Showing posts with label মাইগ্রেন ও মাথাব্যথা. Show all posts
Showing posts with label মাইগ্রেন ও মাথাব্যথা. Show all posts

Friday, March 27, 2015

মাথাব্যথার জন্য দায়ী কয়েকটি খাবার থেকে সাবধান

আজকাল এই যান্ত্রিক যুগে মাথাব্যথার সমস্যায় প্রচুর মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। এর সঠিক কারণ না জেনেই নানা ওষুধপত্রের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয় অনেককেই। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে ড. ম্যানি অ্যালভারেজ ফক্স নিউজে প্রকাশ করেছেন মাথাব্যথা সমস্যার কারণ।

অনেকেই আঙ্গুর খাওয়ার পর মাথাব্যথায় আক্রান্ত হন। আঙ্গুরে রয়েছে ভিটামিন সি ও ফাইবার। আর এতে কম ক্যালরি থাকায় তা অনেক দিক দিয়েই ভালো। কিন্তু এতে রয়েছে টাইরামাইন নামে একটি উপাদান। এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক অ্যামাইনো এসিড, যা খাবারের প্রোটিন ভেঙে দেয়।
মাথাব্যথার জন্য দায়ী কয়েকটি খাবার থেকে সাবধান
আঙ্গুরের টাইরামাইন উপাদানটি রক্তচাপ বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে, যা অনেকের মাথাব্যথার কারণ হয়। আপনি যদি আঙ্গুর খাওয়ার পর মাথাব্যথায় আক্রান্ত হন তাহলে তা খাওয়া সীমিত করতে হবে।

আঙ্গুর এ ছাড়াও যেসব খাবার মাথাব্যথা তৈরি করতে পারে সেসব এড়িয়ে চলতে হবে। তবে মনে রাখবেন, এ খাবারগুলো থেকে যদি আপনার মাথাব্যথা না হয় তাহলে তা এড়িয়ে চলার প্রয়োজন নেই।

আঙ্গুর ছাড়াও এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে-
  • স্মোকড ও প্রক্রিয়াজাত মাংস
  • পুরনো পনির
  • লেবুজাতীয় ফল
  • গাঁজানো বাঁধাকপি
  • সয়াসস।
এ ছাড়াও রেড ওয়াইন, কিছু বিয়ার ও অ্যালকোহলযুক্ত খাবার ও পানীয় রয়েছে এ তালিকায়। আপনি যদি কোনো কারণে মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন কিন্তু কারণটি নির্ণয় করতে না পারেন তাহলে নিজের খাদ্যতালিকা নোট করে রাখুন। চিকিৎসকের কাছে গেলে সে নোটটি নিয়ে যান। তিনি খাবার দেখে তাতে কোনো মাথাব্যথা সৃষ্টিকারী বিষয় রয়েছে কি না, তা নির্ণয় করতে পারবেন। পাশাপাশি এটাও জেনে রাখা প্রয়োজন যে, খাবার ছাড়াও বহু কারণ রয়েছে মাথাব্যথার। তাই সমস্যা বেশি মনে হলে আপনার নিকটস্থ একজন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 
বিস্তারিত

Monday, August 25, 2014

মাথাব্যথা আর মাইগ্রেন এক জিনিস নয় - জানেন কি ?

আমরা অনেকেই মাথাব্যথাকে মাইগ্রেন বলে অভহিত করে থাকি। অথচ এ দু'য়ের মধ্যেও রয়েছে তফাৎ। বিভিন্ন কারণে মানুষের মাথাব্যথা হতে পারে যেমন:  বেশি কাজের চাপ, পানিশূন্যতা, তীব্রতর শব্দের মধ্যে বেশিক্ষণ অবস্থান করা, উদ্বেগ, উত্তেজনা, মহিলাদের পিরিয়ড ইত্যাদি। এগুলো কোনো একটির  কারণে যদি আপনার মাথাব্যথা হয় তাহলে তাকে মাইগ্রেন বলে ধরে নেবেন না। 
মাইগ্রেন কেন হয় :-
মাথাব্যথার বড় কারণ হচ্ছে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা। আর এই রক্ত সঞ্চালনের তারতম্যের কারণেই মাইগ্রেন হয়। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে গেলে চোখে অন্ধকার দেখা বা মাথা ঘোরা, ঝিমঝিম করা ইত্যাদি সমস্যা হয়। পরে রক্ত চলাচল হঠাৎ বেড়ে গেলে প্রচণ্ড মাথাব্যথার অনুভূতি তৈরি হয়। এটাই মাইগ্রেন। চকলেট, পনির, কফি ইত্যাদি বেশি খাওয়া, জন্মবিরতিকরণ ওষুধ, দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত ভ্রমণ, ব্যায়াম ইত্যাদির কারণে এ রোগ হতে পারে। 

মাইগ্রেনের লক্ষণসমূহ :-
মাথাব্যথা, বমি ভাব প্রধান লক্ষণ। তবে অতিরিক্ত হাই তোলা, মনোযোগ বিঘ্নিত হওয়া, বিরক্তি বোধ ইত্যাদি মাথাব্যথা শুরুর আগের উপসর্গ। ব্যথা মাথার যেকোনো অংশ থেকে শুরু হয়ে পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে। চোখের পেছনে ব্যথার অনুভূতি হতে পারে। শব্দ ও আলো বিরক্তির ‍উদ্রেক করে। অতিরিক্ত শব্দ ও আলোয় মাথাব্যথা বেড়েও যেতে পারে। 

আরো কিছু বিষয় :-
অন্ধকার দেখা, আলোর অনুভূতি(সরষে ফুল দেখা!), ২০ মিনিট স্থায়ী এসব উপসর্গের পর বমি ভাব এবং মাথাব্যথা শুরু হয়। তবে দৃষ্টির সমস্যা এক ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হলে এটি মাইগ্রেন নয়। যা করতে হবে মাইগ্রেন থাকলে 
  • নিয়মিত আট ঘণ্টা ঘুম দরকার। 
  • কফি, চকলেট, পনির, আইসক্রিম, মদ ইত্যাদি ছাড়তে হবে।
  •  বেশি সময় পেট খালি রাখবেন না। 
  • এ সমস্যা থাকলে মা বোনদের জন্মবিরতিকরণ ওষুধ সেবন বন্ধ করাই ভালো। 
  • অতিরিক্তি পরিশ্রম, মানসিক চাপ ও দীর্ঘ ভ্রমণ বর্জন করুন। 
তবে পানিশূন্যতা, কাজের চাপ, উচ্চ শব্দের মধ্যে কাজ করা, কম ঘুমানোর কারণেও মাথাব্যথা হয়। এটা কিন্তু মাইগ্রেন নয়। তাই মাথাব্যথা হলে প্রচুর পানি পান করুন, উচ্চশব্দ এড়িয়ে চলুন, নিয়মিত ঘুমান এবং অতিরিক্ত কাজ না করে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত গুছিয়ে কাজ করুন- তাহলেই এই সাধারণ মাথাব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে। আর যদি এতেও কাজ না হয় তাহলে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন এবং চিকিত্সা নিন।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

মাইগ্রেইনের তীব্র মাথাব্যথায় ভুগছেন ? এর নিয়ন্ত্রণে অভ্যাস বদলান

আপনার মানসিক চাপ, হরমোন পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, ধূমপানের নেশা, আশেপাশের তীব্র দুর্গন্ধ এবং এ ধরনের আরো বহুবিধ কারণে মাইগ্রেইনের মাথাব্যথা হতে পারে। আর মাইগ্রেইনের মাথাব্যথা কতোটা যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে, তা ভুক্তভোগী মাত্রই বোঝেন। নিচে মাইগ্রেইন নিয়ন্ত্রণের কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস দেয়া হলো:

হাঁটুন, ব্যায়াম করুন :- প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম বা শরীরচর্চার অভ্যাস আপনাকে সুস্থ-সবল রাখবে। সপ্তাহে ২ দিন বাদে বাকি দিনগুলো খালি-হাতে ব্যায়াম, যোগব্যায়াম করুন। তবে অতিরিক্ত ব্যায়াম ক্ষতিকর। তাতে হিতে-বিপরীত হতে পারে। প্রতিদিন ভোরে হাঁটুন। শারীরিকভাবে কর্মক্ষম থাকলে, মাইগ্রেইনের সমস্যা দূরে থাকবে।
মাইগ্রেইনের তীব্র মাথাব্যথায় ভুগছেন ? এর নিয়ন্ত্রণে অভ্যাস বদলান

মাইগ্রেইনের তীব্র মাথাব্যথা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ৭ টিপস

কোন বেলার খাবার বাদ দেবেন না :- পুষ্টির অভাবে মাথাব্যথা চরম আকার ধারণ করতে পারে। ব্যস্ত রুটিনের মধ্যে আপনার দিনটি কাটলেও, সারা দিন স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। সকালবেলার নাস্তাটা সময়মতো করুন। ৩ বেলার প্রধান খাবারের সময়টা ঠিক রাখুন। ভরপেট খেতে হবে এমন কথা নেই। পরিমাণমতো এবং পুষ্টিকর খাবার খান।

চা-কফি নয়, পানি পান করুন :- মাইগ্রেইনের মাথাব্যথার আরেকটি কারণ ‘ক্যাফেইন’। চা বা কফির পরিবর্তে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। আর চা-কফি যদি পান করতেই হয়, তবে দিনে ১-২ কাপের বেশি নয়।

বাইরে খাওয়া, কোমল পানীয় বাদ দিন :- তেলে ভাজা খাবার, হোটেলে খাওয়া ও বাইরের প্রক্রিয়াজাত ফাস্টফুড ও জাংক ফুড জাতীয় খাবার খাওয়া, বাইরে পানি পান পরিহার করুন। কোমল পানীয় পানের অভ্যাস থাকলেও, সেটা বাদের তালিকায় রাখুন।

ধূমপান থেকে দূরে থাকুন :- ধূমপানের বদভ্যাস থাকলে, তা আজই বাদ দিন। ধূমপানের নেশা থাকলে, আপনি মাইগ্রেইন থেকে কখনোই মুক্তি পাবেন না। তাই কাল নয়, আজই একেবারে ধূমপান ছাড়ুন এবং সুস্থ থাকুন।

পর্যাপ্ত ঘুমান :- প্রতিদিন রাতে সময়মতো ঘুমাতে যাওয়া ও ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। বিশেষজ্ঞরা সাধারণভাবে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। রাত জাগার অভ্যাসে মাইগ্রেইনের ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে থাকে। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় বিছানায় যান।

উজ্জ্বল আলো এড়িয়ে চলুন :- উজ্জ্বল যে কোন আলো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। উজ্জ্বল আলোতে সরাসরি কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলে, মাইগ্রেইনের তীব্র ব্যথা শুরু হতে পারে। বাইরে সূর্যের আলো বেশি থাকলে, সানগ্লাস পরে বের হওয়ার অভ্যাস করুন।
তবে পরিস্থিতি খুব খারাপ হলে অর্থাৎ অনেক দিন যাবৎ মাইগ্রেইনের তীব্র মাথাব্যথায় ভুগতে থাকলে আজই আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন এবং চিকিত্সা নিন। কারণ মাথাব্যথা, তার যে ধরনের লক্ষনই থাকুক না কেন তা হোমিও ঔষধের মাধ্যমে নির্মূল করে রোগীকে সহজেই চির আরোগ্য করে থাকেন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথরা ।
বিস্তারিত

Wednesday, August 20, 2014

খুব দ্রুত মাথা ব্যথা কমানোর কতিপয় থেরাপি

দৈনন্দিন জীবনে নানা কারণেই আমাদের মাথা ব্যাথা হতে পারে। যেমন অতিরিক্ত কাজের চাপ, হরমনের প্রভাব থেকে অনেকেরই মাথা ব্যাথা হতে দেখা যায়। মাথা ব্যাথা কমানোর জন্য আমরা ওষুধও খেয়ে থাকি, কিন্তু আপনি কি জানেন ? মাথাব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ওষুধের চেয়েও কিছু সহজ এবং কার্যকরী উপায় রয়েছে। আসুন সে গুলো জেনে নেই। 

লাল লবঙ্গ চা পান করুন :- লবঙ্গের ঔষধি গুন এতটাই বেশী যে লবঙ্গ দেয়া লাল চা সহজেই কমিয়ে ফেলে মাথা ব্যাথা। কাজের চাপে এক কাপ লাল চা আপনাকে আবারো চাঙ্গা করে তুলতে পারে।

আকুপ্রেশার থেরাপি :- এটি মাথা ব্যাথা কমানোর সবচাইতে পুরানো একটি পদ্ধতি। এটি মাথা ব্যাথা খুব সহজেই কয়ায়। ঘাড়ে ও মাথায় প্রেশার পয়েন্টে একুপ্রেশার থেরাপি ব্যভার করলে মাথা ব্যাথা কমে।
খুব দ্রুত মাথা ব্যথা কমানোর কতিপয় থেরাপি
বরফ থেরাপি :- এটি মাথা ব্যাথা কমানোর আক্ষরিক একটি পদ্ধতি। বরফের প্যাকেট মাথার উপর ধরলেও মাথা ব্যাথা কমে যায়।

ল্যাভেন্ডার শুকে :- এক গবেষণায় বলা হয় ল্যাভেন্ডারের তেল শুকলে মাথা ব্যাথা কমে যায়।

গান শুনুন :- গান থেরাপির মতে গান শুনলে মাথা ব্যাথা কমে।

গরম পানিতে গোসল :-  মাথা ব্যাথা কমাতে ওয়ার্ম শাওয়ার বা গরম পানিতে গোসল একটা উপকারী উপায়।

ধ্যান করুন :- ধ্যান বা মেডিটেশন কমাতে পারে আপনার মাথাব্যাথা। ঘরের এক কোনে চুপচাপ বসে চোখ বন্ধ করে গাড় শ্বাস নিলে মাথা ব্যাথা কমে যেতে পারে।

অনেক দিন যাবৎ যদি মাথা ব্যথায় ভুগতে থাকেন অর্থাৎ সমস্যাটা যদি ক্রনিক হয়ে থাকে তাহলে ভালো এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন, চিকিত্সা নিন। আশা করি ঠিক হয়ে যাবেন।
বিস্তারিত

Sunday, July 20, 2014

মাথাব্যাথা থেকে রক্ষা পেতে কি কি করবেন

জীবনে কোন না কোন সময় মাথা ব্যাথায় পড়েননি এমন লোক খুবই কম বা নেই বললেই চলে। কারণ মাথা থাকলে মাথা ব্যাথাও থাকবে এটা অস্বাভাবিক কিছু নয় । দিনের শুরুতে, কাজের সময় এমনকি রাতের ঘুমের সময় মাথা ধরে দিনটাই মাটি করে দিতে পারে। তাই মাথাব্যাথা থেকে কীভাবে দূরে থাকা যায় সে বিষয়ে কিছু পদ্ধতি আপনাদের জানাবো ।
কেউ কেউ মাথাব্যাথা আরম্ভ হলে ঘাড়ের পেছনে ঠান্ডা পানি বাবরফের টুকরা লাগাতে।এটা অনো সময় কাজ করে। অজু করুন। অজু করলে মাধা ও ঘাড় ঠান্ডা পানির স্পর্শে ব্যাধা উপশমে সাহায্য করবে।

পছন্দের গান শুনতে পারেন যা মনকে শান্ত করবে। ক্লাসিক্যাল মিউজিক যেমন রাগপ্রধান গান বাযন্ত্রসঙ্গীত শুনতে পারেন। তবে চোখকে বিশ্রাম দিন। চোখ বন্ধ করে উপভোগ করুন বিটোভেন, মোজার্টের মতো কম্পোসারের সৃষ্টিগুলো।

যোগব্যায়াম অনেক ভালো কাজে দেয় এ ব্যাপারে। যারা নিয়মিত যোগ ব্যায়ামের মাঝে থাকেন তারা ব্যাথায় আক্রান্ত হন কম। লম্বা করে গভীর শ্বাস নিন, আস্তে করে ছেড়ে দিন। পেট ফুলিয়ে শ্বাস নিন, ছেড়ে দিন। ধীরে ধীরে এমন শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে সাথে মন শান্ত হয়ে আসে, সাথে মাথাব্যাথাও কমতে থাকে। চাইনিজ পদ্ধতি আকুপ্রেশার বা আকুপাংচার করেন কেউ কেউ এটা অনেকের ক্ষেত্রে সাহায্য করে।

খাবার খেতে যারা অনিয়ম করে তাদের মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি হয়। প্রধান তিনবেলার আহার বাদ দেয়া ঠিক হবে না। পেটে ক্ষুধা নিয়ে কাজ করলে সহজেই মাথাব্যাথা হয়। খাবারে পাবেন কাজ করার শক্তি। শক্তি না পেলে মস্তিস্ক দুর্বল হয়ে ব্যাথার উদ্রেক করে। তাই খাবারে অবহেলা চলবে না।

হঠাৎ করে মাথাব্যাথা যদি ধরেই বসে সে ক্ষেত্রে নিম্নে পদ্ধতিটি অবলম্বন করতে পারেন-পুদিনা পাতার বহু গুণের মধ্যে একটি হলো মাথাব্যথা সারানো। টাটকা পুদিনা পাতা আঙুলে একটু চটকে নিয়ে নাকের কাছে ধরুন এবং জোরে জোরে শ্বাস টানুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাথাব্যথা কমে যাবে। তবে মাথাব্যাথা পুরাতন হলে আপনার নিকটস্থ হোমিওপ্যাথের সাথে আলোচনা করতে ভুলবেন না। 
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি    *********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

Friday, July 18, 2014

মাইগ্রেনের ব্যথা নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

মাথাব্যথায় ভোগেন অনেকেই। কারণটা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম। কেউ ভোগেন দুশ্চিন্তার কারণে, কেউবা মাইগ্রেনের কারণে। মাইগ্রেনের ব্যথা বুঝবেন কীভাবে, আর করবেনই বা কী? এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক মো. আবদুর রহিম জানান, মাইগ্রেনের ব্যথা সাধারণত মাথার যেকোনো এক দিকে, অর্থাৎ বাম বা ডান দিকে হয়। একই দিক থেকে আবার দুই দিক থেকেও হয়। কিছুদিন পরপর এ ব্যথা হয়। মাথাব্যথা শুরু হলে সঙ্গে বমির ভাব থাকতে পারে। এ ছাড়া আলোর দিকে তাকালে ব্যথা বাড়ে বলে রোগীর আলোর দিকে তাকাতে অনীহা থাকে। আর রোগী নির্জন স্থানে একা থাকতে পছন্দ করে।
কেন ব্যথা বেড়ে যায় :-
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়তে পারে। আবার অনেক সময় ঘুম কম হলে এটি হয়ে থাকে।

ব্যথা যখন শুরু হয় :-
মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হলে রোগী সাধারণত স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারে না। সে আলো ও শব্দ থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করে। তবে যাদের দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা, তারা লক্ষণ বোঝার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে পারে। এতে ব্যথা কমে যাবে শুরুতেই।

জটিলতার আশঙ্কা আছে কি ?
মাইগ্রেন থেকে সাধারণত তেমন কোনো জটিলতা হয় না। অনেক সময় শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যেতে পারে। তবে এমন হওয়ার আশঙ্কা নেই বললেই চলে। তাই এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।
প্রতিরোধের উপায় :-
যেকোনো ধরনের মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকতে চেষ্টা করুন। দূরে থাকুন দুশ্চিন্তা থেকে। কোনো কারণে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো দুশ্চিন্তা কমানোর ওষুধ সেবন করতে পারেন। কেউ যদি মাইগ্রেনের ব্যথায় ভোগেন, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :-
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে মাইগ্রেনের ব্যথা নিরাময়ের হাজার হাজর রেকর্ড রয়েছে। ব্যথা মাথার যেকোনো দিকে, অর্থাৎ বাম বা ডান দিকে বা অন্য যে রকমই হোক না কেন রোগীর প্রকৃত লক্ষণগুলো বুঝে সঠিক ঔষধটি প্রয়োগ করলে মাইগ্রেনের সমস্যা চিরতরে দূর হয়ে যায়।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত