সারের লক্ষণ। সুতরাং হাড়ের ব্যথা অবহেলা করবেন না।

২) ব্যথার স্থান ফুলে যাওয়া:- কোনো কারণে ব্যথা পাওয়া ছাড়া হাড় ব্যথা হওয়ার পাশাপাশি যদি ব্যথা হওয়ার স্থান অনেক ফুলে যায়, বিশেষ করে জয়েন্টের স্থান ফুলে যায় তাহলে এটি সাধারণ ব্যাপার নাও হতে পারে। এছাড়াও ফুলে যাওয়া স্থানে গোটার মতো অনুভব হওয়া মাত্র সতর্ক হোন। ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।

৩) হাড় ভাঙা বা হাড়ে ফ্র্যাকচার হওয়া:- হাড় অনেক মজবুত, ষ্টীলের চাইতেও মজবুত হয়ে থাকে মানুষের হাড় যা খুব সহজে ভাঙে না। কিন্তু হাড়ের ক্যান্সার হওয়ার ফলে হাড়ের ভেতরে ক্ষয় হতে থাকে এবং হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়। যার কারণে সাধারণ কাজ যেমন উঠাবসার করা, হাঁটু গেঁড়ে বসা বা বিছানায় গড়াগড়ি খাওয়ার সময়েও হাড় ভাঙা বা হাড় ফ্র্যাকচার হওয়ার ঘটনা মোটেই স্বাভাবিক নয়। এটি হাড়ের ক্যান্সারের লক্ষণ।

৪) অন্যান্য লক্ষণ সমূহ:- এই সকল লক্ষণের পাশাপাশি আরও সাধারণ কিছু লক্ষণ নজরে পড়ে থাকে, যেমন-
  • কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমতে থাকা
  • অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভব করা
  • রক্তশূন্যতায় ভোগা
  • ঘন ঘন এবং অতিরিক্ত জ্বর হওয়া ইত্যাদি।
মনে রাখুন,উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলো চোখে পড়লে নিশ্চিত হয়ে যাবেন না যে আপনি হাড়ের ক্যান্সারেই আক্রান্ত। আর্থ্রাইটিস, মাংসপেশি বা লিগামেন্ট ইনজুরিতে যারা ভোগেন তাদের মধ্যেও এইধরনের কিছু লক্ষণ নজরে পড়ে। সুতরাং ঘাবড়ে বা ভয় পেয়ে যাবেন না। লক্ষণ দেখা মাত্র ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।
বিস্তারিত