Showing posts with label ডায়াবেটিস. Show all posts
Showing posts with label ডায়াবেটিস. Show all posts

Sunday, January 28, 2018

যে লক্ষণগুলি দেখলে বুঝবেন আপনি ডায়বেটিসে আক্রান্ত

ডায়বেটিস থেকে জন্ম নিতে পারে অন্য নানা ধরনের রোগ। কাজেই এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝতে পারবেন যে আপনি ডায়বেটিসে আক্রান্ত? পৃথিবীতে ডায়েবেটিস রোগীর সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। ডায়বেটিস টাইপ টু-ই বিভিন্ন ধরনের ডায়বেটিসের মধ্যে সবথেকে বেশি ছড়িয়ে পড়ছে। ডায়বেটিস থেকে জন্ম নিতে পারে অন্য নানা ধরনের রোগ।

কাজেই এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝতে পারবেন যে আপনি ডায়বেটিসে আক্রান্ত? জার্নাল অফ ডায়বেটিসে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে ডাক্তার জাখারি ব্লুমগার্ডেন আর গুয়াং নিংগ এই প্রশ্নের উত্তরে জানাচ্ছেন ডায়বেটিসের উপসর্গগুলির কথা। আসুন, আমরাও জেনে নিই-
যে লক্ষণগুলি দেখলে বুঝবেন আপনি ডায়বেটিসে আক্রান্ত
১. অতিরিক্ত খিদে বোধঃ যখন রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পায়, তখন শরীরকে সচল রাখার জন্য অতিরিক্তি খাদ্যের প্রয়োজন প্রয়োজন হয়। ফলে খিদেও পায় বেশি পরিমাণে।

২. ক্লান্তি বোধঃ ব্লাড সুগার বেড়ে গেলে শরীর ক্লান্ত হয় তা়ড়াতাড়ি।

৩. ঘন ঘন টয়লেটে যাওয়া কিংবা গলা শুকিয়ে যাওয়াঃ শরীরকে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কিডনিকে বেশি খাটতে হয়। ফলে স্বাভাবিকের তুলনায় ঘন ঘন মূত্রত্যাগ করার প্রয়োজন বোধ হয়। একই সঙ্গে এই ক্ষতিপূরণ করার জন্য জলও বেশি খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

৪. চামড়া শুকিয়ে যাওয়া এবং চুলকানি দেখা দেওয়াঃ রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিকভাবে না হওয়ার কারণে ত্বক শুকিয়ে যায় দ্রুত এবং শুষ্কতার কারণেই ত্বকে চুলকানির অনুভূতি হয়।

৫. দৃষ্টি অস্পষ্ট হয়ে আসাঃ দীর্ঘদিন হাই ব্লাড সুগার থাকলে চোখের দৃষ্টি অস্পষ্ট হয়ে আসে।

৬. কোনও ঘা বা ক্ষত সারতে সময় নেওয়াঃ ব্লাড সুগার বৃদ্ধি পেলে রক্তসঞ্চালনের স্বাভাবিকতা ব্যাহত হয়। তার ফলে শরীরে কোনও ঘা বা ক্ষত দেখা দিলে তা চট করে সারতে চায় না।

৭. ফাংগাল ইনফেকশনঃ ব্লাড সুগার বৃদ্ধি পেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। পরিণামে শরীরে বাসা ফাংগাস বা ইস্ট ঘটিত ইনফেকশন বাসা বাঁধার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।.
বিস্তারিত

Saturday, December 30, 2017

রোজ ডাল খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে

আপনার বাড়িতে কি রোজ ডাল রান্না হয়? তা হলে আপনার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মসুর, ছোলা, মটর ও বিনস জাতীয় ডাল রোজ খেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

বিভিন্ন প্রকার বি ভিটামিন থাকার পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম থাকে ডালে। এ ছাড়াও ডালে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইবার থাকার কারণে ডাল লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খাবার। অর্থাত্, ডাল খাওয়ার পর রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ার গতি কমে যায়। ফলে সপ্তাহে এক দিন ডাল খেলেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যেতে পারে ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত। স্পেনের রোভিরা ই ভারগিলি ইউনিভার্সিটির গবেষক নিরা বেকেরা-টমাস জানাচ্ছেন- প্রতি দিন ব্রেড, ভাত, আলু ও ডিম মিলিয়ে যে পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন খাওয়া হয়, তা অর্ধেক কমিয়ে দিয়ে সেই পরিমাণ ডাল খেলেও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।
রোজ ডাল খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে
২০১৫ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ৪০ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এই সমস্ত গুণের কারণেই ডাল খাওয়ার ব্যাপারে সচেতনতা গড়ে তুলতে দ্য ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন ২০১৬ সালকে আন্তর্জাতিক ডাল বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করে।

ক্লিনিকাল নিউট্রিশন জার্নালে প্রকাশিত হয়ে এই গবেষণা রিপোর্ট। ৩,২৪৯ জনের উপর পরীক্ষা চালিয়ে এই রিপোর্ট তৈরি করেছেন গবেষকরা।
বিস্তারিত

Wednesday, December 27, 2017

৩৭ শতাংশ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় ডিম - জানেন কি ?

আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত এক রিপোর্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, যারা সপ্তাহে মোটে একটা ডিম খান, তাদের তুলনায় যারা সপ্তাহে অন্তত চারটা ডিম খান, তাদের টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৩৭ শতাংশ কমে যায়।

ইস্টার্ন ফিনল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা গত ১৯৮৪-১৯৮৯ এই পাঁচ বছর ২,৩৩২ জন ব্যক্তির খাদ্যাভ্যাসের ওপর গবেষণা পরিচালনা করেন। এদের বয়স ৪২ থেকে ৬০-এর মধ্যে। প্রায় ১৯ বছর পর দেখা যায়, তাদের মধ্যে ৪৩২ জন টাইপ-টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন।
৩৭ শতাংশ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় ডিম - জানেন কি ?
ওই গবেষণাতেই জানা যায়, রক্তে শর্করার পরিমাণের কম-বেশির ওপর ডিমের একটা ভালোরকম প্রভাব রয়েছে। দেখা গিয়েছ, যারা সপ্তাহে অন্তত চারটা করে ডিম খেয়েছেন, তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত।

গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, কোলেস্টেরল ছাড়াও ডিমে বেশ কিছু পুষ্টিকর উপাদান থাকে। যা শর্করার বিপাকে সহায়তা করে, যে কারণে টাইপ-টু ডায়াবেটিসের প্রবণতা কমে।
বিস্তারিত

Thursday, August 21, 2014

কর্মক্ষেত্রে দুশ্চিন্তা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় - জানেন কি ?

অতি সম্প্রতি জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল হেল্থের এক গবেষণায় দেখা গেছে, চাকরি এবং কর্মক্ষেত্রে যারা বেশি দুশ্চিন্তায় ভুগছেন, তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় বেশি। তাই এ বিষয়ে আমাদের সকলেরই সতর্ক থাকা উচিত।

যারা কর্মক্ষেত্রে চাপে থাকেন এবং চাকরি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তাদের টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় ৪৫ শতাংশ বেশি বলে জানা গেছে।
কর্মক্ষেত্রে দুশ্চিন্তা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল হেল্থের অধ্যাপক কারেল হেঞ্জ লাডোউইগ বলেন, "গুরুতর মানসিক চাপের কারণে শরীরের উপর প্রভাব পড়ে। আর এ থেকে ডায়াবেটিসের মতো নানান ধরনের রোগ হতে পারে। এগুলো থেকে রক্ষার উপায় জানতেই এই জরিপ চালানো হয়।"

উপাত্ত থেকে জানা যায়, পাঁচ জনের মধ্যে একজন চাকরিজীবী গুরুতর মানসিক চাপে ভুগে থাকেন। এই গবেষণা চালাতে ২৯ থেকে ৬৬ বয়ষ্ক প্রায় ৫ হাজার ৩শ’ জনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণার শুরুতে এদের ডায়াবেটিস ছিল না। প্রায় ১৩ বছর পর্যবেক্ষণের পর দেখা যায় এদের মধ্যে তিন’শ জন টাইপ টু ডায়বেটিসে ভুগছেন। কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপের কারণে ডায়বেটিসসহ স্থুলতা এবং এ ধরনের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।
বিস্তারিত

Tuesday, July 22, 2014

ডায়াবেটিস রােগীদের রোজার সময় কি করা উচিত ?

আপনারা হয়ত খেয়াল করে থাকবেন, ডায়াবেটিস আক্রান্তদের রোজা রাখা নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে রমজান মাস জুড়েই। অনেকে বলেন, রোজা রাখলে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের তেমন সমস্যা হয় না। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ইতিবাচক হিসেবেই কাজ করে। বিপরীত মতও আছে। তবে সব কিছুই নির্ভর করে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর। সবার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি এক রকম নয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মুসলমানদের চিকিৎসকের মতামত নিয়ে রোজা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন ভারতের বিশেষজ্ঞরা।
মুম্বাইয়ের কেজিএন ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ডোক্রাইনোলজি সেন্টারের শেলা শাইখ বলেন, রোজাদারকে দীর্ঘ বিরতি দিয়ে প্রধান দু’বার খাবার গ্রহণ করতে হয়। এতে বিপাক ক্রিয়ার ধরনে পরিবর্তন আসে। এ কারণে ডায়াবেটিক রোগীদের চিকিৎসা পরিকল্পনায়ও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডায়াবেটিক রোগীদের অতিমাত্রায় প্রক্রিয়াজাত করা এবং অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষ করে ইফতারির সময় এ ধরনের খাবার তাদের গ্রহণ করা উচিত নয়। হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে অর্থাৎ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যেতে থাকলে রোজা ছেড়ে দিতে হবে। কারণ গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া এবং সংজ্ঞা হারানোর আশঙ্কা থাকে।

আবার কারও ক্ষেত্রে হাইপোগ্লাইসেমিয়া অর্থাৎ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।হায়দরাবাদের মেডইউন হাসপাতালের ড. কেডি মোদি বলেন, রোজা রাখার সময় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ও তার স্বজনদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।কোনো জটিলতা দেখা দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রোজা ছেড়ে দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি    *********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত