Showing posts with label বাতজ্বর. Show all posts
Showing posts with label বাতজ্বর. Show all posts

Wednesday, July 16, 2014

রিউমাটিক ফিভার (বাতজ্বর) ভালো হয় মাত্র ৩ মাসে

আমরা কম বেশি সবাই বাতজ্বর শব্দটার সাথে পরিচিত। সাধারণত ৫ থেকে ১৫ বছরের শিশুদেরই বাতজ্বর বা রিউম্যাটিক ফিভার বেশি হয়। বাতজ্বর থেকে পরে হৃদরোগসহ হার্টের প্রকোষ্ঠে সমস্যা হতে পারে। তাই এ রোগ হলে বাবা-মা কিছুটা চিন্তিত হয়ে পড়েন। অনেক সময় শিশুদের শরীরের গিঁটে ব্যথা হলে তা বাতজ্বর বলে ভাবা হয়। সেই সঙ্গে এ ধরনের উপসর্গে শিশুর রক্তে ইএসআর, এএসও টাইটার ইত্যাদি পরীক্ষা করা হয়। এএসও টাইটার একটু বেশি পেলেই অনেকেই বাতজ্বরের চিকিৎসা শুরু করে দেন। কিন্তু এ রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় জানা অত্যন্ত জরুরি
  • শুধু এএসও টাইটার বাড়লেই বাতজ্বর হয়েছে তা বলা যাবে না। 
  • স্ট্রেপটোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে টনসিল বা গলার প্রদাহ হলে রক্তে এএসও টাইটার বাড়বে। তাই এটি বাতজ্বরের কোনো নিশ্চিত ও একমাত্র প্রমাণ নয়। 
  • বাতজ্বরে গলা, পিঠ, হাত ও পায়ের ছোট ছোট জয়েন্ট আক্রান্ত হয় না। 
  • ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে হৃৎপিন্ডের প্রদাহ হয় না। 

মুখ্য উপসর্গ :-
  • অস্থিসন্ধির প্রদাহজনিত ব্যথা ও ফুলে যাওয়া, যা একটি সন্ধি ভালো হয়ে গেলে অন্যটিকে আক্রমণ করে 
  • হৃৎপিন্ডের প্রদাহ বা কার্ডাইটিস 
  • ত্বকের নিচে গোটা, ত্বকের লালচে দাগ 
  • স্নায়ু জটিলতায় পেশির অস্বাভাবিক চলন 

গৌণ উপসর্গ :-
জ্বর, সন্ধিতে ব্যথা, ইসিজিতে বিশেষ পরিবর্তন, রক্তে ইএসআর বা সিআরপি বৃদ্ধি ইত্যাদি। দুটি মুখ্য অথবা একটি মুখ্য উপসর্গের সঙ্গে দুটি গৌণ উপসর্গ মিলে গেলে এবং এর সঙ্গে স্ট্রেপটোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রমাণিত হলেই শুধু বাতজ্বর হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। স্ট্রেপটোকক্কাস সংক্রমণ প্রমাণ করতে এএসও টাইটার করা হয়। তার মানে, এএসও টাইটার বাতজ্বরের প্রধানতম নির্দেশক নয়, একটি সহায়ক মাত্র।

সম্ভাব্য জটিলতা :-
যদি ঠিকমত রোগ নির্ণয় না হয় তাহলে ভবিষ্যতে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। হার্টের ভালভ নষ্ট হয়ে গিয়ে নানা উপসর্গ যেমন বুকে ব্যথা, এমনকি হার্ট ফেলও হতে পারে। অনেক সময় কিডনি আক্রান্ত হয়ে কিডনি ফেলও হয়। পরবর্তীকালে চলাচলজনিত সমস্যাও হতে পারে। হাত-পা এবং শরীর কাঁপতে থাকে। এই সমস্যাকে সিডেনহ্যাম কোরিয়া বলা হয়।

হোমিও চিকিৎসা :-
বাতজ্বরের আধুনিক এবং দ্রুত আরোগ্যকারী হোমিও ট্রিটমেন্ট রয়েছে। হোমিও চিকিৎসায় মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই বাতজ্বর সম্পূর্ণ নিরাময় হয়। আপনি শুনলে হয়ত অবাকই হবেন যেখানে অ্যালোপ্যাথরা দীর্ঘ ৫ বছর মেয়াদী খাবার ঔষধ অথবা তীব্র বেদনাদায়ক পেলিসিলিন ইনজেকশন নেয়ার ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথরা মাত্র ৩ ( তিন ) মাসের মধ্যেই বাতজ্বরকে পুরোপুরি নির্মূল করতে সক্ষম হন এবং তা আর দ্বিতীয় বার দেখা দেয় না। তাই বাতজ্বরের এত আধুনিক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন ও সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা থাকতে দীর্ঘ ৫ বছরের চিকিৎসা নেয়াটা বোকামি ছাড়া আর কিছুই না।
******** আধুনিক হোমিওপ্যাথি ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত