Showing posts with label ক্যান্সার/টিউমার. Show all posts
Showing posts with label ক্যান্সার/টিউমার. Show all posts

Tuesday, January 9, 2018

টিউমারে থাকতে পারে ক্যানসারের আশঙ্কা - সতর্ক হন ! বিপদ হতে পারে যেকারো

পূর্ণ বয়স্কদের শরীরের হাড়ে দেখা দিতে পারে নানা রকম রোগ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিছু টিউমার দেখা যায় যা সেকেন্ডারি টিউমার বলে পরিচিত। এই টিউমারটি আসে প্রাইমারি টিউমার থেকে। স্তন, ফুসফুস, প্রস্টেট গ্রন্থি, কিডনি এবং থাইরয়েডে গ্রন্থিতে ক্যানসার হলে তা সহজেই অস্থিতে ছড়িয়ে পড়ে। এই ছড়িয়ে পড়া ক্যানসার এর বীজটি অস্থিতে যে টিউমার তৈরি করে তাকে সেকেন্ডারি বোন টিউমার বা মেটাস্টাটিক টিউমার বলা হয়।

সেকেন্ডারি টিউমার প্রায় সবসময়ই ক্যানসার জাতীয় একটি রোগ। কারণ এই টিউমার অস্থি বা হাড়ের নিজস্ব নয়, শরীরের অন্য কোথাও ক্যানসার হলে তা থেকে ছড়িয়ে এটা অস্থিতে আসে। হাড়ের সেকেন্ডারি টিউমার মূলত ক্যানসারের আশঙ্কাই প্রকাশ করে।
টিউমারে থাকতে পারে ক্যানসারের আশঙ্কা
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হাত এবং পায়ের হাড়ের ওপরের দিকে মেটাস্টাটিক টিউমার হতে দেখা যায়। কোমরের হাড় এবং মেরুদণ্ডের হাড়েও এই টিউমার হতে পারে। এই ধরনের টিউমার হলে রোগী খুব ব্যথা অনুভব করে, হাত ও পায়ের কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়, নড়াচড়া করতে অসুবিধা হয় এবং খুব অল্প আঘাতেও টিউমার হওয়া হাড়টি ভেঙ্গে যেতে পারে। এই টিউমার হলে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অনেক বেড়ে যেতে দেখা যায়।

টিউমার এবং ক্যান্সার সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে এখানে দেখুন >>>

হাড়ের টিউমার টের পেলে অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তিনি নানা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হবেন টিউমারটির আসলে উৎপত্তি কোথায়। সেক্ষেত্রে এই টিউমারের প্রাইমারি চিকিৎসা দরকার আছে কিনা তাও তিনিই নির্ধারণ করবেন। তিনি হয়তো বুক এবং পেটের সিটি স্ক্যান দিতে পারেন। এভাবেও রোগের উৎস ধরা না গেলে বায়োপসি পর্যন্ত করাতে পারেন।

প্রচলিত চিকিৎসা 

প্রাইমারি টিউমারের উৎস নিশ্চিত করতে পারলে প্রথমে তার চিকিৎসা শুরু করতে হয়। প্রাইমারি রোগ ভালো হলে অথবা নিয়ন্ত্রণে আসলে অস্থির টিউমারের চিকিৎসা শুরু করা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপি দিয়ে প্রাইমারি টিউমার ফেলে দেয়ার পর অস্থির টিউমার কেটে ফেলে। তবে পুরো চিকিৎসা নির্ভর করে টিউমারটি স্টেজের ওপর।

সর্বাধিক কার্যকর চিকিৎসা 

টিউমারটি যখন বড় হয়ে যায় অথবা ক্যান্সারের পর্যায়ে চলে যায় তখন এলোপাথ ডাক্তারগণ এটাকে কেটে ফেলে দেয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প খুজেন না। ক্যান্সার/টিউমার এর সর্বাধুনিক, সবচেয়ে কার্যকর এবং সাফল্যমন্ডিত চিকিত্সা দিয়ে থাকে হোমিওপ্যাথি। তাই যেখানে হোমিওপ্যাথি কোন প্রকার অপারেশন এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই  টিউমারকে পুরোপুরি নির্মূল করতে সক্ষম সেখানে অপারেশন করতে যাওয়াটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত বিবেচনা করবেন।
বিস্তারিত

Sunday, December 24, 2017

ক্যান্সারের প্রতিরোধ ও প্রতিকারে ভূমিকা রাখে টমেটো

নানা পুষ্টিগুণ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের প্রাচুর্যের কারণে টমেটোর স্বাস্থ্যগত উপযোগিতা নিয়ে কারোই কোনো সন্দেহ নেই। বিশ্বব্যাপী সমাদৃত কৃষিপণ্যটির কদর আরো বাড়িয়ে দিতে যাচ্ছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা। এতে বলা হয়েছে, পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রতিরোধ ও প্রতিকার— দুই ক্ষেত্রেই কার্যকর সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে টমেটোর নির্যাস। খবর সায়েন্স ডেইলি।

টমেটো একই সঙ্গে ফল ও সবজি হিসেবে সমাদৃত। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও ফলিক অ্যাসিড রয়েছে। দৃষ্টিশক্তি ও হজমক্ষমতা বাড়ানোয় এর কোনো জুড়িও নেই। এছাড়া রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করা এবং ডায়াবেটিস ও চামড়ার সমস্যার চিকিৎসায়ও এটি বহুলব্যবহূত।
ক্যান্সারের প্রতিরোধ ও প্রতিকারে ভূমিকা রাখে টমেটো
ইতালির অনকোলজি রিসার্চ সেন্টার অব মার্চোগলিয়ানোর (সিআরওএম) বিশেষজ্ঞদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, পাকস্থলীর ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে টমেটো। তারা দেখিয়েছেন, গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ও এসব কোষের ম্যালিগন্যান্ট ক্লোনিং থামিয়ে দেয় টমেটোর নির্যাস।

গবেষকদের বক্তব্য অনুযায়ী, টমেটোর কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির পাকস্থলীর ক্যান্সার কোষের বর্ধণ ও ছড়িয়ে পড়া রোধের যে ক্ষমতা রয়েছে, সেটিকে কেন্দ্র করে প্রাণঘাতী রোগটির কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি গড়ে উঠতে পারে।

মূলত স্যান মারজানো ও করবারিনো প্রজাতির টমেটোর মধ্যে এ গুণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। গত কয়েক বছরে বিশ্বব্যাপী পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাব কমে এসেছে। তবে এখনো ক্যান্সারে আক্রান্তদের মধ্যে এতে আক্রান্তের সংখ্যা চতুর্থ সর্বোচ্চে রয়েছে। গবেষণায় উঠে আসা বিষয়বস্তু প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অব সেলুলার ফিজিওলজিতে।
বিস্তারিত

Thursday, September 18, 2014

পুরুষদের স্তন ক্যান্সার - লক্ষণ, নির্ণয় পদ্ধতি এবং চিকিৎসা

সাধারণত অনেকেই মনে করেন, স্তন ক্যান্সার শুধু মহিলাদেরই হয়ে থাকে। কিন্তু আপনারা হয়ত অনেকই জানেন না যে এই সমস্যাটি পুরুষদের হয়ে থাকে । পুরুষদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের প্রবণতা কম থাকলেও বর্তমানে এর প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু পুরুষদের স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে বহুক্ষেত্রে এই ক্যান্সার প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। পুরুষদের বুকের দেওয়ালে স্তনবৃন্তের ঠিক নিচে অল্প পরিমাণ অকার্যকরী কিছু স্তন কোষ থাকে। এই কোষগুলির অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফলে পুরুষদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার দেখা দেয়।
স্তন ক্যান্সার সাধরণ অবস্থায় মহিলাদের মধ্যে দেখা গেলেও পুরুষদের মধ্যে বিরল নয়। ২০১০ সালে পৃথিবী জুড়ে পুরুষদের মধ্যে মোট ১,৯৭০টি স্তন ক্যান্সারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। তার মধ্যে ৩৯০জন এই ক্যান্সারে প্রাণ হারান।

পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ :-
  • একটি ব্যাথাহীন পিণ্ড তৈরি হয় স্তনকলার মধ্যে।
  • যে চামড়া স্তনকে ঢেকে রাখে তার পরিবর্তন দেখা যায়। চামড়া লাল হয়ে যায়, কুঁচকে যায়, তাতে ভাঁজ বা খাঁজ তৈরি হয়।
  • স্তনবৃন্তের রঙের পরিবর্তন হয়। লালচে হয়ে যায় বা ভিতরের দিকে ঢুকে যায়।
  • স্তনবৃন্ত থেকে রস ক্ষরণ হয়।
রোগ নির্ণয় পদ্ধতি :-
আল্ট্রাসাউন্ড ও ম্যামোগ্রাফির মাধ্যমে স্তনক্যান্সারের নির্ণয় করা হয়। বায়োপসির সঙ্গেই করা ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরোন হরমোনের পরীক্ষা। করা হয় প্রোটিন পরীক্ষাও।

চিকিৎসা পদ্ধতি :-
এত কাল যাবৎ লোকজনের ধারনা ছিল যে, শল্যচিকিৎসাই পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের মূল চিকিৎসা। এর মাধ্যমে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে যে পিণ্ড (টিউমার) তৈরি হয় তাকে বাদ দেওয়া হয়। এছাড়াও রেডিয়েশন থেরাপি চলে। এর মাধ্যমে এক্স রে জাতীয় উচ্চ শক্তির রশ্মি দিয়ে ক্যান্সার কোষ গুলি মেরে ফেলা হয়। চলে কেমোথেরাপি, যার দ্বারা ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওষুধ দিয়ে ক্যান্সার কোষ গুলি মেরে ফেলা হয়। এছাড়াও পুরুষদের স্তন ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য ব্যাপকভাবে চলে হরমোন থেরাপি।

কিন্তু আপনি জানেন কি ? কোনো প্রকার অপারেসন ছাড়াই হোমিওপ্যাথি চিকিত্সার মাধ্যমে শুধু মাত্র ঔষধ প্রয়োগ করেই এর নিরাময় সম্ভব। এখানে নেই কোনো প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এবং জটিলতা। আর হোমিও চিকিত্সা অপারেসনের মত ব্যয়বহুলও নয়। তাই পুরুষদের স্তন ক্যান্সার নির্মূলে অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করুন এবং চিকিত্সা নিন।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি    *********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

Wednesday, September 3, 2014

ক্যান্সারে কেমোথেরাপি ক্ষতিকর - জানেন কি ?

সাম্প্রতিক ন্যাচার মেডিসিন সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন যে, ক্যান্সার চিকিত্সায় বহুল ব্যবহূত "কেমোথেরাপি" রোগীকে সুস্থ না করে বরং ক্যান্সারটাকেই আরো বাড়িয়ে দিতে পারে। প্রতিবেদনটিতে বিজ্ঞানীরা বলেছেন, কেমোথেরাপি সুস্থ দেহকোষের ক্ষতিসাধন করতে পারে যার ফলে ঐ কোষগুলো বিশেষ একটি প্রোটিন নিঃসরণ করে। এতে করে ক্যান্সার আরো বাড়তে থাকে এবং পরবর্তী চিকিত্সার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে উঠে। 
মানবদেহে কেমোথেরাপির মাধ্যমে ক্যান্সার কোষগুলো ধ্বংস করতে বেশ বেগ পেতে হয় অথচ একই আক্রান্ত কোষ গবেষণাগারে ধ্বংস করা যায় খুব সহজে-এ কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক 'সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে' এই তথ্য আবিষ্কার করেছেন। 

গবেষকরা ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের প্রোস্টেট গ্রন্থির টিস্যুর ওপর কেমোথেরাপির প্রভাব লক্ষ্য করতে গিয়ে দেখেন, এ থেরাপিটি প্রয়োগের পর পার্শ্ববর্তী সুস্থ কোষে ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেমোথেরাপি এমন এক ধরণের চিকিত্সা যা দ্রুত বিভাজনক্ষম কোষ টিউমার বা ক্যান্সার আক্রান্ত অঙ্গে দেখা যায়। বিজ্ঞানীরা আরো বলেন, কেমোথেরাপিতে ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো ডাব্লিউএনটিওয়ানসিক্সবি (WNT16B) নামে এক ধরণের প্রোটিন ক্ষরণ করে যা ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। 

এ ব্যাপারে গবেষণার সহযোগী ফ্রেড হাচিনসন ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টারের পিটার নেলসন বলেছেন, ডব্লিউএনটিওয়ানসিক্সবি প্রোটিনের ক্ষরণ সম্পূর্ণ অপ্রতাশিত ঘটনা। ক্যান্সার কোষগুলো কেমোথেরাপিতে ক্ষতিগ্রস্ত পার্শ্ববর্তী কোষের কাছ থেকে এ প্রোটিন গ্রহণ করে। এতে কোষগুলো আরো বৃদ্ধি পায়, অন্য কোষে আক্রামণ করে এবং পরবর্তী চিকিত্সার কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। 

গবেষণায় ক্যান্সার আক্রান্ত প্রোস্টেট গ্রন্থির টিস্যুর ক্ষেত্রে কেমোথেরাপির নেতিবাচক প্রবাবের প্রমাণ পেলেও স্তন ও জরায়ু ক্যান্সারের ব্যাপারে চিকিত্সায়ও একই প্রভাবের কথা বলেছেন বিজ্ঞানীরা। এ গবেষণার ফলে এখন ক্যান্সার চিকিত্সায় বিকল্প ও আরো উন্নত ব্যবস্থা উদ্ভাবনের পথ নির্দেশ করছে। তবে কেমোথেরাপি দেয়ার সময় ওই বিশেষ প্রোটিনের বিরুদ্ধে প্রতিষেধক প্রয়োগ করলে ক্যান্সার কোষ ধ্বংসে ভাল ফল পাওয়া যায় বলে উল্লেখ করেছেন নেলসন।

নতুন এ গবেষণার ফলাফল ক্যান্সার চিকিত্সায় এ যাবত্ আবিস্কৃত সবচেয়ে কার্যকর এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল পদ্ধতি কেমোথেরাপি নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দেবে। সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে বিশেষ এ চিকিত্সা পদ্ধতিকে কেন্দ্র করে পৃথিবীব্যাপী কোটি কোটি ডলারের যে বাণিজ্য দাঁড়িয়ে গেছে তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

একটা বিষয় বলে রাখা দরকার, যে কোনো ক্যান্সার প্রপার হোমিওপ্যাথি চিকিত্সার মাধ্যমে নির্মূল করা যায়। সমস্যাটি যখন প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে তখন খুব তাড়াতাড়িই অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথরা ক্যান্সারকে একেবারে মূল থেকে নির্মূল করে ফেলেন। কিন্তু অধিকাংশ সময় দেখা যায়, যখন অ্যালোপ্যাথি ডাক্তাররা এর চিকিত্সায় ব্যর্থ হন তখন রোগীরা শেষ চিকিত্সা নিতে রোগের একেবারে সংকটপূর্ণ অবস্থায় হোমিওপ্যাথদের নিকট আসেন। তখন রোগটি থাকে মারাত্মক সব Symptom সহ জটিল পর্যায়ে। এত কিছুর পরও একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ কিছুটা সময় নিয়ে অতন্ত ধৈর্যের সাথে এ সংক্রান্ত জটিল রোগীদের যথাযথ চিকিত্সা দিয়ে আরোগ্য করে তুলেন। কিন্তু মনে রাখবেন কেমোথেরাপি নেয়ার আগে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিতে হবে কারণ কেমোথেরাপি নেয়ার পর হোমিও ঔষধ প্রয়োগ করেলেও সেটা ফল দেয় না।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি    *********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
তথ্য সুত্র :- হোমিওপ্যাথি(পরিমার্জিত) এবং পূর্ব প্রকাশিত :- দৈনিক ইত্তেফাক 
বিস্তারিত

মেয়েদের ডিম্বাশয়ের চকলেট সিস্ট এবং এর কার্যকর চিকিত্সা

মেয়েদের ডিম্বাশয়ে নানা প্রকার সিস্ট হয়ে থাকে যার কোনটার নাম আমরা জানি আবার কোনটার নাম জানি না। আবার কিছু কিছু সিস্ট সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই ধারণা প্রায় সীমিত। তার মধ্যে একটি হলো চকলেট সিস্ট। চকলেট সিস্ট হচ্ছে এক ধরনের এন্ডোমেট্রিয়াল সিস্ট। এন্ডোমেট্রিওসিস হচ্ছে জরায়ু ব্যাতিত অন্য কোথাও এন্ডোমেট্রিয়ামের উপস্থিতি। যখন ডিম্বাশয় আক্রান্ত হয় তখন একে ডিম্বাশয়ের চকলেট সিস্ট বলে। এন্ডোমেট্রিওসিস এর সবচেয়ে কমন জায়গা হচ্ছে এই ডিম্বাশয়। এটি সাধারণত হলে দুই দিকেই হয় অর্থাৎ দুই পাশের ডিম্বাশয় আক্রান্ত হয়।

চকলেট সিস্ট কীভাবে হয় ?
সাধারণত মেয়েদের জরায়ু ব্যাতিত এন্ডোমেট্রিয়াম অন্যত্র থাকার কথা নয়। কিন্তু যখন অল্প কিছু এন্ডোমেট্রিয়াল কলা (জরায়ুর সবচেয়ে ভেতরের দিকের কলা) ডিম্বাশয়ের ভেতরে তৈরি হয়, রক্তপাত করে, বেড়ে উঠে তখন এই রোগ হয়ে থাকে। মাসের পর মাস এভাবে রক্ত ভাঙতে থাকলে এটি একসময় বাদামি আকার ধারণ করে। যখন এটি ফেটে যায়, ভেতরের সব কিছু আশেপাশের অঙ্গ সমুহের ( জরায়ু, মুত্র থলি , অন্ত্র ) উপর ছিটকে পড়ে।
মেয়েদের ডিম্বাশয়ের চকলেট সিস্ট এবং এর কার্যকর চিকিত্সা

লক্ষণ সমুহ :-
  • তলপেটে ব্যথা (৫০%) (মাসিকের কিছুদিন আগে থেকে কিন্তু মাসিকের সময়ে বেশি ) 
  • মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত, বার বার মাসিক হওয়া (৬০%) 
  • কোনও লক্ষণ নাও থাকতে পারে ( ২৫%) 
  • দীর্ঘদিন তলপেটে ব্যথা থাকা 
  • সন্তান না হওয়া (৪০-৬০%) 
  • উদরে ব্যথা 
  • তলপেটের পরীক্ষা করলে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হতে পারে। পাউচ অফ ডগ্লাসে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। আডনেক্সাতে একটি অথবা দুটি বিভিন্ন সাইজের সিস্ট বোঝা যায় অনেক সময়।
  • অন্যান্য :- প্রস্রাব ঘন ঘন হওয়া, প্রস্রাবে রক্ত আসা, জ্বালা পোড়া হওয়া। পায়খানায় কষ্ট হওয়া, রক্ত যাওয়া।
কিছু টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করা যেতে পারে। যেমন :-
  • ট্রান্স ভেজাইনাল সনোগ্রাফি 
  • তলপেটের আল্ট্রাস্নোগ্রাম 
  • সেরাম মার্কার সি এ- ১২৫ 
  • বায়োপ্সি 
  • ল্যাপারোটমি 
চিকিৎসা আছে কি কি ?
এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসা করা হয় ওষুধের মাধ্যমে, কিন্তু কাজ না হলে অপারেশন করে কেটে ফেলা হয়। যাদের কোন লক্ষণ থাকেনা তাদের ক্ষেত্রে কিছু করার দরকার নেই। একজন কম বয়সী বিবাহিত মেয়েদের বিয়ের পরে বাচ্চা ধারণ করলে এম্নিতেই এটি সেরে যায়। ব্যথা থাকলে রোগীর ধরন ভেদে মেফেনামিক এসিড বা ইবুপ্রফেন খেতে দেন অধিকাংশ চিকিৎসকেরা।

হরমোনের মাধ্যমে চিকিৎসা :-
  • খাবার জন্মবিরতিকরণ পিল 
  • শুধু প্রোজেস্টেরন 
  • গোনাডোট্রপিন রিলিজিং হ্রমোন 
  • ডানাজল 
অপারেশনের মাধ্যমে :- সিস্টটি যতটুকু সম্ভব কেটে ফেলা হয় যদি পরিবার সম্পূর্ণ হয়ে থাকে এবং বয়স চল্লিশের বেশি হয় বা যদি এন্ডোমেট্রিওসিস পেল্ভিসের সর্বত্র ছড়িয়ে একটা আরেকটার সাথে লেগে থাকে যা ছোটানো কষ্টকর সেক্ষেত্রে জরায়ু সম্পূর্ণ রূপে দুই দিকের টিউব ও ডিম্বাশয় সহ কেটে ফেলা হয়।

সফল হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা :- কোনো প্রকার অপারেশন ছাড়া পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন ও সফল হোমিও চিকিত্সার মাধ্যমে মহিলাদের ডিম্বাশয়ের চকলেট সিস্টসহ সকল সিস্ট-ই অতি সাফল্যের সাথে নির্মূল করে আসছেন দেশের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথরা । তাই মহিলাদের এই সমস্যার নিশ্চিত আরোগ্যের জন্য ভালো একজন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন এবং চিকিত্সা নিন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আপনার ডিম্বাশয়ের চকলেট সিস্ট বিলীন হয়ে যাবে।

কী কী জটিলটা দেখা দিতে পারে :-
  • এন্ডোক্রাইনোপ্যাথি 
  • সিস্ট টি ফেটে যেতে পারে 
  • অন্ত্রে অবস্ট্রাকশন হতে পারে 
  • চকলেট সিস্ট এ ইনফেকশন হয়ে থাকতে পারে 
  • খুব বিরল হলেও ক্যান্সার হতে পারে।
সাধারণত এই রোগটি ৩০-৪৫ বছর বয়সের নারীদের হয়ে থাকে। এদের অধিকাংশেরাই একটি সন্তানও হয়নি এমনটাই দেখা যায় অথবা সিস্টের লক্ষণ দেখা দেয়ার অনেক আগে একটি বা দুটি বাচ্চা হয়ে থাকতে পারে। এই রোগটি বংশগত হতে পারে।
বিস্তারিত

Friday, August 29, 2014

নারীদের জরায়ুর ফাইব্রয়েড টিউমার নির্মূলে সফল হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা

ফাইব্রয়েড (যাকে মায়োমাও বলা হয়ে থাকে)  হলো প্রজননক্ষম বয়সে মহিলাদের জরায়ুতে সবচেয়ে পরিচিত একটি টিউমারের নাম। জরায়ুর পেশির অস্বাভাবিক এবং অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণেই এই টিউমারের সৃষ্টি হয়ে থাকে। যে সব মহিলাদের বয়স ৩০ বছরের ঊর্ধ্বে তাদের মধ্যে ২০% মহিলাই এই ফাইব্রয়েড টিউমারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এক কথায় বলতে গেলে ফাইব্রয়েড হলো এক প্রকার নিরীহ টিউমার। 

মহিলাদের জরায়ুতে মায়োমা বা ফাইব্রয়েড টিউমার

এটি ক্যানসারের মত সাংঘাতিক না হলেও দুটো কারণে এর সুচিকিৎসা দরকার। সেগুলো হলো :-
  • এর ফলে অতিরিক্ত মাসিক হওয়া এবং তার জন্য রক্তশূন্যতা হতে পারে। 
  • এটিকে বন্ধ্যাত্বের একটি অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তবে এই ধারণা সব সময় সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না-ও হতে পারে। কেননা ২৫% ফাইব্রয়েড টিউমার আজীবন কোনো সমস্যাই করে না। কিন্তু মোটামুটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কমবেশি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা অনিয়মিত মাসিক বা তলপেট ভারী বোধ হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ হয়।
নারীদের জরায়ুর ফাইব্রয়েড টিউমার নির্মূলে সফল হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা
২৭ থেকে ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রেই কেবল এটি বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়ে উঠতে পারে, যদি নিচের ঘটনাগুলো ঘটে :-
  • যদি ফাইব্রয়েডের কারণে জরায়ু অতিরিক্ত বড় হয়ে যায়
  • জরায়ুর ভেতরের দেয়ালে রক্তনালির সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ভ্রূণ ঠিকমতো বেড়ে উঠতে পারে না
  • জরায়ু ও ফ্যালোপিয়ান টিউবের সংযোগস্থলে বা এমন কোনো জায়গায় টিউমারটির অবস্থান হয়, যা ভ্রূণকে সুস্থিত হতে বাধা দেয়।
যাঁদের বন্ধ্যাত্বের মতো সমস্যা দেখা যাচ্ছে বা বারবার গর্ভপাত হচ্ছে, তাঁদের ফাইব্রয়েড থাকলেও বন্ধ্যাত্বের অন্য কারণগুলোকে শনাক্ত করা উচিত। কারণ, মূল সমস্যাটি ফাইব্রয়েড না-ও হতে পারে। মায়োমেকটমি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ফাইব্রয়েডকে জরায়ুর দেয়াল থেকে তুলে এনে আবার তা সেলাই করে দেওয়া হয়। জরায়ু কেটে ফেলার প্রয়োজন হয় না। বর্তমানে এই অস্ত্রোপচার পেট কেটে বা ছিদ্র করে উভয় পদ্ধতিতেই করা হয়। তবে অস্ত্রোপচার দরকার হোক বা না হোক, কিছু বিষয় জেনে রাখা জরুরি।

অস্ত্রোপচার বা অপারেশন কতটা সফল !!!

  • এই অস্ত্রোপচারে বেশ রক্তপাত হতে পারে। ২০ থেকে ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের সময় জরায়ু কেটে ফেলে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। 
  • অস্ত্রোপচারের পর আবার ফাইব্রয়েড হওয়ার সম্ভাবনা ১০ থেকে ১৫ ভাগ। 
  • অস্ত্রোপচারের পর গর্ভধারণের সম্ভাবনা ৪০ থেকে ৬০ ভাগ। এটি নির্ভর করে ফাইব্রয়েড টিউমারের সংখ্যা, আকার এবং অস্ত্রোপচারের সফলতার ওপর। ফাইব্রয়েড অস্ত্রোপচারের পর গর্ভধারণ করলে অবশ্যই ভালো সুযোগ-সুবিধা আছে এমন হাসপাতালে সন্তান প্রসব করাতে হবে।

নিশ্চিতরূপে আরোগ্যকারী হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা

হোমিওপ্যাথরা যেখানে অতি সাফল্যের সাথে লাখ লাখ মহিলাদের জরায়ুর টিউমারকে কোনো প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ঔষধের মাধ্যমে নিশ্চিতরূপে চিরতরে নির্মূল করে আসছে সেখানে জরায়ুর টিউমার সারাতে বিপদজনক, ক্ষতিকর এবং প্রায় অনিশ্চিত অস্ত্রোপচার বা অপারেশন করাটা এই আধুনিক যুগে বোকামি ছাড়া আর কিছুই না। মা বোনদের প্রতি অনুরোধ, হোমিওপ্যাথিতে মহিলাদের জরায়ুর টিউমার সারানোর চিকিত্সাটা একেবারই সাধারণ একটি ব্যাপার, তাই এর জন্য ক্ষতিকর অপারেশনের পেছনে ছুটাছুটি না করে আপনার সব ডাক্তারি রিপোর্টগুলি সাথে নিয়ে ভালো এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন এবং চিকিত্সা নিন। দেখবেন খুব অল্প দিনেই চিরদিনের জন্য আপনার জরায়ুর টিউমার দূর হয়ে গেছে ইনশাল্লাহ।
বিস্তারিত

Monday, August 25, 2014

ক্রমেই বাড়ছে স্তন ক্যানসার - সচেতনতা এখনই দরকার !

ক্রমেই বাড়ছে স্তন ক্যান্সার৷ বাংলাদেশ এবং ভারত কোনটাই ব্যতিক্রম নয়৷ কিন্তু এ নিয়ে সচেতনতা এখনও তলানিতে৷ বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম৷ জেন-এক্স কলেজ পড়ুয়ারা যতই মজে থাকুক হলিউডে, জিনপরীক্ষায় বিপদের আঁচ পেয়ে অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ম্যাস্টেকটোমি করানোর প্রভাব বাস্তব জীবনে সবক শেখাতে পারেনি মহানগরের তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের৷ দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে যাদের চলাফেরা সিংহভাগ ছাত্রীদের ধারণাই নেই স্তন ক্যান্সার নিয়ে রয়েছে ঠিক কতটা বিপদের হাতছানি৷ 
অথচ বয়স ২০ পেরোলেই জিনপরীক্ষা (বিআরসিএ-১ ও ২) করে স্তন ক্যান্সারের আগাম আঁচ পাওয়া সম্ভব (যেমনটা করেছিলেন জোলি)৷ ছাত্রীরা অবশ্য জানে না সে কথা৷ 

ধূমপান যে স্তন ক্যান্সারের জন্য বাড়তি ঝুঁকি, তা কি জানা আছে? উত্তর- না৷উল্টো, উঠতি বয়সে নারী স্বাধীনতারই যেন নয়া দিশারি এই কিংসাইজ সিগারেট৷ আর ছেলেরা? পুরুষেরও যে স্তন ক্যান্সার হতে পারে, এ কথা জানা ছাত্রের সংখ্যা আক্ষরিক অর্থেই হাতেগোনা৷ 

সেলফ ব্রেস্ট এগজামিনেশনই যে স্তন ক্যান্সার ঠেকানোর সেরা রাস্তা, তা নিয়েও তেমন ধারণা গড়ে ওঠেনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীদের মনে৷ এমনকি, মা-বোনদের সঙ্গেও এ মারণরোগের আশঙ্কা নিয়ে খোলামনে আলোচনা করতে পারে না অধিকাংশই৷ এ নিয়ে উত্‍সাহও যে আছে, তা-ও অবশ্য নয়৷ 

রোগ সম্পর্কে একেবারে প্রাথমিক ধারণা আছে বটে৷ কিন্ত্ত স্বাস্থ্যপরীক্ষা এখনও এ সব 'আধুনিকা'র অন্তরমহলে রয়ে গিয়েছে হয় অনীহা অথবা কুণ্ঠা৷ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি অনার্সের তিন ছাত্রী দেয়াশিনি বিশ্বাস, নাদিয়া ইমাম ও রোহিনী মিত্র এ বছরই পা রেখেছে ক্যাম্পাসে৷ এদের সকলেরই বক্তব্য, ব্রেস্ট ক্যানসার যে তাঁদের হতে পারে, এমন একটা ভাবনা তাঁদের মাথা থেকে আলোকবর্ষের দূরত্বে৷ 

'যা শোনা যায়, তাতে চল্লিশের কাছাকাছি গিয়ে এই ধরনের ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ে৷ তাই আঠেরোতেই এই নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার মতো কী আছে?'-- পাল্টা প্রশ্ন নাদিয়ার৷ দেয়াশিনির কথায়, 'আমি কিছুটা হলেও জানি৷ কারণ আমার মা নিয়মিত চেক আপ করান৷ কিন্তু তাঁর তো বয়স চল্লিশ পেরিয়ে গিয়েছে৷' 

ইংরেজি স্নাতকোত্তরের ছাত্রী কথাকলি বিশ্বাস ও দেবারতি রায়দের দাবি, তাঁরা এ রোগটা সম্পর্কে জানেন৷ দেবারতির কথায়, 'শুনেছি, স্তন ক্যানসার ঠেকাতে সঠিক ভাবে অন্তর্বাস পরা খুব জরুরি৷' কথাকলির বলছেন, 'এখন অনেক নতুন মায়েরা স্তনের আকার খারাপ হয়ে যাওয়ার ভয়ে বাচ্চাকে খুব কম দিন স্তন্যপান করান৷ সেটাও খারাপ৷' ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর অর্থনীতির প্রথম বর্ষের ছাত্রী অন্তরা মণ্ডলের কথায়, 'বাড়িতে তো এই নিয়ে আলোচনা বিশেষ হয় না৷ মায়ের সঙ্গেও না৷ আর বন্ধুরা তো বেশি জানেই না৷ যেটুকু জানি, কাগজ পড়ে৷ তবে ভয় লাগে৷' তাঁর কথায়, 'শুনেছি ধূমপান করলে এই প্রবণতা বাড়ে৷ আমি করি না৷ কিন্ত্ত আমরা সবাই তো প্যাসিভ স্মোকার৷ তাই বিপদটা থেকেই যাচ্ছে৷' 

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রী সুপ্রিয়া সরকার, সুজাতা শর্মা এবং রাখি দলুই৷ এদের সকলেরই বক্তব্য, নিয়মিত চেক-আপ করানোর ইচ্ছে থাকলেও বাড়িতে বলা সম্ভব নয়৷ কারণ বাড়িতে এ নিয়ে কারও সঙ্গেই খোলাখুলি আলোচনা হয় না৷ ওঁদের বাড়ির লোকজন মনে করেন, এ সব নিয়ে জানার বয়স ওদের হয়ইনি! 

প্রেসিডেন্সির রাষ্ট্রনীতি বিভাগের ছাত্রী মেহেক চক্রবর্তীর কথায়, 'ব্রেস্ট চেক-আপ করাতে পারি৷ কিন্ত মহিলা চিকিত্‍সক ছাড়া একটু সমস্যা হবে৷ তবে ঠিকঠাক অর্ন্তবাস পরা এর জন্য খুব জরুরি বলে শুনেছি৷' একই সুর তাঁর সহপাঠী পৃথা রায়ের গলাতেও৷ ইতিহাসের ছাত্রী ময়ূরী বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সৌমী দত্ত জানাচ্ছেন, তাঁরা সেলফ ব্রেস্ট এগজামিনেশন করেন৷ নিয়মিত নিজেরাই আয়নায় দেখে নেন, স্তনের কোনও অংশ শক্ত ঠেকছে কিনা৷ কিন্ত্ত তাঁদেরও যুক্তি, 'ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য লেডি ডক্টর ইজ মাস্ট৷' সৌমির অভিজ্ঞতা, 'একবার ইসিজি করতে গিয়ে জামা খুলতে খুব অস্বস্তি হয়েছিল৷ তাই পুরুষ চিকিত্‍সক আর নৈব নৈব চ৷' তিনিও মনে করেন সঠিক অন্তর্বাসের তত্ত্বে৷ 

চিকিত্‍সকরা অবশ্য নস্যাত্‍ করছেন বিষয়টি৷ এসএসকেএমের সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক চিকিত্‍সক দীপেন্দ্র বিশ্বাস জানাচ্ছেন, অর্ন্তবাসের সঙ্গে স্তন ক্যানসারের কোনও সম্পর্ক নেই৷ তাঁর কথায়, 'দামি বা ব্র্যান্ডেড ব্রা পরলেই স্তন ক্যানসার থেকে মুক্তি মিলবে, এমনটা নয়৷' তাঁর বক্তব্য, একমাত্র সচেতনতাই পারে এ রোগ থেকে নিষ্কৃতি দিতে৷ কিন্তু আক্ষেপ, সেটাই একেবারে আশানুরূপ নয় নতুন প্রজন্মের মধ্যে৷ 

কোন কোন ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সার হতে পারে?
  • ঋতুচক্র যাঁদের তাড়াতাড়ি শুরু এবং দেরিতে শেষ হয়েছে
  • ৩০ বছরের বেশি বয়সে যাঁরা প্রথমবার মা হয়েছেন
  • হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি করাচ্ছেন যাঁরা
  • বাচ্চাকে স্তন্যপান না-করানো অথবা নিঃসন্তান মহিলাদের
  • স্থূলতা বা ওবেসিটি
  • নিয়মিত ধূমপান ও মদ্যপান করা
  • জিনঘটিত কারণ 
কী করে বুঝবেন ?
স্তনের কোনও অংশ ফোলা, অথচ ব্যথা নেই৷ বৃন্ত থেকে রক্তপাত৷ স্তনের ত্বক কিংবা বৃন্ত কুঁচকে যাওয়া 

কি করবেন ?
তাড়াতাড়ি ধরা না-পড়লে, রোগনির্ণয়ের পাঁচ বছরের মধ্যেই মারা যান ৪০ শতাংশ রোগী৷ আর পাঁচটা ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ার (মেটাস্টেসিস) সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের ছড়িয়ে পড়া মেলে না৷ একাধিক জিন এর নেপথ্যে থাকায় আঁচ পাওয়া মুশকিল, কখন কোন রোগিণীর ক্ষেত্রে ক্যান্সার কেমন চেহারা নেবে৷ হয়তো ৫ সেমি টিউমার বাড়লোই না, আবার ১ সেমি টিউমার ছ'মাসে বেড়ে দাঁড়াল ১৫ সেমি-তে। তবে সঠিক সময়ে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত কোনো রোগীনি যদি হোমিওপ্যাথি চিকিত্সার আওতায় আসেন তাহলে এর থেকে রেহাই পাওয়া যায় খুব তাড়াতাড়ি। কিন্তু অন্যান্য রোগের মত স্তন ক্যানসারকেও প্রতিরোধ করার চেষ্টা করা উচিত আর আক্রান্ত হলে হোমিওপ্যাথিই হতে পারে এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন ও সফল চিকিত্সা।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

Sunday, August 24, 2014

স্তন ক্যান্সার হয়েছে কিনা কিভাবে সনাক্ত করবেন এবং কোথায় চিকিৎসা নিবেন ?

নারীদেহের উপরিভাগের সামনের অংশেই স্তনযুগল অবস্থিত। স্তনের ক্যান্সারকেই আমরা স্তন ক্যান্সার বলি।নারীদের নানা রকম ক্যান্সার মধ্যে এটি একটি মারাত্মক ক্যান্সার তাছাড়া ক্যান্সার শব্দটা শুনলেই মনে আতঙ্ক জাগে আমাদের সকলেরই। কিন্তু যখন দেখি যে স্তন ক্যান্সারই হচ্ছে সারা বিশ্বে মহিলাদের মৃত্যুর দ্বিতীয় অন্যতম কারণ, তখন মনে হয় এ ব্যাপারে আমাদের সচেতন হওয়ার সময় এসেছে। স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন হওয়া মানে স্তন সম্পর্কে সচেতন হওয়া।
আমরা কি কখনো ভালভাবে আমাদের স্তনগুলিকে দেখেছি? এটা তো আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতই অঙ্গ বিশেষ। খুব সহজেই গোসল করা বা কাপড় পরার সময় আমরা আমাদের স্তনদ্বয়কে ভালভাবে লক্ষ্য করতে পারে। আমরা নিজেদের স্তনের গঠন ও গড়ন সম্পর্কে পরিচিত হতে পারে।

স্বাভাবিক অবস্থায় স্তন নরম ও দলাহীন হয়। তবে মাসিকের পূর্বের দিনগুলিতে স্তন কিছুটা সংবেদনশীল অনুভূত হয় অর্থাৎ টন টনে ভাব বা শক্ত ভাব অথবা ফোলা ফোলা ভাব হয়। স্তনের মাঝে বিভিন্ন পরিবর্তনের হাজারো কারণ থাকতে পারে। বেশীরভাগ পরিবর্তনই ক্ষতিকারক নয়, তবে সবগুলিরই পরীক্ষা করা উচিৎ; কারণ, এর যে কোন একটাই হতে পারে স্তন ক্যান্সারের প্রথম লক্ষণ। স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে আমরা নিজেরাই নিজে দর স্তন পরীক্ষা করে দেখতে পারে।

গোসলের সময় :-
গোসলের সময় স্তন পরীক্ষা করুন। ভিজা চামড়ার উপর দিয়ে ধীরে ধীরে হাত দিন। আঙ্গুল চিত্রের মত চেপ্টা করে স্তনের উপর দিয়ে এদিকে ওদিকে চালনা করুন। বাম দিকের স্তন পরীক্ষা করার জন্য ডান হাত এবং ডান দিকের স্তন পরীক্ষা করার জন্য বাম হাত ব্যবহার করুন। দেখুন কোন lump বা দলা অথবা শক্ত গিট্টুর মত কিছু
সনাক্ত হয় কিনা।

আয়নার সামনে :-
আয়নার সামনে দঁড়িয়ে নিজের স্তনকে লক্ষ্য করুন। প্রথমে হাত দু’পাশে থাকবে, তারপর হাত দু’টো সোজা করে মাথার উপরে তুলুন। এবার সতর্কভাবে লক্ষ্য করুন স্তনের আকার-এর কোন পরিবর্তন চোখে পড়ে কিনা। দেখুন স্তনবৃত্ত বা অন্য কোন অংশ ফুলে গেছে কিনা কিংবা কোন অংশো লালচে ভাব বা গোল পড়া আছে কিনা।
এবারে কোমরে হাত দন এবঙ কোমরে চাপ দিন। এখন ডাক এবং বাম স্তনকে ভাল করে দেখুন। যদিও খুব কম মহিলারাই দুটি স্তন দেখতে একই রকম হয়, তবুও প্রতিনিয়ত এই পরীক্ষার সাধ্যমে আপনি বুঝে যাবেন আপনার জন্য কোনটা স্বাভাবিক।

মানিতে শুয়ে :-
মাটিতে চিত হযে শুয়ে পড়ুন। আপনার ডান স্তন পরীক্ষা করার জন্য ডান দিকে ঘাঁড়ের নীচে একটা বালিক অথবা ভাঁজ করা পাপড় দিন। এরপর ডান হাত মাথার পিছনে রাখুন। এবার বাম হাতের আঙ্গুলগুলি চেপ্টা করে ডান স্তনের উপর রাখুন। ঘরির কাঁটার গতি অনুসরণ করে আপনার হাত ঘুরাতে শুরু করুন। সবচেয়ে উপরের জায়গাটাকে ১২টা মমে করে চক্রাকারে তাহ ১টার দিকে নিয়ে আসুন। মনে রাখতে হতে স্তনের নীচের অংশ কিছুটা শক্তমনে হতে পারে। এটা স্বাভাবিক। সম্পূর্ণ ঘুরে আসার পর স্তন বৃন্তের (nipple) দিকে এগিয়ে যাবেন। এক ইঞ্চি অগ্রসর হবার পর একইভাবে পুনরায় স্তনকে পরীক্ষা করুন।

সবশেষে স্তন বৃন্তকে পাশের চিত্রের মত করে বৃদ্ধাঙ্গুল ও তর্জনী আঙ্গুলের মদ্যে ধরে চাপ দিতে হবে। লক্ষ্য করুন কোন রকমের নিঃসরণ হচ্ছে কিনা, সেটা রক্ত জাতীয় বা স্বচ্ছ যেমনই তোজ, তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

প্রতিবার মাসিক শেষ হবার ২/৩ দিন পর নিজেকে নিজে পরীক্ষা করা আমাদের সবারই একান্ত কর্তব্য। যাদের মাসিক বন্ধ হযে গেছে তারা মাসের যে কোন একটা নির্দিষ্ট দিন বেছে নিয়ে প্রতি মাসে নিজেকে নিজে পরীক্ষা করবেন। তবে সবারই যে স্তন ক্যান্সার হবার সম্ভবনা সমান তা নয়। যাদের এই ক্যান্সারের ঝুকিঁ বেশী, তারা হলেন: 
  • যাদের বয়স ৪০ এর উর্ধ্বে। 
  • যাদের Menopause বা মাসিক বন্ধ হতে দেরি হচ্ছে। 
  • যারা নিঃসন্তান। 
  • যাদের ইতোমধ্যে স্তনে দলা বা লাম্প আছে (Fibrocystic disease) 
  • যারা এষ্ট্রোজেন জাতীয় হরমোন ব্যবহার করেন। এখানে বলতে হয় যে, কোন কোন জন্ম নিয়ন্ত্রণ বাড়িতে এই হরমোন আছে। সেজন্য বড়ি কেনার সময় প্যাকেটের উপরে এই হরমোন আছে কিনা তা দেখে কিনতে হবে। 
  • যাদের স্তনের ও বুকের অনেক এক্সরে করা হয়েছে। 
  • যাদের পরিবারের মধ্যে কোন কনকট আত্মীয় যেমন-মা, বোন, এদের কারো স্তন ক্যান্সার হয়েছে; তা’হলে তাদের এই ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা রয়ে যায়। যদিও তার শতকরা হার নগন্য। 
  • যারা সন্তান প্রসব কার পর বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াননি। 
প্রকৃত পক্ষে স্তন ক্যান্সার কেন হয় তা সঠিক কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আমাদের জানা নেই। তবে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে নবজাককে বুকের দুধ খাওয়ালে স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

স্তন ক্যান্সার হবার ঝুঁকি থাকুক বা নাই থাকুক, নিজেকে নিজে পরীক্ষা কার মাধ্যমে আমরা স্তনের বিভিন্ন সমস্যা সনাক্ত করতে পারি। আসলে স্তন ক্যান্সার ছাড়াও স্তনের অন্যান্য বিভিন্ন রোগ হতে পারে। সেগুলি হয়তো স্তন ক্যান্সারেরই পূর্ব লক্ষণ, যেমন: 
  • স্তনের কোন অংশে কোন দলা বা চাকা অনুভূত হওয়া-হতে পারে তা ব্যথাহীন। 
  • স্তনে ব্যথা বা ভারী বোধ হোয়া অথবা ফুলে যাোয়া এক্ষেত্রে বলতে হয় যে, মাসিক পূর্বের দিনগুলিতে সাধারণতঃ স্তন কিছুটা সংবেদনশীল থাকে ও দলাদলা অনুভূত হয়। 
  • স্তন বৃন্ত থেকে কোন রস বের হোওয়া। 
এখানে নির্দিষ্টকৃত লক্ষণগুলো ছাড়া পূর্বে আলোচিত কোন পরিবর্তন চোখে পড়লে দেরি না করে অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করুন। যদি ক্যান্সারের কোন সম্ভাবনা থেকে থাকে এবং সেটা যত তাড়াতাড়ি সনাক্ত করা যায় তার চিকিৎসা করাটাও ততই সহজতর হয়ে থাকে। আর এ সংক্রান্ত ক্যান্সার নির্মূলে জন্মলগ্ন থেকেই লড়ে যাচ্ছে হোমিওপ্যাথি। তাই স্তন ক্যান্সার নির্মূলে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিতে কোনো সময় দ্বিতীয় বার ভাববেন না। 
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

Monday, August 18, 2014

ক্যান্সারের আগাম কিছু লক্ষণ বা চিহ্ন দেখে সতর্ক হন

ক্যান্সার শব্দটি শোনলে আমরা সবাই আত্কে উঠি - এই বুঝি জীবনের শেষ। যদিও ক্যান্সারের সর্বাধুনিক এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন চিকিত্সা রয়েছে হোমিওপ্যাথিথে । শুধু তাই নয়, আজ পর্যন্ত এক মাত্র হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা বিজ্ঞানই ক্যান্সার নির্মূলে সবচেয়ে বেশি সাফল্য দেখিয়েছে সমস্ত পৃথিবী জুড়ে।

তবে রোগ হওয়ার আগে এর প্রতিরোধই অনেক মঙ্গল জনক। ক্যান্সার ধরা পড়ার পর সকলেই সতর্ক হয়ে যান। আবার অনেকে বিশ্বাসই করতে পারেন না যে তাঁদের শরীরে ক্যান্সারের বীজ পাওয়া গিয়েছে। পরে তাঁরা বুঝতে পারেন, ক্যান্সারের বেশ কয়েকটি লক্ষণ আগেই ছিল। কিন্তু প্রথমে তা বুঝে উঠতে পারেননি তাঁরা। কী কী লক্ষণ, যার দিকে সতর্ক দৃষ্টি দেওয়া উচিত –
ক্যান্সারের আগাম কিছু লক্ষণ বা চিহ্ন দেখে সতর্ক হন
ক্লান্তি :- আজকের ব্যস্ত জীবনে, সকলেই ক্লান্ত। কিন্তু কেউ যদি মনে করেন, কোনও দায়িত্ব পুরো করার জন্য কয়েক ঘণ্টার ঘুম দরকার, তা কিন্তু চিন্তার বিষয়। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির রিপোর্টে জানা গিয়েছে, এ ধরনের ক্লান্তি লিউকেমিয়া, কোলোন বাস্টমাক ক্যান্সারের কারণ।

সামান্য জ্বর, যা সবসময় থাকে :- সব সময় যদি ৯৯.৮-১০০.৮ ডিগ্রি জ্বর থাকে, বেশ কয়েকটি জীবাণুতে শরীর আক্রান্ত হয়ে হতে পারে। এটি আবার ক্যান্সারের লক্ষণও হতে পারে। যেমন- হজকিনস ডিজিজ, লিউকেমিয়া এবং নন-হজকিনস লিমফোমা। সামান্য জ্বর থাকলে, দ্রুত চিকিত্‍‌সা করিয়ে নিশ্চিত থাকা উচিত।

গিলতে সমস্যা দেখা দিলে :- কোনও কিছু গিলতে সমস্যা হলে বা ঠোঁট অথবা গলায় ক্ষত দেখা দিলে, মুখে ব্যাথা বা রক্তপাত হলে, তা যদি নিদির্ষ্ট সময়ের মধ্যে না সারে, তা হলে সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অন হেলথের মতে, এগুলি ওরাল ক্যান্সারের লক্ষণ। তবে এগুলি নন-ক্যান্সারাসও হতে পারে।

অপ্রত্যাশিত ভাবে ওজন কমা :- কোনও ব্যক্তি যদি তাঁর হঠাত্‍‌ ওজন কমার কারণ ব্যাখ্যা করতে না-পারেন, তা হলে তা চিন্তার বিষয়। ডায়েটিং, এক্সারসাইজ বা জীবনযাপনে কোনও পরিবর্তন ছাড়াই ওজন কমলে, এর পিছনে ক্যান্সারের চোখ রাঙানি থাকতে পারে। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি জানিয়েছে, ফুসফুস, স্টমাক বা প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারের ফলে হঠাত্‍‌ ওজন কমতে পারে। এমন কোনও লক্ষণ দেখলেই চিকিত্‍‌সকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বিস্তারিত

Sunday, July 27, 2014

পুরুষদের স্তন ক্যান্সার এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা

পুরুষদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের প্রবণতা কম থাকলেও বর্তমানে এর প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু পুরুষদের স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে বহুক্ষেত্রে এই ক্যান্সার প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। পুরুষদের বুকের দেওয়ালে স্তনবৃন্তের ঠিক নিচে অল্প পরিমাণ অকার্যকরী কিছু স্তন কোষ থাকে। এই কোষগুলির অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফলে পুরুষদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার দেখা দেয়।
স্তন ক্যান্সার সাধরণ অবস্থায় মহিলাদের মধ্যে দেখা গেলেও পুরুষদের মধ্যে বিরল নয়। ২০১০ সালে পৃথিবীজুড়ে পুরুষদের মধ্যে মোট ১ হাজার ৯৭০টি স্তন ক্যান্সারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। তার মধ্যে ৩৯০জন এই ক্যান্সারে প্রাণ হারান।
পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ :-
  • একটি ব্যাথাহীন পি- তৈরি হয় স্তনকলার মধ্যে।
  • যে চামড়া স্তনকে ঢেকে রাখে তার পরিবর্তন দেখা যায়। 
  • চামড়া লাল হয়ে যায়, কুচকে যায়, তাতে ভাজ বা খাজ তৈরি হয়। 
  • স্তনবৃন্তের রঙের পরিবর্তন হয়। 
  • লালচে হয়ে যায় বা ভিতরের দিকে ঢুকে যায়। 
  • স্তনবৃন্ত থেকে রস ক্ষরণ হয়।
রোগ নির্ণয় পদ্ধতি :-
আল্ট্রাসাউ- ও ম্যামোগ্রাফির মাধ্যমে স্তনক্যান্সারের নির্ণয় করা হয়। বায়োপসির সঙ্গেই করা ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরোন হরমোনের পরীক্ষা। করা হয় প্রোটিন পরীক্ষাও।

চিকিৎসা :-
শল্যচিকিৎসাই পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের মূল চিকিৎসা, এটাই লোকজন এত দিন যাবত জেনে আসছে। এর মাধ্যমে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে যে পিন্ড (টিউমার) তৈরি হয় তাকে বাদ দেওয়া হয়। এছাড়াও রেডিয়েশন থেরাপি চলে। এর মাধ্যমে এক্স-রে জাতীয় উচ্চ শক্তির রশ্মি দিয়ে ক্যান্সার কোষগুলি মেরে ফেলা হয়। চলে কেমোথেরাপি, যার দ্বারা ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওষুধ দিয়ে ক্যান্সার কোষগুলি মেরে ফেলা হয়। এছাড়াও পুরুষদের স্তন ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য ব্যাপকভাবে চলে হরমোন থেরাপি।

হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা :-
স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে কোন প্রকার শল্যচিকিৎসা বা অপারেসনে না গিয়ে ভাল কোন হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বুলন এবং যথাযথ চিকিত্সা গ্রহণ করুন। দেখবেন অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আপনি রোগ মুক্ত হচ্ছেন। তবে অনুরোধ, কোন প্রকার কেমোথেরাপি নেয়ার আগেই হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা নিবেন। কারণ, কেমোথেরাপি নেয়ার পর হোমিও ঔষধ আর কাজ করবে না।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি    *********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫

বিস্তারিত

Friday, July 18, 2014

ফুসফুসে ক্যান্সার ! কখন, কিভাবে, কোথায় চিকিৎসা নিবেন।

স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার নামক শব্দটি আমাদের কাছে একটি ভীতিকর শব্দ। মরণঘাতী হিসেবে এইডস-এর পরেই ক্যান্সারের অবস্থান। দেহের অন্যান্য স্থানের ক্যান্সারের মতো ফুসফুসের ক্যান্সারও একটি মারাত্মক ব্যাধিই শুধু নয় বরং আরও বেশি মারাত্মক ও জটিল। প্রতি বছর বিশ্বের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। যদিও মহিলাদের চেয়ে পুরুষই এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। ইদানীং মহিলাদের মাঝে ধূমপানের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় মহিলারাও অধিক হারে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে।

ফুসফুসের ক্যান্সার কোনো জীবাণুঘটিত রোগ নয়। বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি থাকলেও এ রোগ হতে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভের কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি অদ্যাবধি আবিষ্কার হয়নি অ্যালোপ্যাথিতে। যদি একেবারে প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি ধরা পড়ে তবে তা থেকে মোটামুটি আরোগ্য লাভ করা যায়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নিরূপণ দুঃসাধ্যই বলা চলে। জীবাণুঘটিত রোগ না হওয়ায় এর বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রতিরোধক বা প্রতিষেধক আবিষ্কারে বিজ্ঞানীরা সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়নি। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে যতটা সম্ভব প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয়ে সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে মৃত্যুহার এবং এ রোগের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক বিপন্নতা কমানোর চেষ্টা সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তরিত হচ্ছে।
ফুসফুসে ক্যান্সার ! কখন, কিভাবে, কোথায় চিকিৎসা নিবেন।
ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্য অন্যতম দায়ী ধূমপান। যে কারণে যদিও রোগটি তুলনামূলকভাবে পুরুষদের বেশি, ইদানীংকালে নারীদের মধ্যে ধূমপানের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারাও উল্লেখযোগ্য হারে এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ধূমপায়ী ব্যক্তিরাই এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন বেশি। তবে অধূমপায়ীদের যে এ রোগ হতে পারে না তা কিন্তু নয়। নগরায়নের এই বিশ্বে শিল্প কারখানা ও গাড়ি নির্গত কালো ধোঁয়াও ফুসফুসে ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ যেমন-ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়াম, অ্যাসবেসটস ইত্যাদি এ রোগ সৃষ্টি করতে পারে। ফুসফুসে ক্যান্সার সৃষ্টিতে অ্যাসবেসটসের প্রভাব এতো বেশি যে, সমসাময়িক কালে জাহাজশিল্পে অ্যাসবেসটসের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বর্তমান উন্নত বিশ্বে পারমাণবিক বর্জ্যও ক্যান্সারের একটি বড় কারণ হিসাবে পরিগণিত হচ্ছে।

ভূপাল কিংবা চেরনোবিল গ্যাস দুর্ঘটনার পর বর্তমান সময়ে সেসব অঞ্চলের মানুষের মাঝে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। ফুসফুসের প্রদাহজনিত রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া ভালো হওয়ার পর ফুসফুসের আক্রান্ত স্থানে ক্যান্সার দেখা দিতে পারে।ফুসফুসের যে কোনো স্থান ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে। এ রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ সবার ক্ষেত্রে একরকম হয় না। সাধারণভাবে এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি, কাশির সঙ্গে কফ বা রক্ত, শ্বাসকষ্ট, আক্রান্তের দিকে বুকে ব্যথা, হালকা জ্বর, খাদ্যে অনীহা, ওজন হ্রাস ইত্যাদি উপসর্গ বা লক্ষণ নিয়ে হাজির হতে পারে।অ্যালোপ্যাথি ডাক্তাররা বলেন ফুসফুসের ক্যান্সার নিরাময়যোগ্য নয়।

তাই এর কারণটি প্রতিরোধযোগ্য। ধূমপান এর প্রধান কারণ। জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে ধূমপান প্রতিরোধ করা গেলে এ রোগের উদ্ভব ও প্রতিরোধ করা যাবে বহুলাংশে। কাজেই সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
তবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর রয়েছে ভালো চিকিৎসা। রোগের প্রথম বা দ্বিতীয় অবস্থায় এই রোগকে অনেক ক্ষেত্রেই নির্মূল করা যায় হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল - ফুসফুসে ক্যান্সার নিয়ে যখন রোগীরা হোমিও ডাক্তারের কাছে আসে তখন রোগটি এতটাই তীব্রতর অবস্থায় থাকে যে - সে অবস্থা থেকে ফিরিয়ে আনা অনেক দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। আর তখন দোষটা এসে পড়ে হোমিওপ্যাথির উপর। অথচ এর আগে বহু এলোপ্যাথি ডাক্তার দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে এসেছে কিন্তু তাদের কোন দোষ নেই।  অবশেষে বলব - যদি এই সকল জটিল রোগ থেকে রেহাই পেতে চান তাহলে অযথা এলোপ্যাথি ডাক্তারদের পেছনে টাকা পয়সা নষ্ট না করে প্রাথমিক অবস্থায়ই রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শক্রমে ট্রিটমেন্ট নিন - আশা করি সুফল পাবেন।
বিস্তারিত

Thursday, July 17, 2014

ব্রেস্ট/স্তন ক্যান্সার প্রতিকারে করনীয়

অনেক সময় মেয়েদের স্তন ক্যানসারের দেখা দেয়।নারীর এই স্তন ক্যান্সার মরণব্যাধি বাসা বাঁধতে পারে যে কোন সময় এবং সচেতন না হলে কেড়ে নিতে পারে আপনার মহামূল্যবান প্রাণ।
ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার কারণ :-
স্তন ক্যানসারের নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি।তবে বিশেষজ্ঞগন এর কিছু সাধারণ কারণ নির্দেশিত করেছেন-
  • মা-খালা এদের থাকলে সন্তানদের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
  • অবিবাহিতা বা সন্তানহীনা মহিলাদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের প্রকোপ বেশি।
  • যারা সন্তানকে কখনো স্তন্য পান করাননি তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার বেশি হয়।
  • ৩০ বছরের পরে যারা প্রথম মা হয়েছেন তাদের স্তন ক্যান্সারের প্রবণতা একজন কমবয়সী মা হওয়া মহিলাদের থেকে অনেক বেশি।
  • বয়স যত বাড়ে স্তন ক্যান্সার এর ঝুঁকি তত বৃদ্ধি পায়।
  • অল্প বয়সে বাচ্চা নিলে, দেরীতে মাসিক শুরু হলে, তাড়াতাড়ি মাসিক বন্ধ হয়ে স্তন ক্যান্সার প্রকোপ বেড়ে যায়।
  • একাধারে অনেক দিন জন্ম নিরোধ বড়ি খেলে ও স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
উপরোক্ত কারণগুলো ব্রেস্ট ক্যান্সারের সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তবে এগুলোই একমাত্র কারণ নয়।

স্তন ক্যান্সার বুঝবেন কিছু লক্ষণ :-
  • সাধারণত ৩০ বছর-এর পূর্বে এই রোগ কম হয়।
  • বেশিরভাগ রোগী বুকে চাকা নিয়ে ডাক্তার-এর শরণাপন্ন হয়।
  • বুকে চাকা সেই সাথে কিছু কিছু রোগী ব্যথার কথাও বলে থাকে।
  • কখনো কখনো বুকে চাকা বগলেও চাকা নিয়ে রোগী আসতে পারে।
  • নিপল ডিসচার্জ এবং নিপল ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়াও এ রোগের লক্ষণ হিসাবে দেখা দিতে পারে।
  • কিছু কিছু রোগী বুকে ফুলকপির মত ঘা নিয়ে ডাক্তারের কাছে আসে।
  • অনেক সময় যে বুকে ব্যথা সেদিকের হাত ফোলা নিয়েও আসতে পারে।
  • এগুলো ছাড়া ব্রেস্ট ক্যান্সার দূরবর্তী কোথাও ছড়িয়ে পড়েছে এমন উপসর্গ নিয়ে আসে যেমন-হাড়ে ব্যথা, মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও জন্ডিস ইত্যাদি।
কিভাবে রোগ নির্ণয় করা যাবে :-
  • মেমোগ্রাম বা স্তনের বিশেষ ধরনের এক্সরে।
  • স্তনের আলট্রাসনোগ্রাম
  • চাকা বা টিউমার থেকে রস (ঋঘঅঈ) নিয়ে পরীক্ষা করলে এই রোগ ধরা পড়বে।
প্রতীকার :-
যেহেতু রোগটির নির্দিষ্ট কোন কারণ জানা যায়নি। তাই এই রোগ এড়ানোর জন্য কয়েকটি নিয়ম মেনে চলার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়ঃ
  • ধূমপান ও এলকোহল পরিহার করুন।
  • টাটকা শাক-সবজি ও ফল খান।
  • ৩০ বছর বয়স থেকে নিজে নিজে ব্রেস্ট পরীক্ষা করুন।
  • সন্তানকে বুকের দুধ পান করান।
  • রিক্স ফ্যাক্টর থাকলে সে ক্ষেত্রে মেমোগ্রাফি করুন। যেমন-ফ্যামিলিতে ব্রেস্ট ক্যান্সার থাকলে।
স্তন ক্যানসারের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সব সময় মনে রাখবেন প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নিরূপণ করলে এবং চিকিৎসা করলে আপনি অনেকদিন সুস্থ থাকবেন। সার্জারি করার সময় টিউমারটি বগলে লসিকা গ্রন্থিসহ অপসারণ করলে এই রোগ পুনর্বার দেখা দেয়ার সম্ভাবনা খুব কম। অসম্পূর্ণভাবে টিউমার অপসারণ করলে এই রোগ আবার হতে পারে। বর্তমানে অপারেশন টেকনোলজি অনেক উন্নতি লাভ করেছে যার ফলে এই রোগের চিকিৎসা এখন বাংলাদেশেই সম্ভব। তাছাড়া এডভান্স ব্রেস্ট ক্যান্সারে এখন টিউমার ফেলে দিয়ে ব্রেস্ট এরিয়া রিকস্ট্রাকশনও করা হচ্ছে। তবে কোন প্রকার অপারেশনে না গিয়ে আগেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নেয়াটা অধিক যুক্তিযোক্ত। ব্রেস্ট/স্তন ক্যান্সার নির্মূলে হোমিও চিকিৎসা বরাবরই সফল। 
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

জরায়ুতে টিউমার ফাইব্রয়েড এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা।

বাংলাদেশের মহিলাদের মধ্যে জরায়ুর টিউমার ফাইব্রয়েড একটি অতি পরিচিত টিউমার। মহিলাদের প্রজননক্ষম বয়সে জরায়ুতে সবচেয়ে বেশি যে টিউমারটি হতে দেখা যায় তা হলো ফাইব্রয়েড বা মায়োমা। জরায়ুর পেশির অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে এই টিউমারের সৃষ্টি হয়। ৩০ বছরের ঊর্ধ্বে নারীদের মধ্যে ২০ শতাংশই এই সমস্যায় আক্রান্ত। ফাইব্রয়েড এক ধরনের নিরীহ টিউমার, এটি ক্যানসার বা বিপজ্জনক কিছু নয়।
উপসর্গ সমূহ :-
  • সাধারনত ৭৫% ক্ষেত্রেই কোন উপসর্গ থাকে না।
  • মাসিকের সময় তলপেটে অতিরিক্ত ব্যাথা হওয়া।
  • তলপেটে চাকা বা ভারি অনুভব করা।
  • ৩০% মহিলাদের মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তস্রাব হয়ে থাকে। প্রতিবার মাসিকেই রক্তস্রাবের পরিমান বাড়তে থাকে।
  • কোন কোন ক্ষেত্রে দুই মাসিকের মাঝামাঝি সময় রক্ত যেতে পারে।
  • ৩০% ক্ষেত্রে বাচ্চা না হওয়ার মত সমস্যাও হতে পারে।
  •  জরায়ুতে এই টিউমার থাকা অবস্থায় যারা গর্ভধারণ করে তাদের গর্ভপাত, সময়ের অনেক আগে প্রসব বেদনা হওয়া এবং বাচ্চা ওজনে কম হতে পারে। কোন কোন ক্ষেত্রে বারবার গর্ভপাত হওয়ার জন্যেও ফাইব্রয়েড দায়ী।
  •  তলপেটে ভীষণ ব্যাথা হওয়া।
রোগ নির্ণয় :-
* আলট্রাসনোগ্রাফীর মাধ্যমেই সাধারণত এই টিউমার নির্ণয় করা যায়।
* কখনো কখনো জরায়ুর ভিতরে টিউমার হিস্টারোস্কোপি এবং জরায়ুর বাইরের টিউমার ল্যাপারোস্কোপির মাধ্যমেও নির্ণয় করা যায়।

অ্যালোপ্যাথি চিকিত্সা :-
মূলত অস্ত্রোপচারই ফাইব্রয়েড টিউমারের প্রধানতম চিকিৎসা। অ্যালোপ্যাথি ওষুধের মাধ্যমে এর স্থায়ী চিকিৎসা হয় না। অস্ত্রোপচার প্রধানত দুই ধরনের।
১. বয়স ৪৫-এর বেশি ও Family Complete অর্থাৎ আর বাচ্চা নেওয়ার ইচ্ছা না থাকলে জরায়ু ফেলে দেওয়া। 
২. প্রজননক্ষম বয়স এবং যাদের বন্ধ্যাত্বের মতো সমস্যা দেখা যাচ্ছে তাদের ক্ষেত্রে মায়োমেটমি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ফাইব্রয়েডকে জরায়ুর দেয়াল থেকে তুলে এনে আবার তা সেলাই করে দেওয়া হয়। এতে জরায়ু কেটে ফেলার প্রয়োজন হয় না। বর্তমানে এই অস্ত্রোপচার পেট কেটে বা ছিদ্র করে উভয় পদ্ধতিতেই করা হয়।

যা জেনে রাখা জরুরি :-
  • এই অপারেশন / অস্ত্রোপচারে বেশ রক্তপাত হতে পারে। ২০ থেকে ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের সময় জরায়ু কেটে ফেলে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
  • অপারেশন/অস্ত্রোপচারের পর আবার ফাইব্রয়েড হওয়ার সম্ভাবনা ১০ থেকে ১৫ ভাগ। 
  • অস্ত্রোপচারের পর গর্ভধারণের সম্ভাবনা ৪০ থেকে ৬০ ভাগ। এটি নির্ভর করে ফাইব্রয়েড টিউমারের সংখ্যা, আকার এবং অস্ত্রোপচারের সফলতার ওপর ফাইব্রয়েড অস্ত্রোপচারের পর গর্ভধারণ করলে অবশ্যই ভালো সুযোগ-সুবিধা আছে এমন হাসপাতালে সন্তান প্রসব করাতে হবে।
হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা :-
কোনো প্রকার অস্ত্রোপচার বা অপারেশন ছাড়াই সম্পূর্ণ ঔষধের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথরা সফলতার সাথেই মহিলাদের জরায়ুর এই ধরনের টিউমার নির্মূল করে থাকেন। তাই এ সমস্যায় নিশ্চিত আরোগ্যের জন্য অভিজ্ঞ কোনো হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করুন এবং চিকিত্সা নিন। খুব তাড়াতাড়িই সুস্থ হয়ে উঠবেন। 
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

টিউমার চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

টিউমার শব্দটির সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত। বেশির ভাগ টিউমার বা ক্যান্সারের কারণ হয় এখনো জানা যায়নি। আমাদের দেশে বেশ কিছু পরিচিত টিউমারে আক্রান্ত হয়ে থাকে লোকজন।  নিচে বিভিন্ন প্রকার টিউমারের বিস্তারিত দেয়া হলো।

টিউমার তিন প্রকার :-
  • হিস্টোমা বা কানেকটিভ টিস্যু টিউমার, 
  • সাইটোমা এবং 
  • টেরাটোমা বা মিক্সড সেল টিউমার।
হিস্টোমা টিউমার আবার দুই প্রকার :-
  • বিনাইন ও 
  • ম্যালিগন্যান্ট।
বিনাইন টিউমার :- এ জাতীয় টিউমার তুলতুলে নরম হয় এবং শক্ত হয় না। খুব আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পায়। এর কোনো আবরণ থাকে না। এর উপরের চর্ম আলাদা পৃথক মনে হয়। এ টিউমারের সংলগ্ন গ্রন্থিসমূহ আক্রান্ত হয় না। চাপ দিলে এতে কোনো যন্ত্রণা অনুভূত হয় না। 
টিউমার চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি
ম্যালিগন্যান্ট টিউমার :- এটা নিরেট বা শক্ত হয়। এটা খুব দ্রুত বড় হয়। এতে আবরণ থাকে। এটার উপরের চর্ম আলাদা পৃথক মনে হয় না। এ টিউমার সংলগ্ন গ্রন্থিসমূহ আক্রান্ত হয়। চাপ দিলে এতে যন্ত্রণা অনুভূত হয়। এতে আঘাত করলে বা অস্ত্রোপচার করলে ক্ষতি হয়। অস্ত্রোপচার করলে পরে প্রায়ই ক্যান্সার হতে দেখা যায়।

শরীরের বিভিন্ন স্থানে টিউমার বিভিন্ন নামে পরিচিত :-
১. নাক, জরায়ু প্রভৃতি শৈ্লষ্মিক ঝিলি্লর টিউমারের নাম প্যাপিলোমা, 
২. জরায়ু, পাকস্থলী প্রভৃতি স্থানের মাংসপেশির টিউমারের নাম মাইওমা, 
৩. চর্মের টিউমারের নাম এপিথেলিওমা, 
৪. পিঠ, কাঁধ প্রভৃতি স্থানে ফ্যাটিটিস্যু টিউমারের নাম লিপোমা, 
৫. বোনের কার্টিলেজের টিউমারের নাম কনড্রমা, 
৬. মাথার খুলি, মুখম-ল, নাসিকা গহ্বর প্রভৃতি স্থানে হাড়ের অস্থি টিউমারের নাম অস্টিওমা, 
৭. মস্তিষ্ক কোষের টিউমারের নাম গ্লাইওমা, 
৮. মস্তিষ্ক, লিভার প্রভৃতি স্থানে রক্ত নালিকার টিউমারের নাম হেমান জিওমা, 
৯. ঘাড়, জিহ্বা, বগল প্রভৃতি স্থানের লসিকা নালির টিউমারের নাম লিমফ্যানজিওমা। সাধারণত কম বয়সে সার্কোমা টিউমার দেখা দেয়। সাধারণত ৪০ বছর বয়সের পর কার্সিনোমা টিউমার দেখা দেয়। 

টিউমারের কারণ 

  • যে সব মহিলা ডিঅ্যান্ডসি বা এমআর করে বা কোনো গাছ-গাছড়া দিয়ে ভ্রূণ নষ্ট করে বা প্রসবকালে যেসব মহিলার প্রচ- কষ্ট হয় বা যে সব মহিলা ঘন ঘন সন্তান প্রসব করে বা যে সব মহিলার অতি অল্প বয়সে বিয়ে হয় সেই সব মহিলার জরায়ুতে আঘাত হেতু, জরায়ু, জরায়ু মুখ, ডিম্বকোষ, স্তন গ্রন্থিতে টিউমার দেখা দিতে পারে। সাধারণত মহিলাদের উপরোক্ত কারণ থেকে নিবৃত থাকা বাঞ্ছনীয়। 
  • পুরুষদের অ-কোষে কোনো রকম লাগলে অ-কোষ ফুলে শক্ত হয়ে টিউমার দেখা দেয়
  • যারা কলকারখানায় চিমনি পরিষ্কার করে তাদের বিভিন্ন স্থানে টিউমার দেখা দেয়
  • কোনো কোনো পরিবারে বংশগতভাবে টিউমার দেখা দিতে পারে
  • আঘাত, ঘর্ষণ, পেষণ বা উদ্দীপনার ফলে স্থান বিশেষ অ্যাডিনোমা সৃষ্টি হতে পারে
  • পুরনো পোড়া ঘায়ে অনেক টিউমার বা ক্যান্সার দেখা দিতে পারে
  • আলকাতরা, সেল অয়েল সুট ইত্যাদি রাসায়নিক দ্রব্য চামড়ার উপর প্রদাহ সৃষ্টি করে টিউমার দেখা দিতে পারে
  • খাদ্যের পরিপুষ্টির অভাবে লিভারে টিউমার দেখা দিতে পারে
  • গায়ক, বংশীবাদক এদের গলায় বা ফুসফুসে টিউমার দেখা দিতে পারে
  • ইসট্রিন হরমোনের অভাবে স্তনে টিউমার দেখা দিতে পারে
  • জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করার ফলে নারীদের সাধারণ হরমোন বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়, ফলে জরায়ুতে বা স্তনে, যৌন দ্বারে টিউমার দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে। আলোচিত কারণসমূহ ব্যতীত আরো নানাবিধ কারণে টিউমার দেখা দিতে পারে। 

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিতে যাদের সোরা, সিফিলিস, সাইকোসিস ও টিউবারকুলার মায়াজম সংমিশ্রিত অবস্থায় থাকে তাদের টিউমার দেখা দিতে পারে। টিউমারের সাধারণ চিকিৎসা অপারেশন। কিন্তু অনেক সময় টিউমার অপারেশন করলে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ম্যালিগন্যান্ট টিউমার অপারেশন করা নিরাপদ নয়। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মাধ্যমে সব রকম টিউমারকে আরোগ্য করা সম্ভব ।
বিস্তারিত

চর্বিযুক্ত খাবার স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় - স্তন ক্যান্সারে কি করবেন ?

স্তন ক্যান্সার নিয়ে দুই দশক ধরে সমগ্র বিশ্বে যথেষ্ট সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়ার সাথে স্তন ক্যান্সারের বিশেষ যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মহিলা চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খান, পরবর্তী জীবনে তাদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রে ১৩ হাজার মহিলার ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, যারা দিনে ৯০ গ্রামের বেশি চর্বিযুক্ত খাবার খেয়েছেন তাদের মধ্যে ক্যান্সারের লক্ষণ ধরা পড়েছে। অন্য দিকে যারা ৪০ গ্রাম বা এর কম পরিমাণ চর্বিজাতীয় খাবার খেয়েছেন, তাদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে অনেক কম ছিল। তবে সর্বজনবিদিত যে, অস্বাভাবিক মোটা হওয়া স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। আর এই প্রভাব বিশেষ করে অধিক চর্বিযুক্ত দুধ, মাখন, গোশত, বিস্কুট ও কেকের মতো কিছু সিরিয়ালের সাথে সম্পৃক্ত।
চর্বিযুক্ত খাবার স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়
যুক্তরাজ্যের ক্যান্সার গবেষক ড. লেসলি ওয়াকার জানান, খাবার ও ক্যান্সারের মধ্যে গবেষণার কাজটি মূলত জটিল ব্যাপার। এ দুটো বিষয় কিভাবে সম্পৃক্ত, তা গবেষণা করতে গিয়ে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসছে। ক্যান্সারের ঝুঁকি এড়াতে খাবার গ্রহণে যে সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে গবেষণায় সেটিই গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে।

আমাদের দেশের মেয়েদের মধ্যে ব্রেস্ট ক্যান্সারের প্রবণতা এবং রোগ নির্ণয় ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী হলেও এ ব্যাপারে একেবারে প্রথম সারিতে আছেন আমেরিকা ও বিট্রেনের মহিলারা। হাই প্রোটিন ডায়েট, অত্যধিক পরিমাণে প্রসেসড বা ফাস্টফুডের ব্যবহারও আমেরিকা, গ্রেট ব্রিটেনের স্তন ক্যান্সারের এগিয়ে থাকার অন্যতম কারণ। প্রসঙ্গত, এ জন্যই উন্নত দেশগুলোতে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের হার পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। যুক্তরাজ্যে নারীদের মধ্যে এটি এখন স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তবে ব্রেস্ট স্ক্রিনিং ও উন্নত চিকিৎসা হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে ডায়াগনোসিস হলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এর নিরাময় সম্ভব। তবে হোমিওতে এর উন্নত চিকিৎসা রয়েছে। তাই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন। 
বিস্তারিত

ফুসফুসে ক্যান্সার ও তার প্রতিকার

আপনারা এবিষয়ে সবাই অবগত, ক্যান্সার একটি জটিল ব্যাধি। ক্যান্সার হচ্ছে শরীরের কোষকলার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকৃতি। বিজ্ঞানীরা চিকিৎসা বিজ্ঞানে অনেকদূর অগ্রসর হওয়ার দাবি করলেও আজ পর্যন্ত ক্যান্সারের যথাযোগ্য প্রতিষেধক উদ্ভাবন করতে পারেননি। আসলে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা যে সফলতা এত দিন অর্জন করেছেন, তার বেশির ভাগই জীবাণুঘটিত রোগের ক্ষেত্রে। এন্টিবায়োটিকের কল্যাণে যক্ষ্মসহ যেকোনো জীবাণুঘটিত রোগের নিরাময় মানুষের কাছে এখন খোলামেলা ব্যাপার। কিন্তু যে রোগের জীবাণুই নেই, সেখানে করার কী আছে? এখানেই এত দিন ছিলেন ক্যান্সারের কাছে বড়ই নিরুপায় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।
তবে ইদানীং ফুসফুসের ক্যান্সার চিকিৎসায় নাটকীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ফুসফুসের ক্যান্সার কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। তবে চিকিৎসার সুবিধার জন্য ফুসফুসের ক্যান্সারকে স্মলসেল কারসিনোমা এবং নন-স্মলসেল কারসিনোমা এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। স্মলসেল কারসিনোমা চিকিৎসায় খরচ বেশ কম। ক্যাম্পটো নামক ওষুধ দিয়ে বর্তমানে এর চিকিৎসায় বেশ ফল পাওয়া যাবে। নন-স্মলসেল কারসিনোমা চিকিৎসায় বর্তমানে ব্যবহার করা হচ্ছে টেক্সোটিয়ার নামক ওষুধটি। তবে এর সমস্যা হলো ওষুধটি বেশ দামি।

বেশির ভাগ রোগীর পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা কষ্টকর। তবে টেক্সোটিয়াম দিয়ে চিকিৎসায় সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে ক্যান্সার নিরাময়ে কেমোথেরাপি এবং বিকিরণ চিকিৎসার প্রচলন রয়েছে। এ ধারায় চিকিৎসায় রোগীর খারাপ কোষের সাথে সাথে ভালো কোষও মরে যায়। কিন্তু নতুন চিকিৎসায় শুধু ক্যান্সার-আক্রান্ত টিস্যুই লক্ষ্যবস্তু হবে। অর্থাৎ কেবল খারাপ কোষই মারা পড়বে, ভালো কোষের কোনো ক্ষতি হবে না। তবে তার চেয়েও আরো ভালো চিকিৎসা হলো হোমিওপ্যাথি। এই চিকিৎসা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন এবং অধিক সফল।

ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগ। কারণ ধূমপান পরিহার করলে ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়। যে যত বেশি মাত্রায় এবং বেশি দিন ধরে ধূমপান করবেন তার এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি বাড়িয়ে দেয়, যেমন সিগারেটের ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সাথে ভেতরে নেয়া, একটি সিগারেটকে বারবার টানতে থাকা, জ্বলন্ত সিগারেটটি হাতের আঙুলের ফাঁকে না রেখে ঠোঁটের মধ্যে রেখে নিঃশ্বাস গ্রহণ করা, নেভানো সিগারেট আবার জ্বালিয়ে খাওয়া এবং সিগারেট খেতে খেতে একেবারে শেষ পর্যন্ত টেনে খাওয়া ইত্যাদি।

পরিবেশ দূষণ বন্ধ করতে পারলে এবং ধূমপানের কু-অভ্যাস বন্ধ করতে পারলে একটি লোক অনায়াসেই ফুসফুসের ক্যান্সারের হাত থেকে বেঁচে থাকতে পারবেন।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

ফুসফুসের ক্যান্সার এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা

ফুসফুস ক্যান্সার (Lung Cancer) হল এক ধরনের ম্যালিগন্যান্ট টিউমার । এর অনেক ধরনের চিকিৎসা আছে তবে এক্ষেত্রে রোগীর জন্য কোন চিকিৎসাটি সবচেয়ে উপযুক্ত তা নির্বাচন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে যে কোন টিউমার এবং ক্যান্সারে হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা নেয়াটা অধিক যুক্তিযুক্ত ।
ফুসফুসের ক্যান্সার একটি হতান্তর ব্যাধি৷ শ্বাসতন্ত্রের যাবতীয় রোগের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সার সবচেয়ে মারাত্মক রোগ৷ কারণ:
  • ধূমপান (শতকরা ঌ০ ভাগ ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্য দায়ী)৷ তাই ধূমপান কমালে ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার হারও কমে যাবে৷ মেয়েদের সিগারেট খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ার জন্য তাদের ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হার ক্রমেই বাড়ছে৷ একজন অধূমপায়ী অপেক্ষা একজন ধূমপায়ীর ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ভয় থাকে ৪০ গুণ বেশি৷ যে যত বেশি ধূমপান করে তার তত বেশি ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ভয় থাকে৷ ধূমপায়ীদের সঙ্গে যারা চলাফেরা করে তাদেরও ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ স্বামী অথবা স্ত্রী একজন ধূমপায়ী হলে অন্যজনের ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়৷
  • পরিবেশ দূষণ৷
  • কলকারখানার দূষিত পরিবেশ৷ কিছু কিছু কলকারখানার শ্রমিকদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সার পরিলক্ষিত হয়৷ অ্যাসবেসটস কারখানায় যারা কাজ করে তারা অধিক হারে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়৷
কাদের বেশি হয় :-
ধূমপায়ী পুরুষেরা ফুসফুসের ক্যান্সারে বেশি আক্রান্ত হয়৷

উপসর্গ :-
ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রধান উপসর্গ তিনটি কফ, কফের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এবং শ্বাসকষ্ট৷

কাশি ও কফ :- কফ এ ধরনের ক্যান্সারের প্রাথমিক উপসর্গ৷ কফ প্রথমে শুষ্ক থাকে কিন্তু পরবর্তীকালে তা গাঢ় হয়ে যায়৷ যারা নিয়মিত ধূমপান করে তাদের কফের আওয়াজ অথবা গতি-প্রকৃতি যদি হঠাত্‌ বদলে যায় তবে বুকের এক্স-রে করা উচিত৷ ৪০ বছর বয়সের বেশি কারও যদি হঠাত্‌ করে কফ হয় আর তা দীর্ঘ দিনেও যদি সারতে না চায় তবে ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা উচিত৷

কাশির সাথে রক্ত পড়া :- হিমোপটেসিস বা কফের সঙ্গে রক্ত যাওয়া ফুসফুসের ক্যান্সারের আরেকটি প্রধান উপসর্গ৷ সাধারণত কফের সঙ্গে একটু একটু করে রক্ত যায়৷ তবে ফুসফুসের ভেতর কোনও বড় শিরা বা ধমনি ছিঁড়ে গেলে মারাত্মক রক্তপাত থেকে রোগীর মৃতু্য পর্যন্ত হতে পারে৷

শ্বাসকষ্ট হয় :- অনেক কারণে ফুসফুসের ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শ্বাসকষ্ট হতে পারে৷ টিউমার ফুসফুসের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার জন্য, শ্বাসনালীতে চাপ দেওয়ার জন্য, ফুসফুসের চারদিকে পানি জমার কারণে, স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হওয়া ইত্যাদি কারণে ফুসফুসের ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শ্বাসকষ্ট হতে পারে৷

উল্লিখিত উপযুক্ত তিনটি উপসর্গ ছাড়াও অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে রোগী ডাক্তারের কাছে আসতে পারে৷ বুকব্যাথা, গলার লসিকা গ্রন্থি বা গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া, গলার স্বরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, জন্ডিস, হঠাত্‌ মূর্ছা যাওয়া , ফুসফুসের চারিদিকে পানি জমা, বমি ভাব থাকে, ওজন কমে যায়, খাবারে অরুচি থাকে ইত্যাদি উপসর্গ নিয়েও রোগী হাসপাতালে আসতে পারে৷

পরীক্ষা নিরীক্ষা :-
বুকের এক্সরে, ব্রংকোস্কাপি এবং বায়োপসি, সিটিস্ক্যান

করনীয় :-
রোগী ধূমপায়ী পুরুষ ও ৪০ বছরের বেশি বয়স হলে এবং কোনো উপসর্গ দেখা দিলে (দীর্ঘদিন ধরে কাশি, কাশির সঙ্গে রক্ত পড়া) অবশ্যই চিকিত্‌সকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে৷ দ্রুত রোগ ধরা পরলে যে অংশ ক্যান্সার আক্রান্ত হয়েছে তা কেটে বাদ দিয়ে রোগ নিরাময় সম্ভব৷তাছাড়া কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপি দেওয়া যেতে পারে৷

প্রতিরোধ :-
ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধযোগ্য অসুখ৷ ধূমপান ফুসফুসের ক্যান্সারের একটি প্রধান কারণ৷ তাই সিগারেট খাওয়া কমালে ফুসফুসের ক্যান্সারের হারও কমবে৷
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

জরায়ু ক্যান্সার এবং হোমিও চিকিৎসা

সাধারণত জরায়ুর নিচের সরু অংশ যা জরায়ুর মুখ বা সারভিক্স বেশি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়৷ যোনিপথের ওপরের অংশ থেকে শুরু করে জরায়ুর মাঝামাঝি পর্যন্ত এই অংশটি বিস্তৃত৷জরায়ু-মুখের ক্যান্সার বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের নারীদের মৃতু্যর অন্যতম কারণ৷ বাংলাদেশের ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের শতকরা ৩০ ভাগই হচ্ছেন জরায়ু মুখের ক্যান্সারের শিকার৷
জরায়ু ক্যান্সারের কারণ :-
মূল কারণ না জানা গেলেও নিম্নোক্ত রিক্স ফ্যাক্টরসমূহকে জরায়ু ক্যান্সারের জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়-
  • ২টি বয়সে বেশি দেখা যায়৷ ৩৫ বছরে এবং ৫০-৫৫ বছরে৷
  • অল্প বয়সে বিয়ে হলে (১৮বছরের নিচে) বা যৌন মিলন করে থাকলে
  • ২০বছরের নিচে গর্ভধারণ ও মা হওয়া
  • অধিক ও ঘনঘন সন্তান প্রসব
  • বহুগামিতা
  • স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এবং জননাঙ্গের অপরিচ্ছন্ন অবস্থা
  • বিভিন্ন রোগ জীবাণু দ্বারা জরায়ু বারেবারে আক্রান্ত হলেও জরায়ু ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেশি থাকে যেমন - হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস এবং হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস৷
জরায়ু ক্যান্সারের উপসর্গ :-
  • প্রাথমিক পর্যায়ে রোগের লক্ষণ নাও থাকতে পারে৷ তবে নিচের লক্ষণগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়৷
  • অনিয়মিত ঋতুস্রাব হওয়া৷
  • ঋতু সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ১ বছর পরেও রক্তস্রাব দেখা যাওয়া৷
  • যৌনসঙ্গমের পর রক্তস্রাব হওয়া৷
  • নিপথে বাদামি অথবা রক্তমিশ্রিত স্রাবের আধিক্য দেখা দেওয়া৷
সাদা দুর্গন্ধযুক্ত যোনিস্রাব হওয়া৷ একদিন বা একমাসে হঠাত্‌ করে জরায়ু-মুখে ক্যান্সার হয় না৷ জরায়ু মুখ আবরণীর কোষগুলোতে বিভিন্ন কারণে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে৷ এই পরিবর্তন ধীরে ধীরে ক্যান্সারের রূপ নেয় এবং এই পরিবর্তন হতে ১০-১৫ বছর সময় লাগে৷ উন্নত দেশে জরায়ু-মুখ নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়, ফলে তারা প্রাথমিক অবস্থাতেই সমস্যাটি জানতে পারেন৷ ফলে চিকিত্‌সার দ্বারা ১০০ ভাগ রোগী ভালো হয়ে যান৷ আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জরায়ু-মুখ নিয়মিত পরীক্ষার জন্য কোনো ব্যবস্থা এখনও গড়ে উঠেনি৷ এর ফলে জরায়ু-মুখ ক্যান্সারের ক্ষেত্রে শতকরা ৮০ ভাগ রোগীরা আসেন শেষ পর্যায়ে এবং ইতিমধ্যে ক্যান্সার ছড়িয়ে যায় এবং অপারেশন করা আর সম্ভব হয় না৷ রোগীরা দেরীতে আসার কারণ হচ্ছে প্রথম অবস্থাতে এ রোগের কোনো লক্ষণ থাকে না, তাই সমস্যা না থাকার কারণে রোগীরা আসেন না৷ একমাত্র জরায়ু মুখনিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে সমস্যাটি প্রাথমিক পর্যায়ে চিহ্নিত করা সম্ভব৷

করণীয়সুমূহ :-
রোগের চিকিত্‌সার পরিবর্তে প্রতিরোধ অর্থাত্‌ রোগটা হতে না দেওয়া হলো বুদ্ধিমানের কাজ৷ যদিও সকল রোগের ক্ষেত্রে প্রতিরোধ সম্ভব হয় না, তবে জরায়ু-মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব৷ কারণ ডাক্তার অথবা স্বাস্থ্যকর্মী সহজেই জরায়ু-মুখ দেখতে এবং পরীক্ষা করতে পারেন৷ক্যান্সারপূর্ব অবস্থাধরা পড়লে সামান্য চিকিত্‌সার মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব৷ এক্ষেত্রে জরায়ু ফেলে দেবার প্রয়োজন হয় না এবং চিকিত্‌সার পরও সন্তান ধারণ সম্ভব ৷Visual Inspection of Cervix with Acetic Acid (VIA) এই পদ্ধতির জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব -ক্যান্সারপূর্ব অবস্থায় খালি চোখে জরায়ু মুখে কোনরকম ক্ষত বা চাকা দেখা যাবে না৷ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যে পদ্ধতিতে জরায়ু মুখের ক্যান্সারপূর্ব অবস্থা শনান্ত করা হয় তাকে ভায়া বলে৷ পদ্ধতিতে জরায়ু মুখ পরীক্ষা করলে ক্যান্সারপূর্ব অবস্থা সাদা রং ধারণ করে৷

হোমিও চিকিৎসা :-
দ্রুত রোগ ধরা পড়লে অপারেশনের মাধ্যমে জরায়ু কেটে বাদ দেওয়া পরামর্শ দিয়ে থাকেন আলপথগণ। কিন্তু দেরী হয়ে গেলে রোগ ছড়িয়ে পরবে৷ কেমোথেরাপি এবং রেডিও থেরাপি দিয়ে চিকিত্‌সা দেওয়া যায়৷এর আবার রয়েছে অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তারপর রোগটি সবক্ষেত্রে ভালো হয় না। কিন্তু আপনি যদি কোন প্রকার কাটা চিরা বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই সম্পূর্ণ আরোগ্য হতে চান তাহলে হোমিওপ্যাথিই হলো তার একমাত্র চিকিত্সা।

জরায়ু-মুখ ক্যান্সার মুক্ত রাখতে চাইলে :-
  • প্রতি তিনবছর অন্তর স্বাস্থ্যকর্মীকে দিয়ে জরায়ু-মুখ অবশ্যই পরীক্ষা করাতে হবে৷
  • ৩০ বছরের বেশি বয়স হলেই জরায়ু-মুখ অবশ্যই পরীক্ষা করাতে হবে৷ তবে ১৮ বছরের পূর্বে বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে ২৫ বছর বয়স হলেই জরায়ু মুখ পরীক্ষা করাতে হবে৷
  • বয়স্ক মাহলাদের জন্য VIA test অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷
  • স্বাস্থ্যকর্মী বা ডাক্তারকে দিয়ে জরায়ু-মুখ পরীক্ষা করালে অন্যান্য স্ত্রীরোগের চিকিত্‌সারও সুযোগ থাকে৷
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

টিউমার/ক্যান্সার এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা

অনেকেই হয়ত জানেন যে, টিউমার শরীরের কোনো অংশের অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন থেকে তৈরি হয়৷ এই সকল কোষের ভিতর তখন চারিত্রিক কিছু পরিবর্তন ঘটে৷ আশেপাশের স্বাভাবিক কোষের থেকে এগুলো সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে পরে এবং কাজেও অস্বভাবিকতা দেখা দেয়৷ এসকল কিছু মিলেই দেখা যায় শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গে বা অংশে অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটেছে - একেই বলা হয় টিউমার৷ ক্যান্সার সাধারণত কতোটুকু ছড়িয়ে পরেছে এবং কয়টি লসিকা গ্রন্থি আক্রান্ত হয়েছে সেটার উপর নির্ভর করে ক্যান্সারের ভয়াবহতা নির্ধারণ করা হয়৷ বর্তমানে অতিউন্নত পরীক্ষা-নিরিক্ষার মাধ্যমে আমরা প্রথম পর্যায়েই ক্যান্সার নির্ণয় করে তার চিকিত্‌সা দিয়ে রোগীকে সুস্থ করে তুলতে পারি৷ ক্যান্সারের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরিক্ষার মধ্যে আছে-আক্রান্ত স্থান হতে কোষ নিয়ে বায়োপসি, সিটিস্ক্যান, টিউমার মারকার৷ তাছাড়াও এক্সরে, এন্ডোসকপি, আলট্রাসনোগ্রাফি বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার নির্ণয় করা সম্ভব৷ 
প্রথম পর্যায়ে ক্যান্সার নির্ণয় করা গেলে অথবা ক্যান্সার যদি শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে যেয়ে না থাকে তবে শরীরের নির্দিষ্ট ক্যান্সার আক্রান্ত অঙ্গ বা অংশ অপারেশনের মাধ্যমে কেটে বাদ দিয়ে ক্যান্সার নির্মূল করা সম্ভব৷ তাছাড়াও কেমোথেরাপি এবং রেডিও থেরাপির মাধ্যমেও ক্যান্সারের চিকিত্‌সা দেয়া হয়ে থাকে৷ বর্তমানে আমাদের দেশেও ক্যান্সারের সুচিকিত্‌সা হয়৷

ক্যান্সার এড়াতে কিছু পরামর্শ :-
  • মুখের ক্যান্সার এড়াতে পান, দোক্তা, জর্দা, সুপারি, পান-মশলা খাওয়া বন্ধ করতে হবে৷
  • মুখে লাল বা সাদা ঘা, ক্ষত জাতীয় ঘা বেশি দিন ধরে থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহন করতে হবে৷ এক্ষেত্রে দেরি করা একদম চলবে না৷
  • ধূমপান থেকে মুখ, গলা, খাদ্যনালী, পাকস্থলী, শ্বাসনালী এবং ফুসফুসের ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেক গুন বেড়ে যায়৷ সুতরাং অবিলম্বে ধূমপান বন্ধ রুন৷
  • দীর্ঘদিন ধরে মদ্যপান করলে পাকস্থলী এবং অগ্নাশয়ের (প্যানক্রিয়াসের) ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷
  • শিশুদের বুকের দুধ যেসকল মহিলারা খাওয়ান না তাদের স্তন ক্যান্সার বেশি হয়৷
  • একটিও বাচ্চা নাই এরকম মহিলাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷
  • ফলমূল তরিতরকারি ইত্যাদি খেলে পাকস্থলীর ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমে৷
  • ভিটামিন সি যুক্ত খাবার স্তন এবং পাকস্থলীর ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমায়৷
সাধারণ কিছু ক্যান্সারসম্পর্কে নিচে দেওয়া হলো :-
  • ফুসফুস ক্যান্সার
  • স্তন ক্যান্সার
  • জরায়ু ক্যান্সার
  • পাকস্থলির ক্যান্সার
  • লিউকেমিয়া
  • প্রোস্টেট ক্যান্সার
  • ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায়
হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা:
টিউমারটি যখন বড় হয়ে যায় অথবা ক্যান্সারের পর্যায়ে চলে যায় তখন এলোপাথ ডাক্তারগণ এটাকে কেটে ফেলে দেয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প খুজেন না। কিন্তু তাতে সমস্যাটা আরো বেড়ে যায় এবং তারপর এলোপাথ ডাক্তারগণ আপনাকে সত্য কথাটা বলেন যে .......... অপারেশন করার পর এ ধরনের রোগী বেশি দিন বাঁচে না। কারণ তখন ফুসফুস বলেন , জরায়ু বলেন ,পাকস্থলির বলেন আর প্রোস্টেট ক্যান্সার বলেন সব ক্ষেত্রেই ক্ষতটা বাড়তে থাকে। 

অথচ ক্যান্সার/টিউমার এর সর্বাধুনিক, সবচেয়ে কার্যকর এবং সর্বাধিক সাফল্যমন্ডিত চিকিত্সা দিয়ে থাকে হোমিওপ্যাথি। তাই যেখানে হোমিওপ্যাথি কোন প্রকার অপারেশন এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ক্যান্সার এবং টিউমারকে পুরোপুরি নির্মূল করতে সক্ষম সেখানে অপারেশন করতে যাওয়াটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত বিবেচনা করবেন।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

আমরা প্রায় সবাই ক্যান্সার শব্দটি শোনার সাথে সাথে আতঙ্কিত হয়ে উঠি এবং নিশ্চিত মৃত্যু বলে মনে করে থাকি। আপনারা অনেকেই হয়তো জানেননা যে, স্তন ক্যান্সারে নারীদের মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। ঘাতক ব্যাধি গুলোর মধ্যে স্তন ক্যান্সার বেশি মারাত্মক ও ভয়াবহ। ক্যান্সারজনিত কারণে সারা বিশ্বে স্তন ক্যান্সারের স্থান দ্বিতীয়। আর নবজাতকের সুস্থতা বেশির ভাগ নির্ভর করে মায়ের সুস্থতার ওপর। কথায় বলে, শিশুর হাসি মায়ের খুশি। শিশুদের সুস্থতার লক্ষণ সব সময় হাসিখুশি থাকা। আর এই সুন্দর হাসিটির কারণে যখন শিশুর ঝকঝকে ছোট ছোট সাদা একরাশ দাঁত দেখা যায়, তখন সবার চোখে শিশুর অনাবিল সৌন্দর্যভরা হাসিমাখা মুখ দেখে মুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি হয় পরিবারে।
শিশুর এ নির্মম হাসির জন্য তার সুস্থতা নিশ্চিত করা মায়ের দায়িত্ব ও কর্তব্য। বিশেষ করে শিশুর শরীরের যথাযথ পুষ্টির জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই; কিন্তু যদি মায়ের স্তনে প্রদত্ত শিশুর জন্য মহান আল্লাহর সেই মহাদান ও নেয়ামত কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হলে, তখন শিশুর দুর্ভোগের অন্ত থাকে না। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা বা সমস্যা হচ্ছে ব্রেস্ট টিউমার ও স্তন ক্যান্সার। গবেষণা করে ব্রেস্ট ক্যান্সারের মূল কারণ ও রহস্য আবিষ্কার করতে কোনো চিকিৎসক ও গবেষক সক্ষম হননি। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন আসল কারণ চিহ্নিত করতে।

ইদানীং সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ব্রেস্ট টিউমার ও স্তন ক্যান্সারের রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আমাদের দেশের মা-বোনদের ভাবিয়ে তুলছে। ভারত ও উপমহাদেশে প্রতি বছর ৮০ থেকে এক লাখ মহিলা ব্রেস্ট টিউমার ও স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং মৃত্যুবরণ করেন।

যথাসময়ে রোগ নির্ণয় করতে পারলে আধুনিক হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে স্তন ক্যান্সারকে অনেক ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ আয়ত্তের মধ্যে আনা সম্ভব। সাধারণত এ রোগ চল্লিশার্ধে মহিলাদের বেশি দেখা যায়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে পুরুষেরও এ সমস্যা দেখা যায়। নিঃসন্তান মহিলা বা যে মহিলারা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ান না বা খাওয়াতে অক্ষম তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সাধারণের তুলনায় অনেক বেশি। এ ছাড়া অল্প বয়সে মিন্সট্রেশন হওয়া, বেশি বয়সে মেনোপজে গেলে, ধূমপান করলে, শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমলেও স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কথা এখন সর্বজনস্বীকৃত যে, ব্রেস্ট ক্যান্সারের একটা জেনেটিক ভিত্তি আছে। পরিবারের কোনো মহিলা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে তাদের মা, বোন অথবা মেয়ের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৩০-৪০ শতাংশ বেড়ে যায়। এ পর্যন্ত আটটি ব্রেস্ট ক্যান্সারের জিন আবিষ্কৃত হয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য BRCA-1 & BRCA-2

স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার কী?
স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার এক ধরনের ঘাতক ব্যাধি, যা মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। স্তন বা ব্রেস্টের সেল বা টিস্যুর স্বাভাবিক অবস্থার বিকৃতি ঘটিয়ে দেয়াকে ক্যান্সার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ :
স্তন ক্যান্সারের রোগীরা সাধারণত বুকে চাকা অথবা গাটের মতো অনুভব করেন। অনেক ক্ষেত্রে নিপল থেকে লাল রঙের রস অথবা রক্ত জাতীয় পদার্থ বের হয়। এ জাতীয় সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন অনেক মহিলা। স্তনের ওপরের চামড়ার রঙ ও নিপলের আকার পরিবর্তন, স্তনের চামড়া কমলালেবুর মতো কুঁচকে যায়। অনেক মহিলা স্তনে বা ব্রেস্টে এই উপসর্গগুলো অনুভব করেন; কিন্তু ভয়ে ও লজ্জায় চিকিৎসকের কাছে যান না, তাদের ক্ষেত্রে বগলের নিচে চাকা বা স্তনের ওপরের চামড়ায় কোঁচকানো লক্ষ করা যায়। এ ক্ষেত্রে বুঝে নিতে হয় যে, রোগটা অনেক দূর এগিয়েছে। এ কথা অনস্বীকার্য যে, প্রাথমিক অবস্থায় স্তন টিউমার ও ক্যান্সার ধরা পড়লে ৮০-৮৫ শতাংশ রোগীকে চিকিৎসার মাধ্যমে আরোগ্য করা সম্ভব।

কখন নিজেকে পরীক্ষা করবেন?
স্তন ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয়ের জন্য একটি কার্যকর পদ্ধতি হলো নিজের স্তন নিজে পরীক্ষা করা (Breast Self Examination) আর টিউমার ও ক্যান্সার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ে এবং রোগীর চিকিৎসায় আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়। আমাদের দেশের চল্লিশোর্ধ মহিলারা বেশি সমস্যায় পড়েন, বিশেষত যাদের পরিবারে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী আছে, তাদের উচিত নিয়মিত Mammogram করানো। যার ফলে ব্রেস্টে গাট হওয়ার অনেক আগেই ক্যান্সার নির্ণয় করে চিকিৎসা করা প্রয়োজন। বলা বাহুল্য, এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসায় রোগী আরোগ্য লাভ করে। নিজেকে পরীক্ষা করার আগে যেটা মনে রাখতে হবে, মাসিক বা ঋতুচক্রের সময়ে স্তনের গঠন ও আকৃতির পরিবর্তন হয়ে থাকে। যাদের মাসিক বা ঋতুচক্র নিয়মিত তাদের ক্ষেত্রে ঋতুস্রাবের কয়েক দিন আগে বুকের বিভিন্ন অংশে বিশেষ করে বগলের কাছে সামান্য ফোলা ও ব্যথা অনুভব হয়।

কিভাবে স্তন পরীক্ষা করবেন?
  • যেসব মহিলার বয়স ২০-৩০ তারা প্রতি মাসে একবার মাসিক বা ঋতুস্রাবের এক সপ্তাহ পরে, সাধারণত গোছল করার সময় বা পোশাক পরিধান করার সময় এই পরীক্ষা করা বাঞ্ছনীয়। যাদের বয়স ৪০-৫০ বছর তারা প্রতি তিন বছর পর চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করবেন স্তনে কোনো অসামঞ্জস্য দেখা দিলে।
  • আয়নার সামনে দুই পাশে হাত রেখে দাঁড়ান। দুই দিকের স্তনের মধ্যে কোনো অসামঞ্জস্য আছে কি না খেয়াল করুন। এবার দুই হাত ওপরে তুলুন-মাথার দুই পাশে রাখুন। দেখুন দুই দিকে কোনো অসামঞ্জস্য আছে কি না?
  • হাতের চেটো দিয়ে প্রথমে এক দিকের স্তন ও পরে অন্য দিকের স্তন পরীক্ষা করুন। কোনো প্রকার চাকা বা ফোলা আছে কি না খেয়াল করুন।
  • এবার দেখুন নিপলের কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না? যদি দেখা যায় একটি নিপল ভেতরের দিকে ঢুকে যাচ্ছে বা নিপলের চার পাশে কোনো ফুসকুড়ি বা ঘা খেয়াল করা যাচ্ছে তাহলে সত্ত্বর চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
  • স্তনের বোঁটা বা নিপল থেকে কোনো প্রকার রক্ত বা রসজাতীয় পদার্থ বের হচ্ছে এমন খেয়াল করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সহজেই স্তনে চাকা বা গুটলি বা বহুমূলে স্তন ব্যথা অনুভব হয়।

ল্যাবরেটরির পরীক্ষা :
মেমোগ্রাফি, এমআরআই, গজ ও আলট্রাসনোগ্রাফি, বায়োএফসি, লিম্ফনোডস বায়োএফসি, ক্যান্সার মারকার ইত্যাদি পরীক্ষার দরকার হতে পারে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:
যদিও বলা হয় স্তন ক্যান্সার বংশগত বা পারিবারিক ইতিহাস ও জিনের প্রভাব থেকে রোগীকে মুক্ত করা সম্ভব নয়। বংশগত কারণ ছাড়াও স্তন টিউমার ও ক্যান্সার আক্রান্ত হতে পারে তবে ভালো পুষ্টিকর খাদ্য এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব। অনেক রোগী অপারেশন করেও আশানুরূপ ফল পাননি। এমনো রোগী আছেন যারা দুই-তিনবার অপারেশন করার পর আবার তাদের ব্রেস্ট টিউমার বা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। ভুক্তভোগীদের মনে রাখতে হবে অপারেশন করে কেটে বাদ দিলেই রোগ চলে যায় না। অনেকে মনে করে কেটে বাদ দিলে রোগ চলে যাবে। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল, কারণ পয়জন আক্রমণ করে ব্যক্তির শরীরে, রক্ত ও মাংসের মধ্যে। পয়জন দূর করতে হলে মেডিসিনের বিকল্প নেই। অপারেশন ছাড়া হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে ব্রেস্ট টিউমার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্তকে সুন্দরভাবে আরোগ্য করা সম্ভব। লক্ষণসাদৃশ্য সঠিক ওষুধ নির্বাচন করা হলে সহজে আরোগ্য সম্ভব। রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা, রোগের কারণ, দুঃখ-কষ্ট, মানসিক চাপ বিবেচনা করে ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত