Showing posts with label পুরুষের স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label পুরুষের স্বাস্থ্য. Show all posts

Thursday, July 17, 2014

পুরুষের যৌন সমস্যা এবং হোমিওপ্যাথিক সমাধান

জীবনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিটি মানুষের যৌবন মানুষের জীবনে আসে। এই সময়টাই মানুষের জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান সময়। এই সময়ে নারী ও পুরুষের দেহ-মনে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এসময় একই সাথে নারী ও পুরুষদের নানা ধরনের শারীরিক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়। যা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে।

মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষদেরও নানা ধরনের যৌন সমস্যা রয়েছে। যেমন – প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশেন (সহবাসে স্থায়িত্বের অভাব), ইরেকশন ফেইলিউর (পুরুষাঙ্গের উত্থানে দুর্বলতা), পেনিট্রেশন ফেইলিউর (যৌনাঙ্গ ছেদনে অক্ষমতা) প্রভৃতি। ডাক্তারী বিজ্ঞানমতে, পুরুষদের এসব সমস্যার জন্য যেসব বিষয়কে দায়ী করা হয় সেগুলো হলো:
  • প্রয়োজনীয় যৌন শিক্ষার অভাব 
  • যার সাথে সহবাসে মিলিত হওয়া সেই মানুষটির সাথে বয়সের পার্থক্য 
  • সহবাসকারী পার্টনারকে অপছন্দ (যেমন: দেহের ত্বক, মুখশ্রী, দেহ সৌষ্ঠব প্রভৃতি) 
  • অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ 
  • ডায়াবেটিস 
  • যৌনরোগ বা এইডস ভীতি 
  • সিফিলিস 
  • নারীর ত্রুটিপূর্ণ যৌনাঙ্গ 
  • দেহে সেক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
আমাদের মধ্যে অনেকেই লজ্জায় এসব বিষয়ে কাউকে কিছু না বলে নিজের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। এ থেকে সমস্যা আরো মারাত্মক আকার ধারণ করে। তাই এসব সমস্যা নিজের মধ্যে লুকিয়ে না রেখে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ সেবনের মাধ্যমে এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ, ভিডিআরএল, টিপিএইচ, এইচবিএসএজি ও রক্তের হরমোন এনালাইসিস এর মাধ্যমে এথেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

এছাড়া আপনি চাইলে ঘরে বসেই এসব সমস্যা সমাধান করতে পারেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় হোম রেমেডি। তবে সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়। রোগের প্রাথমিক অবস্থায় হোম রেমেডি পদ্ধতি প্রয়োগ করে রোগটি কিছুটা উপকার পাওয়া গেলো সমস্যা পুরোপুরি দূর হয় না। অ্যালোপ্যাথরা অধিকাংশ সময়ই নানা উত্তেজক ঔষধ প্রয়োগ করে থাকেন তাতে তাত্ক্ষণিক একটা ফলাফল পাওয়া গেলেও কিছুদিন পর থেকেই তার বিরূপ প্রভাব দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সায় রোগের কারণটাকে একেবারে রুট লেভেল থেকে নির্মূল করে দেয় বিধায় তা আর পরবর্তিতে দেখা দেয় না। তাই এক্ষেত্রে সবচেয়ে ফলদায়ক চিকিত্সা হলো হোমিওপ্যাথি।
বিস্তারিত

অতিরিক্ত হস্তমৈথূন্য জনিত সমস্যা

হস্তমৈথুন মানে যৌন পরিতোষের জন্য পুরুষের লিঙ্গ অথবা নারী তার ভগাঙ্কুর ঘর্ষণ এবং স্তন স্পর্শ করে যৌন আনন্দ উপভোগ করা। এটা একটা স্বাভাবিক উপায় নারী-পুরুষের নিজস্ব অনুভুতি এক্সপ্লোর করার জন্য। হস্তমৈথুন নিজে নিজে অথবা দুটি মানুষের (পারস্পরিক হস্তমৈথুন) মধ্যে হতে পারে। অতিরিক্ত হস্তমৈথূন্য করার ফলে যেসব সমস্যার সৃষ্টি হয় - তার মধ্যে শক্তি হ্রাসসহ আরো রয়েছে নানাবিদ জটিল শারীরিক সমস্যা ।
 তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হল :-
  • শারীরিক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা।
  • যৌন ক্রিয়ায় সাথে জড়িত স্নায়তন্ত্র দুর্বল করে দেয় অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থতি সৃষ্টি করে।
  • শরীরের অন্য অঙ্গ যেমন হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে।
  • দৃষ্টি শক্তি দুর্বল করে দেয় এবং মাথা ব্যাথা সৃষ্টি করে।
  • হৃদকম্পনে দ্রুততা আসে।
  • ব্যক্তি কোনো কঠিন শারীরিক বা মানসিক কাজ এর অসমর্থ, তিনি সাধারণত নির্জনতায় থাকতে চেষ্টা করে এবং তার জ্ঞান বৈকল্য হয়।
  • কেউ কেউ হয়তো তোতলানো এবং কানে কম শোনা রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
  • দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারন অতিরিক্ত হস্তমৈথুন্য।
  • হস্তমৈথূন পুরুষাঙ্গে ছিদ্র সৃষ্টি করতে পারে।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :-
হস্তমৈথূন্য অভ্যাস এমন একটি সমস্যা যে কেউ একবার আক্রান্ত হলে চিকিৎসা ব্যতীত এটি ত্যাগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অ্যালোপ্যাথিতে এর কোন প্রকার কার্যকর চিকিৎসা ডাক্তারগণ এখন পর্যন্ত দিয়ে সাফল্য দেখাতে পারেন নাই। অথচ মাত্র ৭-১৫ দিনের মধ্যেই যৌন শক্তির কোন প্রকার হেরফের না করেই হোমিওপ্যাথরা হস্তমৈথূন্য অভ্যাস পুরোপুরি দূর করে ফেলেন। তাই কেউ এ অভ্যাসে অব্ভস্থ হয়ে থাকলে কোন প্রকার সংকোচ না করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করে অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

মূত্রনালির ক্যানসার ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

এই ক্যানসারটি সাধারণত মূত্রনালিতে সংক্রামনিত হয়ে থাকে। এর ফলে মূত্রনালি প্রস্রাব নির্গমন করে এবং পুরুষের ক্ষেত্রে শুক্রাণুও বহন করে।যা পুরুষাঙ্গের মধ্যে এবং মেয়েদের যৌনাঙ্গের সামনে অবস্থিত থাকে।এর ফলে মূত্রনালির ক্যানসার কদাচিৎ দেখা যায়। অনেক সময় মূত্রথলির ক্যানসারের সঙ্গে হয়ে থাকে। বেশির ভাগ সময় স্থানীয় জায়গায় বিস্তৃত অবস্থায় ধরা পড়ে।
মূত্রনালির ক্যানসারের প্রাথমিক কোনো কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক ঝুঁকিপূর্ণ বস্তুর মধ্যে মূত্রথলির ক্যানসার, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস এবং যৌনরোগীদের এ রোগ হওয়ার প্রবণতা থাকে। এছাড়া ষাটোর্ধ্ব বয়সে বহুদিন ধরে মূত্রনালির প্রদাহ এবং ধূমপানের কারণে হতে পারে।

মূত্রনালির ক্যানসার লক্ষণগুলো :-
প্রাথমিক অবস্থায় কোনো লক্ষণ এখনো ধরা পরেনি। তবে এর বিকাশের ফলে কিছু লক্ষণ দেখা যায়।
  • প্রস্রাব করতে কষ্ট হওয়া,
  • রাত্রে ঘন ঘন মূত্রের বেগ হওয়া,
  • মূত্রনালি থেকে রক্ত ও রস ঝরা এবং ফুলে যাওয়া,
  • মূত্রের মধ্যে রক্ত যাওয়া ও
  • প্রস্রাব অজান্তে ঝরে যাওয়া।
মূত্রনালির ক্যানসার চিকিৎসা :-
প্রথমত এর চিকিৎসা রোগের অবস্থানের উপর নির্ভর করে। এছাড়াও এই রোগের চিকিৎসার জন্য রোগীর বয়স, লিঙ্গ, রোগের বিস্তৃতির ওপর অনেকটা নির্ভরশীল। তবে এই রোগের জন্য যেসব চিকিৎসাগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে সার্জারি, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি অন্যতম। এর মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরশীল চিকিৎসা সার্জারি এবং অগ্রবর্তী রোগীদের কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :-
নির্ভয়ে যে কেউ এ রোগে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন। তবে যেকোন প্রকার ক্যানসার চিকিৎসায় কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি গ্রহণ করার পূর্বেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাটা নিতে হবে কারণ কেমোথেরাপি নেয়ার পর কোন হোমিও ঔষধই আর কাজ করে না।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত