Showing posts with label যৌন স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label যৌন স্বাস্থ্য. Show all posts

Sunday, November 9, 2014

পুরুষ ও স্ত্রীলোকদের কামোন্মাদনা (Nymphomania) - কারণ, লক্ষণ, চিকিত্সা

যৌন বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করার সময় আমরা দেখেছি স্ত্রীলোকের কামোন্মাদনার (Nymphomania) সমস্যাটিকেও অনেক যৌন বিশেষজ্ঞ বেশ গুরুত্বের সাথেই তুলে ধরেছেন। তবে এটি পুরুষদের মধ্যেও দেখা যায়। আধুনিক যৌন বিজ্ঞান ইহাকে একটি বিশেষ রোগ বলে চিহ্নিত করেছে। বাস্তবিকও তাই। "আধুনিক হোমিওপ্যাথি ঢাকা" তে বেশ কয়েকজন রোগিনীকে সফল হোমিও চিকিত্সা দিয়ে আমরা আরোগ্যও করছি। 

কিন্তু একটি বিষয় লিক্ষনীয় যে, এই রোগটির প্রতি অনেক ডাক্তারই ততটা মনোযোগ দেন না। দেশের প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথ এবং "আধুনিক হোমিওপ্যাথি ঢাকা" এর চিকিৎসক ডাক্তার হাসান তার কেইস স্টাডিতে বলেন, স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে সমস্যাটির পেছনে রোগিনীর বেশ কিছু শারীরিক কারণও বিদ্যমান থাকে। তাই সেদিকে যথাযথ দৃষ্টি রেখে রোগিনীর চিকিৎসা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন - প্রপার ট্রিটমেন্ট করা না হলে এর ফলে কিছু দূরারোগ্য ব্যাধিরও সৃষ্টি হতে পারে।
এবার আসুন বিষয়টির বিস্তারিত বিশ্লেষণে যাই। আমরা অনেক নারী ও পুরুষদেরকেই এই রোগটির কারণে খারাপ বলে অবহিত করে থাকি। অথচ প্রকৃত কারণটি খুঁজে দেখি না। দুর্নিবার কাম প্রবৃত্তি চরিতার্থ করার জন্য মান মর্যাদা, লজ্জা ও ভয় পরিত্যাগ করে থাকে এবং ন্যায় অন্যায়, ভালো মন্দ বিচার করার ক্ষমতা যখন থাকে না তখন তাকেই কামোন্মাদনা বা Nymphomania বলা হয়ে থাকে। তবে এতে স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়ই আক্রান্ত হতে পারে।

সর্বদা অশ্লীল বা কামোদ্দীপক চিন্তা বা কল্পনা, অশ্লীল পুস্তকাদি পাঠ, ভোগ বিলাসিতা, আলস্য, জনন ইন্দ্রিয়ের বিকৃতি, নারী জননঅঙ্গে ইনফেকশন প্রভৃতি কারণে এই রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানসিক কারণও এর পেছনে কাজ করে। যার কারণে অনেক যৌন বিজ্ঞানী ইহাকে এক প্রকার মানসিক রোগ বলেও অবহিত করে থাকেন। এ বিষয়ে তারা যে যুক্তি উপস্থাপন করেন তা হল - এর ফলে মনের উপর অত্যন্ত খারাপ প্রভাব সৃষ্টি হয় এবং তা  মানসিক চিন্তাকে বিঘ্নিত করে থাকে। এতে অতিশয় কামেচ্ছার সৃষ্টি হয় এবং তা চরিতার্থ করার জন্য ব্যক্তির বুদ্ধি বিবেচনা শক্তি একেবারে লোপ পায়।

শুধু তাই নয় এর ফলে কতগুলি খারাপ লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে যেমন - উলঙ্গ হওয়া, হস্তমৈথুন করা, অশ্লীল ইসারা করা, সর্বদাই মনে মনে কামভাব পোষণ করা ইত্যাদি। এই জাতীয় ব্যাধির যথাযথ চিকিত্সা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। কেউ এতে আক্রান্ত হয়ে থাকলে কোন প্রকার সংকোচ না করে অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের শ্মরনাপন্ন হওয়া উচিত। কারণ, এর যথাযথ চিকিত্সা করা না হলে নানা প্রকার মানসিক এবং শারীরিক রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে। অবসাদ, দুর্বলতা এবং অনেক সময় ক্ষয় রোগও হয়ে থাকে।
বিস্তারিত

Tuesday, October 21, 2014

সকালে স্ত্রী সহবাস বা যৌন মিলনের কিছু সুফল

বিবাহিত নারী পুরুষ তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী যে কোন সময় মিলিত হতে পারেন । কিন্তু আপনি জানেন কি ভোরবেলার যৌন মিলনে রয়েছে কিছু স্বাস্থ্যকর সুফল । সকালবেলার যৌন মিলন শরীরের সঙ্গে মনও ভাল রাখে ৷ একটি সমীক্ষাতে এই তথ্য উঠে এসেছে ৷ লন্ডনের বেলফাস্টের কুইন্স ইউনিভার্সিটি এই সমীক্ষা করেছে ৷
সমীক্ষায় জানা গেছে সপ্তাহে তিনদিন যদি ভোরবেলা যৌন মিলন করা যায়, তাহলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অর্ধেক করে দেয় ৷ আর যদি এটি ঠিকমত করা যায় তাহলে ব্লাড প্রেশারের মত মারাত্মক রোগ সারাতে সাহায্য করে ৷ একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় জানা গেছে সপ্তাহে দুইদিন যদি ভোরবেলা যৌন মিলন করা যায়, তাহলে শরীরে অ্যান্টীবডি গঠন করতে সাহায্য করে ৷ সকালের যৌন মিলন আর্থারাইটিস ও মাইগ্রেনের মত রোগ সারিয়ে তোলে বলে সমীক্ষাতে জানা গেছে ৷

আরও জানা গেছে যারা ডায়াবেটিসের রোগী তাদের পক্ষে সকালের যৌন মিলন অত্যন্ত ফলপ্রদ ৷ সকালের আধঘন্টার যৌন মিলনে ৩০০ ক্যালোরির মত শক্তির খরচ হয় যেটা ডায়বেটিস কমাতে সাহায্য করে ৷
এই পরীক্ষাটি করা হয়েছিল ৩০০ জন মহিলার উপর যাদের সঙ্গীরা কখনই কনডমের ব্যবহার করে না ৷ তারা জানিয়েছে এর ফলে তাদের মনে কোন মানসিক অবসাদ নেই ৷ এছাড়া দেহের হাড়ের গঠনেও সকালের যৌন মিলন বিশেষ ভূমিকা পালন করে বলে জানা গেছে৷ সকালের এই মানসিক তৃপ্তিটার কারণে চুল ও চামড়ায় উজ্জ্বলতা আনে কারণ এইসময় ওসট্রোজেন ও অন্যান্য হর্মোনের ক্ষরণের কারণে ৷
বিস্তারিত

অণ্ডলালমূত্র (Albuminuria) - কারণ, লক্ষণ এবং হোমিও চিকিত্সা

এই রোগে রোগীর মূত্রের সাথে অণ্ডলাল বা এলবুমেন (Albumen) দেখতে পাওয়া যায়। এই রোগের সঙ্গে প্রায়ই মূত্রগ্রন্থির প্রদাহভাব প্রকাশ পায়। সাধারণত মূত্রগ্রন্থির পুরাতন রোগাবস্থায় মূত্রের সঙ্গে অধিক পরিমানে অণ্ডলাল বা এলবুমেন(Albumen) ক্ষরণ হয়ে থাকে। যেকোন কারণে যদি কিডনি যন্ত্রের অভ্যন্তরে সূক্ষ সূক্ষ মূত্র নালীর কোষগুলো প্রদাহিত হয় তা হলে ইহার রক্ত মধ্যস্থ এলবুমেন বা অন্ডলাল মূত্র নালীর মধ্যে নিক্ষিপ্ত হওয়ার ফলে মূত্রে অণ্ডলাল বা এলবুমেন দেখা যায়।
এই রোগ বিশেষ কত গুলো কারণের জন্য সৃষ্টি হয়ে থাকে যেমন :- অজীর্ণ, অতি মাত্রায় অণ্ডলালময় খাদ্য গ্রহণ, ঠান্ডা লাগা, জল বৃষ্টিতে ভেজা, মদ্য পান ইত্যাদি। কোন কারণ বশত কিডনি আক্রান্ত হলে এই জাতীয় লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে থাকে।

এবার আসুন এই রোগের লক্ষণগুলির দিকে দৃষ্টি দেই। রোগীর প্রস্রাব ঘন, বর্ণের পরিবর্তন এবং প্রস্রাব পরীক্ষায় অণ্ডলাল বা এলবুমেন (Albumen) দেখতে পাওয়া যায়। শীতকম্প হয়ে পীড়ার আরম্ভ হয়। পিপাসা, মূত্রকোষে টান টান ভাব, বেদনা এবং এই বেদনা সময় সময় কুচকি ও অন্ডকোষ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। বার বার প্রস্রাব হয় এবং প্রস্রাবের পরিমান কম হয়। প্রস্রাব কালচে বর্ণের অথবা কখনো কখনো রক্ত মিশ্রিত প্রস্রাব দেখা যায়। রোগীর দেহে শোথ লক্ষণ প্রকাশ পায়। হাত পা এবং মুখমন্ডলে স্ফীত ভাব প্রকাশ পায়। এছাড়া অম্ল উদগার, রক্ত সল্পতা, মাথার যন্ত্রনা, হৃদপিন্ডের গোলযোগ প্রভৃতি উপসর্গ দেখা যায়।

এই রোগের হোমিওপ্যাথি চিকিত্সায় অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথরা রোগীর সবগুলি লক্ষণ বিবেচনায় এনে অথবা প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষা করে কার্যকর ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকেন। দেখা যায় খুব অল্প দিনের হোমিও চিকিত্সাতেই রোগীর অণ্ডলালমূত্র Albuminuria রোগ নির্মূল হয়ে যায়।

চিকিত্সা নেয়ার সময় রোগীকে কিছু আনুষঙ্গিক পথ্য ও বিষয় খেয়াল রাখলে ভালো হয়। যেমন বিশ্রাম এবং আলোবাতাস যুক্ত ঘরে থাকা রোগীর জন্য হিতকর। ঠান্ডা লাগানো উচিত নয়। হালকা গরম পানি, গরম পানিতে গোসল করা এবং উষ্ণ জলবায়ূ প্রধান স্থানে বসবাস করা হিতকর।

দুধ এই প্রকারের রোগীদের জন্য একটি উত্কৃষ্ট পথ্য, অতিরিক্ত লবন যুক্ত খাবার হতে সাবধান থাকাই ভালো। ঘোল, পাতলা খিচুরী, প্রচুর পানি পান করা, ফলের রস এবং পরিমিত পরিমান আহার গ্রহণ অধিক ফলদায়ক। শারীরিক এবং মানসিক পরিশ্রম করা আদৌ উচিত নয়। রোগের প্রথম অবস্থায় সহজ ও লঘু জাতীয় খাবার এবং কঠিন অবস্থায় দুধ রুটি সুজি দেয়া উচিত।
বিস্তারিত

স্ত্রী সহবাসের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলি মনে রাখা জরুরি

সহবাস বা যৌন মিলনকে আনন্দঘন করতে চাইলে চারটি নিয়ম মেনে চললে আপনার যৌন মিলন মধুর হতে পারে। আপনি যদি এই নিয়মগুলিকে ঠিক ভাবে মেনে পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক ভাবে মিলিত হন তাহলে প্রকৃত অর্থে সহবাসের আনন্দ লাভ করতে পারেন।
'দ্য ফোর সিক্রেটস অফ আমাজিং সেক্স' এ গ্রন্থে লেখক জর্জিয়া ফস্টার এবং বেভারলি এনি ফস্টার চারটি নিয়মের কথা বলেছেন। তাদের মতে যৌন মিলনের আগে শরীরের তুলনায় মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নেয়াটা জরুরি। মানসিক ভাবে আপনি যদি যৌন মিলনের জন্য তৈরি থাকেন তাহলেই আপনি এর চরম সুখ লাভ করতে পারবেন।

সিডাকশান :- বেশীরভাগ মানুষই মনে করে যৌন মিলনের আগে নিজেদের যৌন উত্তেজনা বাড়াতে হবে। না সেটা একেবারেই ভুল ধারণা। আগে মনে প্রাণে যৌন চেতনা জাগান। যৌন মিলনের আগে মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিন। আপনি কখনই ভাববেন না আপনার পার্টনারের যৌন উত্তেজনা নিমেষেই বেড়ে যাবে। মানসিক ভাবে অনুভব করার পরেই এটা বাড়ানো সম্ভব।

সেনসেশান :- যৌন মিলনের ক্ষেত্রে সিক্স সেনস একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সেক্ষেত্রে আপনি এবং আপনার পার্টনার উভয়েরই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে জাগ্রত করতে হবে। কারণ যৌন মিলনের সময়ে প্রচুর এনার্জীর প্রয়োজন হয়। এনার্জী লাভের জন্য ষষ্ট ইন্দ্রিয়কে জাগানো জরুরি।

সারেন্ডার:- তৃতীয় চাবিকাঠিটা হল নিরাপত্তা। যৌন মিলনের সময় আপনি যদি নিশ্চিন্তে আপনার পার্টনারের কাছে নিজেকে সপে দিতে পারেন তাহলেই আপনার যৌন মিলন সফল হবে। এর জন্য পার্টনারের কাছে আপনি যে নিরাপদ রয়েছে সেই মানসিক ভাবনাটা থাকা জরুরি।

রিফ্লেকশান :- আপনি যদি প্রথম তিনটি নিয়্ম ভ্রুনাক্ষরে পালন করে তাহলে আপনি আপনার অভিজ্ঞতাতেই এর প্রতিবিম্বটা খুঁজে পাবেন। পুণরায় যৌন মিলনের আগ্রহ আপনার মনে জাগবে।
বিস্তারিত

ভেরিকোসিল - পুরুষের যৌন সমস্যা

ভেরিকোসিল (Varicocele) পুরুষদের একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য যৌন রোগ। স্পার্মাটিক কর্ড বা রেত্রজ্জু, এপিডিডায়মিস বা অন্ডকোষের উপরিস্থিত কেচোর মত লম্বা বস্তু - ইহাই উক্ত উত্পাদক নাড়ী এবং টেস্টিকেলের (কোষের) শিরা সমূহ স্ফীত হয় এবং গাট গাট মত হয়ে ফুলে উঠে, আঙ্গুল দিয়ে পরীক্ষা করলে যেন একটা কেচো কুন্ডলির মত পাকিয়ে আছে মনে হয়। সোজা ভাবে শুয়ে থাকলে ও চাপ দিলে ইহা ক্ষুদ্র হয়ে যায় এবং খাড়া হয়ে দাড়ালে পুনরায় বৃদ্ধি পায়। অধিকাংশ স্থলে এই পীড়া বাম দিকেই অধিক দেখা যায় কারণ বাম দিকের স্পার্মাটিক কর্ড ডান দিক অপেক্ষা অধিক লম্বা এবং অধিক জড়ানো থাকে। এছাড়া বাম দিকে এসগময়েড ফ্লেক্সরে অধিক পরিমান পানি জমে থাকলে তার চাপেও বাম দিক আক্রান্ত হয়।
 
এই রোগে কোনো কোন ক্ষেত্রে আদৌ যন্ত্রনার উদ্রেক করে না আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভয়াভহ যন্ত্রনার সৃষ্টি করে থাকে। এক প্রকার টানা হেচড়ার মত বেদনা কোমর থেকে প্রত্যঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। এই বেদনা হাটাচলা করলে, দাড়ালে এবং গরম কালে অধিক অনুভূত হয়।

যে সকল পুরুষ অধিক কামাশক্ত অথবা যারা অত্যধিক হস্তমৈথুন করে তারা যদি হঠাত এই অভ্যাস ছেড়ে দেয় কিন্তু কাম চিন্তা ত্যাগ করতে না পারলে এপিডিডায়মিসের উপর দিকে স্পার্মাটিক কর্ড এর মধ্যে বীর্য ধীরে ধীরে সঞ্চিত হয়ে স্ফীত হয়ে উঠে। ইহাতে কোষ উপর দিকে আকৃষ্ট হয়, স্ফীত হয় এবং স্পর্শ করলে, দাড়ালে বা হাটাচলা করলে বেদনার উদ্রক হয়। লিঙ্গ অর্ধবক্র হয়, এই অবস্থায় কিছুক্ষণ বা কিছুদিন থাকার পর ধীরে ধীরে ঐ স্ফীত ভাব কমে আসে এবং কখনো আবার বৃদ্ধিও পেতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ভেরিকোসিলে পরিনত হয়। ইহার ফলে পুরুষাঙ্গ কখনো শক্ত ও সোজা হয়, কখনো বা বাকা হয়ে থাকে এবং এটা রাত্রেই বেশি হতে দেখা যায়। ইহাতে রোগী অনেক যন্ত্রনাও ভোগ করে থাকে।

ভেরিকোসিল (Varicocele) এর অত্যন্ত কার্যকরী এবং আরোগ্যকারী হোমিও চিকিত্সা রয়েছে। একজন ভালো হোমিওপ্যাথ রোগীর সবগুলি লক্ষণ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে সঠিক ঔষধ নির্বাচন পূর্বক যথাযথ ট্রিটমেন্ট দিলেই ভেরিকোসিল অনায়সে নির্মূল হয়ে যাবে। তবে এই সময় উগ্র মসলা যুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত নয়। হালকা অথচ পুষ্টিকর খাদ্যই গ্রহণ করা শ্রেয়। কোনো প্রকার মদ্য পান বা উগ্র নেশা করা অনুচিত। সর্বদা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন জামা কাপড় ব্যবহার করতে হবে। রাত্রি জাগরণ এবং অসৎ সঙ্গে মেলামেশা করা আদৌ উচিত নয়।
বিস্তারিত

Monday, September 22, 2014

গনোরিয়া (Gonorrhea) - পুরুষ এবং মহিলাদের কষ্টদায়ক যৌন ব্যাধি

গনোরিয়া একটি সাধারণ এবং পরিচিত যৌন সংক্রামক রোগ। আমাদের গ্রাম গঞ্জে এটি আবার প্রমেহ নামেও পরিচিত। প্রকৃত পক্ষে এটি একটি জীবাণুবাহিত রোগ। "নাইসেরিয়া গনোরিয়া" নামক ব্যাকটেরিয়া এই রোগের বিস্তার ঘটিয়ে থাকে। তবে চুম্বন, হাত ধরা  ইত্যাদি থেকে গনোরিয়া বিস্তার লাভ করে না। কিন্তু যোনি বা পায়ুপথে মিলন বা সঙ্গম বা ওরাল সেক্স বা মুখমেহন ইত্যাদির মাধ্যমে গনোরিয়া বিস্তার লাভ করতে পারে।

এটা পেনিস বা পুরুষাঙ্গ, সারভিক্স বা জরায়ুর ছিদ্র, রেকটাম মলাশয় বা পায়ু, গলা ও চোখকে আক্রান্ত করতে পারে। এই ইনফেকশনজনিত কারণে বন্ধ্যা হয়ে যাওয়া মোটেও অস্বাভাবিক না যাতে কিনা গর্ভধারণ অসম্ভব হয়ে পড়ে। গর্ভবতী মহিলারা যারা গনোরিয়া আক্রান্ত তাদের প্রসবজনিত সন্তানও সংক্রমিত হয়ে পড়তে পারে এই ইনফেকশনের কারণে।
আমাদের সমাজে দেখা যায়, মহিলাদের চেয়ে পুরুষরাই  এই যৌনরোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং তাদের বয়স ১৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে। গনোরিয়ার জীবাণু "নাইসেরিয়া গনোরিয়া" দীর্ঘদিন শরীরের বাইরে টিকে থাকতে পারে না। এরা বেঁচে থাকে কেবল নিবিড় যৌন সংসর্গের মাধ্যমে এক দেহ থেকে অন্য দেহে স্থানান্তরিত হয়ে। গনোরিয়া সংক্রমণ অর্জিত হয় সংক্রমিত লোকের সাথে যৌন সংসর্গের দ্বারা।

পুরুষের ক্ষেত্রে গনোরিয়ার উপসর্গ :-
  • যৌন মিলনের ২ থেকে ১০ দিন পর রোগের উপসর্গ দেখা দেয়।
  • রুষদের মূত্রনালীর সম্মুখভাগে সাধারণত সংক্রমণ ঘটে।
  • বারবার প্রস্রাবের ইচ্ছা করে। মূত্রনালীতে প্রদাহের কারণে জ্বালাপোড়া ও ব্যথা করে।
  • লিঙ্গপথে রস নিঃসৃত হয়।যৌনাঙ্গের সংক্রমণের ফলে এ রস তৈরি হয়। প্রথমে পানির মতো থাকে। পরে ঘন, সবুজাভ-হলুদ হয়।
  • মূত্রনালীপথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়ে প্রস্রাব ঠিকমতো বেরিয়ে আসতে পারে না। ফলে কিডনিতে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
  • অণ্ডকোষ ফুলে একটা আপেলের মতো বড় হতে পারে।
  • এপিডিডাইমিসে প্রদাহের কারণে তীব্র ব্যথা হয়।
  • সমকামীরা পায়ুপথে যৌনসঙ্গম করলে পায়ুপথে সংক্রমণ হতে পারে। মলনালীতে তীব্র ব্যথা হয় এবং রসে ভিজে যায়।
  • মুখ মৈথুনে অভ্যস্তদের মুখে সংক্রমণ তথা ঘা সৃষ্টি হয় এবং গলাব্যথা হয়।
  • দীর্ঘদিনের সংক্রমণের কারণে অস্থিসন্ধিতে প্রদাহ, ত্বকে ক্ষত, সেপটিসেমিয়া, মস্তিষ্কের প্রদাহ এবং হৃৎপিণ্ডের ক্ষতি হতে পারে।
নারীর ক্ষেত্রে গনোরিয়ার উপসর্গ :-
  • যোনিপথে অস্বাভাবিক নিঃসরণ (সচরাচর, সাদা, সবুজ কিংবা হলুদ) হয়।
  • যৌনাঙ্গ সংক্রমণের কারণে যোনির ওষ্ঠে লাল, দগদগে ঘা হয়।
  • প্রস্রাবের তীব্র ইচ্ছা থাকতে পারে। প্রস্রাবে যন্ত্রণা হয়।
  • ডিম্ববাহী নালীতে প্রদাহ হয়।
  • বার্থোলিন গ্রন্থির প্রদাহ হয়।
  • তলপেটে ব্যথা হয়।
  • ডিম্ববাহী নালী, ডিম্বাশ্বয় কিংবা তলপেটের মধ্যে ফোঁড়া হতে পারে।
  • মাসিক অনিয়মিত হয় এবং তীব্র ব্যথা হয়।
  • পায়ুপথে সঙ্গম থেকে কিংবা নিজের সংক্রমিত যোনি থেকে মলদ্বারে সংক্রমণ হতে পারে। মলনালী পথে নিঃসরণ এবং রক্তক্ষরণ হতে পারে।
  • মুখ মৈথুনের কারণে মুখে সংক্রমণ হতে পারে।
  • দীর্ঘদিনের সংক্রমণের কারণে অস্থিসন্ধিতে প্রদাহ, ত্বকে ক্ষত, সেপটিসেমিয়া, মস্তিষ্কের প্রদাহ এবং হৃৎপিণ্ডের ক্ষতি হতে পারে।
গনোরিয়া এবং গর্ভাবস্থা :-
গনোরিয়ার জীবাণু মহিলার জননতন্ত্রের মধ্যে বিচরণ করে ডিম্ববাহী নালীতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারে এবং এ কারণে মহিলার সারা জীবনের জন্য বন্ধ্যাত্ব ঘটতে পারে কিংবা জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় মহিলা গনোরিয়াতে আক্রান্ত হলে শিশু জন্মের সময়ে মায়ের যোনি থেকে তার চোখে সংক্রমণ হতে পারে। শিশুকে চিকিৎসা না করলে তার চোখে প্রদাহ হবে এবং সে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

রোগ নির্ণয় :-
এক্ষেত্রে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস শুনতে হবে। সে এরই মধ্যে কোনো যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিল কি-না প্রশ্ন করে ভালো করে উত্তর পেতে হবে। সম্পর্ক থাকলে তা কতদিন আগে এবং কত জনের সঙ্গে। এসব জেনে নিতে হবে। তারপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। যদি স্বল্পস্থায়ী আক্রমণ হয়ে থাকে তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের রাস্তা থেকে নিঃসরিত পুঁজ বা পদার্থ এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে মূত্রনালি ও জরায়ু নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি হলে প্রস্টেটগ্রন্থি ম্যাসাজের পর নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে কিংবা সকালের প্রথম ফোঁটা প্রস্রাবও পরীক্ষা করা যেতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রে জরায়ু নিঃসরিত বস্তু পরীক্ষা করতে হবে। এ ছাড়াও কালচার ও সেনসিটিভিটি পরীক্ষা করা যেতে পারে।

প্রতিকার কিভাবে করা যেতে পারে :-
  • জনসাধারণকে যৌনরোগের কুফল সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। 
  • সঠিক বয়সে উপযুক্ত যৌন শিক্ষা প্রচলন। 
  • বহুনারী গমনে নিরুৎসাহিত করতে হবে। কারণ বেশির ভাগ মহিলারই এ রোগে কোনো লক্ষণ থাকে না। তাই যে কোনো সময়ে এদের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। 
  • রোগের লক্ষণ দেখামাত্রই চিকিৎসা করানো উচিত। 
  • আক্রান্ত অবস্থায় স্ত্রী মিলনের বা স্বামী সহবাসে বিরত থাকা উচিত, তা না হলে তারাও আক্রান্ত হতে পারে। 
  • সর্বোপরি বিবাহিত যৌন জীবন সবার জন্য বিভিন্ন যৌনরোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার একমাত্র পথ। 
কিছু সতর্কতা জরুরি :-
অল্পবয়স্ক মেয়ে এবং শিশুরা এ রোগ অর্জন করতে পারে সংক্রমিত বিছানার চাদর অথবা তোয়ালে থেকে। ঘনবসতি এবং অপরিচ্ছন্নতা থেকে শিশুদের গনোরিয়া হতে পারে। একজন ব্যক্তি গনোরিয়া থেকে মুক্তি পেলেও আবার গনোরিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে যদি সেখানে অল্প সংক্রমণ থেকে যায় কিংবা গনোরিয়ায় আক্রান্ত কারো সাথে যৌন মিলন ঘটে অথবা কোনো প্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকে। তবে গনোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা কেউ লাভ করতে পারে না।

কার্যকর চিকিৎসা :-
পুরুষ বা মহিলারা যে কেউ আক্রান্ত হন না কেন আর গনোরিয়ার উপসর্গ যত জটিল পর্যায়েই থাকুক না কেন এর যথাযথ এবং সর্বাধিক সফল ট্রিটমেন্ট রয়েছে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা বিজ্ঞানে। তাই কেউ গনোরিয়ায় আক্রান্ত হলে কোনো প্রকার সংকোচ না করে আপনার হোমিওপ্যাথকে বিস্তারিত খুলে বলুন এবং অযথা দেরি না করে যথাযথ চিকিত্সা নিন। প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে খুব তাড়াতাড়ি এ সমস্যা থেকে নিশ্চিত মুক্তি পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ।
******** আধুনিক হোমিওপ্যাথি *********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

Saturday, August 30, 2014

অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হলে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিন

স্বপ্নদোষকে অনেকে আবার "ভেজাস্বপ্ন" ও বলে থাকেন। স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষ মানুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের এক প্রকার অভিজ্ঞতা। গবেষনায় দেখা গেছে কিশোর বয়সে শারীরবৃত্তীয় হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারনে স্বপ্নদোষের সমস্যাটি বেশি পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। কিন্তু তের থেকে উনিশ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ একটা ব্যাপার।  
স্বপ্নদোষের হওয়ার সাথে যৌন উত্তেজক কোনো স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। আবার অনেক সময় পুরুষদের লিঙ্গ উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটে যেতে পারে। যদিও স্বপ্নদোষ হওয়াটা স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু এটি যখন অতিরিক্ত পরিমানে হতে থাকে তখন কিন্তু রোগেরই পূর্বাবাস দেয়। আর সেই সময় স্বপ্নদোষের কারনে পুরুষের নানা প্রকার শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। 

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় হস্তমৈথুন এবং স্বপ্নদোষ আনুপাতিক হারে বিপরীতমুখী। অর্থাৎ হস্তমৈথুন করলে কিছু কিছু পুরুষের  স্বপ্নদোষ হ্রাস পায়। কিন্তু এটা করা আরো ক্ষতিকর। একসময় হস্তমৈথুন করার অভ্যাসটাই একজন পুরুষের যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলে। অতিরিক্ত হ্স্তমৈথুনের ফলেও কিছু শারীরিক, মানসিক এবং হরমোনজনিত সমস্যা সৃষ্টি হয়ে থাকে যা এই ধরনের স্বপ্নদোষকে পুরুষের স্থায়ী পুরুষত্বহীনতা এবং লিঙ্গত্থানহীনতার মত মারাত্মক জটিল রোগের সৃষ্টি করতে পারে।

পুরুষের শরীরে বীর্য প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্টি হয় যা পরবর্তীতে শারীরিক মিলন বা হস্তমৈথুনের সময় চরম তৃপ্তির পর্যায়ে পুরুষের শরীর থেকে নির্গত হয়ে থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে পুরুষের টেষ্টষ্টোরেন হরমোন অধিক পরিমান অর্থাৎ প্রয়োজনের অতিরিক্ত বীর্য তৈরি করে এবং একই সাথে স্পিংটার পেশী এবং স্নায়ু দুর্বল করে দেয় যার ফলে বীর্য যৌনতন্ত্রে আটকে যায়। পরবর্তীতে আটকে থাকা বীর্য প্রস্রাবের সাথে কিংবা কোন রকম খারাপ স্বপ্ন ছাড়া ঘুমের মাঝে শুধুমাত্র বিছানার ঘর্ষনের ফলে নিজ থেকে বেরিয়ে যায়। বীর্য আটকে থাকার কারনে এবং তা থেকে স্বপ্নদেষের সৃষ্টির কারনে ক্রমশ বেশ কিছু সম্যসার জন্ম দেয়। যেমন  :-
  • শারীরিক দুর্বলতা বৃদ্ধি
  • লিঙ্গত্থান সমস্যা
  • বীর্যের পরিমান হ্রাস
  • শুক্রানুর পরিমান কমে যাওয়া
  • হাটু, মাজা এবং শরীরের অন্যান্য জোড়ার ব্যাথা
  • অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব অনুভুতি ইত্যাদি। 

হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা 

স্বপ্নদোষ যখন সপ্তাহে ১ বারের বেশি এবং মাসে ৫ বারের বেশি হতে থাকে তখন এটাকে অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বলা হয়ে থাকে। তখন এটার পেছনে কোনো না কোন কারণ থাকে অর্থাৎ সেই সময় এটা রোগের পর্যায়ে পড়ে যায়। স্বপ্নদোষ যদিও ভয়াবহ কোনো বিষয় নয় কিন্তু এ অবস্থা চলতে থাকলে একসময় এটা নানা প্রকার শারীরিক, মানসিক সমস্যার জন্ম দিয়ে থাকে। তাই যখনই বুঝবেন স্বপ্নদোষ অতিরিক্ত পরিমানে হচ্ছে কাল বিলম্ব না করে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করুন এবং চিকিত্সা নিন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেরে উঠবেন ইনশাল্লাহ। ঐ অবস্থায় চিকিত্সা না নিয়ে কেউ এর থেকে মুক্তির জন্য হাজার নিয়ম কানুন পালন করলেও কোনটাই সুফল বয়ে আনে না। এটাই বাস্তবের কথা, তথাকথিত বিশেষজ্ঞদের গাজাখুরি গল্প নয়।

জেনে রাখা ভালো

রাতে অতিরিক্ত ভুজন বা গুরুপাক দ্রবাদি ভুজন অথবা তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে অনেকেরই কিছু দিন অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটা কোনো রোগের পর্যায়ে পড়ে না। রাতে শোবার ২/৩ ঘন্টা আগে হালকা খাবার গ্রহণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে সেটা প্রতিরোধ করলেই ঐ সময়কার অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ ঠিক হয়ে যাবে। এর জন্য কোনো প্রকার চিকিত্সার প্রয়োজন নেই। 
বিস্তারিত

বিবাহিত পুরুষদের যৌন দুর্বলতায় আদৌ কি ঔষধের প্রয়োজন আছে ?

আমাদের দেশের কিছু হারবাল প্রতিষ্ঠান তরুণ-যুবকদের দুর্বল মানুসিকতার সুযোগ নিয়ে নানা কৌশলে বিজ্ঞাপনের ছটায় বিভ্রান্ত করে তাদের যৌন রোগী বানিয়ে তুলছে। ক্যাবল নেটওয়ার্কদের বাণিজ্যিক ভিডিও চ্যানেলের মাধ্যমেও ভুঁইফোড় কথিত নামসর্বস্ব হারবাল মেডিক্যালগুলোর অশ্লীল চটকদার বিজ্ঞাপনে যে কোন ভদ্র রুচিশীল দর্শকও এখন অতিষ্ঠ। অথচ বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা পর্যন্ত বলছেন যৌন উত্তেজক এই হারবাল ঔষধগুলি একসময় পুরুষদের যৌন ক্ষমতায় অক্ষম করে তুলে। দেখুন এ সম্পর্কে দেশের খ্যাতনামা একজন চিকিত্সক কি বলছেন ? এরকম আরো অনেক মতামত পেয়ে যাবেন অনলাইন সার্চ করে।

আরেকটি কথা জেনে রাখবেন আমি সব হারবাল ঔষধেরই দোষ দিচ্ছি না। এখানে শুধু যৌন উত্তেজক ক্ষতিকর ঔষধের কথা বলা হচ্ছে যে গুলো তরুণ যুবকরা চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়াই বিজ্ঞাপনের ছটায় বিভ্রান্ত হয়ে বা শখের বসে কিনে খাচ্ছে প্রতিনিয়ত। আর ক্ষনিকের আনন্দ লাভ করতে গিয়ে তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনছে। অথচ এগুলো খাওয়ার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। 
এখন কথা হলো বিবাহিত পুরুষদের যৌন দুর্বলতায় আদৌ কি কোনো ঔষধের প্রয়োজন আছে ? এক কথায় উত্তর হলো : " না "
স্বাভাবিক অবস্থায় যৌন দুর্বলতায় কোনো প্রকার ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন নাই। অর্থাৎ লিঙ্গ উত্থান জনিত কোনো শারীরিক সমস্যা অথবা অন্য কোনো যৌন রোগের কারণে যদি আপনার যৌন দুর্বলতার সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে সেই রোগের চিকিত্সা করাতে হবে। তারপর যৌন সমস্যার বিষয়টি দেখতে হবে। মূল কথা হলো বিবাহিত পুরুষদের যৌন দুর্বলতায় কোনো ঔষধের প্রয়োজন নাই। আপনারা হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে যৌন দুর্বলতার সৃষ্টি হলে এটা সারবে কিভাবে ? একটা বিষয় চিন্তা করুন পুরুষের যৌন ক্ষমতাটা তার ইচ্ছা বা অনিচ্ছার উপর নির্ভর করে না। এটা সরাসরি নির্ভর করে তার শারীরিক সক্ষমতার উপর। তাই আপনাকে চিন্তা করতে হবে কি করলে আপনি সবসময় শারীরিক ভাবে ফিট থাকবেন। কারণ যৌনতাও আপনার শরীরেরই একটা অংশ। তাই নিয়মিত ব্যায়াম, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনের মাধ্যমে আপনি যৌনতায় ফিট থাকতে পারেন। তার জন্য ক্ষতিকর হার্বাল ঔষধের প্রয়োজন নেই। 
বিবাহিত পুরুষদের যৌন দুর্বলতায় আদৌ কি ঔষধের প্রয়োজন আছে ?
আপনি যদি সখের বসে নিয়মিত এইসব ক্ষতিকর হার্বাল বা কবিরাজি ঔষধ খেতে থাকেন তা হলে একসময় দেখবেন আপনি এতে অব্ভস্থ হয়ে পড়েছেন আর এমনটিই হচ্ছে প্রতিনিয়ত এবং প্রতিবার ঐসব ঔষধ খাওয়া ব্যতীত আপনি আর সহবাস করতে পারছেন না। শুধু তাই নয় আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গসমূহও নানা প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত হতে থাকবে। আর সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি আমরা দেখে আসছি সেটা হলো ঐ অবস্থায় আর কোনো যৌন শক্তির ঔষধই কাজ করে না। এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন, আপনি কি ঐসব ক্ষতিকর হার্বাল ঔষধ খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলবেন নাকি নিয়মতান্ত্রিক জীবন-যাপনের মাধ্যমে আনন্দময় সুখী যৌন জীবন উপভোগ করবেন। তবে ক্ষেত্র বিশেষে হয়ত চিকিত্সকরা ঐ সংক্রান্ত ঔষধ কিছু দিনের জন্য প্রেস্ক্রাইব করতে পারেন। সেটা ভিন্ন কথা। কারণ যে কোনো ঔষধই চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া বিপদজনক। এবার আসুন বিবাহিত পুরুষদের যৌন দুর্বলতায় কি কি করা প্রয়োজন সে দিকে যাই। 

বিবাহিত জীবনে পুরুষদের যৌন দুর্বলতা একেবারেই একটা সাধারণ ব্যাপার । আপনি যদি এবিষয়ে একটু সচেতন থাকেন তাহলে এ সংক্রান্ত কোনো সমস্যাই হওয়ার কথা নয়। আপাতত আজকে কিছু খাবার-দাবার সম্পর্কে বলব যে গুলো আপনার খাবার মেনুতে নিয়মিত রাখলে যৌন দুর্বলতার প্রশ্নই উঠবে না। তবে আপনার যদি অন্য আরো কোনো শারীরিক সমস্যা থেকে থাকে যার জন্য আপনি যৌন সমস্যায় ভুগছেন তাহলে অবশ্যই আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলে চিকিত্সা নিবেন। দেখবেন কিছু দিনের হোমিও চিকিত্সাতেই আপনি সেরে উঠেছেন তার জন্য সব সময় ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। বিবাহিত জীবনে যৌনতায় সব সময় ফিট থাকতে নিচের খাদ্যগুলি নিয়মিত গ্রহণ করুন। 

ডিম :- খাদ্য হিসাবে ডিম আপনার যৌন সামর্থ্য বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। ডিমে প্রচুর পরিমাণে বি-ফাইভ, বি-সিক্স থাকে। বি-ফাইভ এবং বি-সিক্স হরমোন লেভেলের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ক্লান্তি দূর করে। তাই প্রতিদিন ডিম খাওয়ার চেষ্টা করুন। 

দুধ :- দুধ হলো অসাধারণ একটি যৌন শক্তি বর্ধক খাদ্য। বিশেষ করে ছাগলের দুধ পুরুষদের দ্রুত যৌনশক্তি যোগায়। এতে রয়েছে বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট যা একটি প্রাকৃতিক খাদ্য এবং পুরুষদের যৌনজীবনের উন্নতি ঘটিয়ে থাকে। আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে নিয়মিত দুধ পান করুন। 

মধুঃ- এর গুনের কথা মনে হয় আমার চেয়ে আপনারাই ভালো জানেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়্সাল্লামের নিকট মধু এই জন্য বেশী প্রিয় ছিল যে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, এর মধ্যে মানব জাতির রোগ নিরাময় রয়েছে। সকালে খালি পেটে জিহ্বা দ্বারা মধু চেটে খেলে কফ দূর হয়, দেহের অতিরিক্ত দূষিত পদার্থ বের হয়, পাকস্থলী পরিস্কার হয় এবং স্বাভাবিক হয়ে যায়, মস্তিস্ক শক্তি লাভ করে, পুরুষের যৌন শক্তির বৃদ্ধি হয়, মূত্রথলির পাথর দূর করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক হয় এবং ক্ষুধা বাড়ায়। অর্থাৎ আপনাকে শারীরিক ভাবে এবং যৌনতায় ফিট রাখতে মধুর রয়েছে জাদুকরী ভুমিকা। মধু এবং দুধ হাজারো রকম ফুল ও দানার নির্যাস। দুনিয়ার সকল গবেষকরা একত্র হয়ে এমন নির্যাস প্রস্তুত করতে চাইলেও কখনো পারবে না। এটা শুধু মহান আল্লাহ পাকেরই শান যে, তিনি বান্দার জন্য এমন উত্তম ও বিশেষ উপকারী নির্যাস পয়দা করে দিয়েছেন। 

কলিজা :- পুরুষের যৌন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজারও অনেক প্রভাব রয়েছে। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন। তাই মাঝে মাঝে কলিজা খাওয়ার চেষ্টা করুন। 

জয়ফল :- জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে পুরুষের যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। কফির সাথে মিশিয়েও আপনি জয়ফল খেতে পারেন, বলে রাখা প্রয়োজন পুরুষের যৌন উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে কফির ভালো ভুমিকা রয়েছে। তাই এক্ষেত্রে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

রসুন :- রসুন নিস্তেজ লোকদের মধ্যে যৌন ক্ষমতা সৃষ্টি করে, বীর্য বৃদ্ধি করে, গরম স্বভাব লোকদের বীর্য গাঢ় করে, পাকস্থলী ও গ্রন্থির ব্যাথার উপকার সাধন এ্যাজমা এবং কাঁপুনি রোগেও উপকার সাধন করে। এই রসুনকে আবে হায়াত বলেও আখ্যা দেয়া হয়। অন্যান্য উপকারের সাথে সাথে রসুন পুরুষদের যৌন ক্ষমতা বাড়াতে অসাধারণ ভুমিকা পালন করে। তাই দৈনিক অন্তত ২/৩ কোয়া রসুন অন্তর্ভক্ত করুন। 

চীনা বাদাম :- চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শরীরে শতকরা ৩০% কম বীর্য তৈরি হয়। যারা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বীর্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। তাই মাঝে মাঝে চীনা বাদাম খেতে চেষ্টা করুন। 

কলা :- কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ব্রুমাইল্ড এনজাইম। এইসব উপাদান পুরুষদের যৌন আসক্তি বাড়াতে দারুন কার্যকরী। তাই কলাকেও বাদ রাখবেন না। 

উপরে যতগুলো খাদ্যের কথা বলা হয়েছে তাদের সবগুলিই হলো প্রাকৃতিক অর্থাৎ এই গুলো গ্রহণে কোন প্রকার ক্ষতির অবকাশ নেই। আপনি যদি সবগুলো গ্রহণ করতে না পারেন অন্তত দুধ, ডিম এবং মধু গ্রহণ করুন নিয়মিত। তাতেও আপনি যৌন দুর্বলতায় ভুগবেন না। কিন্তু ভুল করেও শখের বসে রাস্তাঘাট থেকে যৌন উত্তেজক কোনো প্রকার হার্বাল ঔষধ কিনে খাবেন না। প্রয়োজনবোধে যেকোনো যৌন সমস্যায় আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে পরামর্শ করুন। 
বিস্তারিত

প্রেমিকার সাথে ভালো কথা বললেও লিঙ্গ দিযে সাদা আঠালো পানি আসে !

প্রশ্ন :- স্যার, আমার কিছু রোগ হযেছে আমি আপনারকে অনুরোধ করছি কি করলে ভালো হবে। আমার একটু Sex অনুভব হলে এবং প্রেমিকার সাথে ভালো কথা বললে ও আমার লিঙ্গ দিযে সাদা আঠালো পানি আসে এবং এর জন্য আমার উওজনা ও sex কম এবং লিঙ্গ ছোট হযেছে। বযস ২২ বছর। 
প্রশ্নটি করেছেন আমাদের ফেইসবুক ফ্যান পেইজে। প্রশ্ন কর্তাকে অনেক ধন্যবাদ এই জন্যে যে, তার এই প্রশ্নের করনে অনেক তরুণ যুবক উপকৃত হবেন। কারণ এই ধরনের চিন্তা ভাবনা আমাদের দেশের লাখ লাখ তরুনদের মনে প্রতিনিয়ত ঘোরপাক খাচ্ছে। কারণ উপযুক্ত যৌন শিক্ষাটা আমাদের দেশের তরুণরা একেবারেই পায় না বললেই চলে। 

অনলাইনে যে কয়টা দেখবেন তারা আবার যৌন শিক্ষার নামে অশ্লীল গল্পের (চটি) সাইট খুলে যুবকদের চরিত্র নষ্ঠ করে চলছে দিন দিন। ঐসব ইতর শ্রেনীর লোকদের জন্যই আজ আমাদের দেশের যুবকরা নানা যৌন অনাচারে লিপ্ত হয়ে নিজের অজান্তেই তাদের যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলছে। তাই ঐসব অশ্লীল গল্পের (চটি) ব্লগগুলির অ্যাডমিনরা জেনে রাখুন উপরে আল্লাহ আছেন। লাখ লাখ তরুণদের বিপদগামী করার জন্য আর আপনাদের এইসব নোংরা কাজের কারণে শত শত সংসার ধ্বংস করার জন্য অন্তত কোনো সময় জাহান্নাম থেকে মুক্তির আশা করবেন না। তাই ঐসব অশ্লীল গল্পের (চটি) সাইটগুলি নিজ উদ্যোগে বন্ধ করে আল্লাহর কাছে আজই তাওবা করুন। এবার আসুন প্রশ্নটার দিকে যাই :-
উত্তর :- 
লিঙ্গ দিযে সাদা আঠালো পানি আসা :-
যৌন চিন্তার ফলে লিঙ্গ দিযে সাদা আঠালো পানি (যাকে কমরস ও বলা হয়ে থাকে) আসাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আপনারা এটা জানেন যে, পুরুষদের প্রস্রাবের পথ আর প্রজননতন্ত্র একই। প্রস্রাব অম্লীয় প্রকৃতির। যার কারণে বীর্য বের হওয়ার সময় যাতে অম্লীয় পরিবেশের কারণে শুক্রানু নষ্ট হতে যেতে না পারে তার জন্য এই পদার্থটি আল্লাহ পাক বের হওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যাতে অম্লীয় ভাবটা দূর হয়ে যায়। তবে যদি বেশি বেশি হয়ে থাকে তাহলে হয়ত কিছুটা সমস্যা থাকতে পারে। তখন আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করা উচিত কারণ এ ব্যাপারে হয়ত আরো কিছু জানার দরকার হতে পারে। 

এবার আসুন আপনার পেনিসের প্রসঙ্গে :-
আপনার লিঙ্গ ছোট হয়ে যায় নি, এটা আপনার মনের ভুল। লিঙ্গ প্রাকৃতিক ভাবে ছোট বা বড় হয়ে যেতে পারে না। নিয়মিত দুধ, ডিম, মধু খেয়ে যান আপনার উত্তেজনা ঠিক হয়ে যাবে। তখন দেখবেন আপনার লিঙ্গ আপনার কাছে ঠিকই মনে হচ্ছে। আর হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে আজই পরিত্যাগ করার উদ্যোগ নিন। আশা করি এ বিষয়ে আর কোনো হীনমন্যতায় ভুগবেন না। ধন্যবাদ
বিস্তারিত

Friday, August 29, 2014

হস্তমৈথুনের মারাত্মক সব ক্ষতিকর দিক - সতর্ক হন !!

লাখ লাখ যুবকের উপর চালিত পর্যবেক্ষণ থেকে দেখা গেছে যে, হস্তমৈথুন এমন এক সমস্যা যাতে একবার কেউ আসক্ত হয়ে পড়লে প্রপার ট্রিটমেন্ট ছাড়া এ থেকে রেহাই পাওয়ার অন্য কোনো কার্যকর উপায় থাকে না বললেই চলে। আপনি অনলাইন সার্চ করলে হস্তমৈথুন অভ্যাস পরিত্যাগের বিষয়ে ভুরি ভুরি উপদেশ বাণী পেয়ে যাবেন। যার সবগুলিই অকার্যকর। তারপরও তাদের উপদেশ বাণীর যেন কোনো শেষ নেই।

কিন্তু তাদের অনেকেই বাস্তবতাটা বুঝতে পেরে কোথাও এর জন্য চিকিত্সা নেয়ার কথাটা বলে না।
কেন জানেন ??
ভালো করে শুনে নিন ** তাদের কাছে এ সমস্যা সমাধানের জন্য কোনো চিকিত্সা নেই **
তাই উপদেশ বাণী শোনানো ছাড়া তাদের আর কি-ই বা করার আছে। কিন্তু ঐসব চিকিত্সকদের নিকট চিকিত্সা নিতে গেলে ঐ অবস্থায় যখন একে একে সব গুলো উপদেশ বাণী ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় তখন তাদের সর্বশেষ চিকিত্সা হলো - * বিয়ে করে ফেলেন *। বুঝেন অবস্থা !!!! আর এই সময়টাতে চিকিত্সার নাম করে আপনার কাছ থেকে যা নেয়ার সেটা কিন্তু তারা ঠিকই নিয়ে নিল। অথচ তারা নিজেরাই জানত তাদের কাছে এর কোনো কার্যকর ট্রিটমেন্ট নেই। শুধু তাই নয়, চিকিত্সার ব্যর্থতা ঢাকতে  অবশেষে তারা এও বলেন যে - *হস্তমৈথুন কোনো ক্ষতিকর বিষয় নয় !!!!!!*
হস্তমৈথুনের মারাত্মক সব ক্ষতিকর দিক - সতর্ক হন
একটা বিষয় জেনে রাখা ভালো :-
অনেকেই শীতপ্রধান দেশের বিশেষজ্ঞদের গবেষণালব্ধ ফলাফল আমাদের উপমহাদেশের অর্থাৎ গ্রীষ্মপ্রধান দেশের বেলায় চালাতে চান। এক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদের বাস্তবতা উপলগ্ধি করতে হবে। আমাদের দেশের ছেলেদের ১০-১২ বছরের মধ্যেই যৌন পরিপক্কতা চলে আসার কারণে তারা অনেকেই তখন থেকেই হস্তমৈথুন করা শুরু করে এবং বিয়ের সময় অর্থাৎ বয়স ২০-৩০ বছর হওয়ার পর দেখা যায় তারা নানা প্রকার যৌন সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলেছেন। কিন্তু শীতপ্রধান দেশগুলির বিষয়টা আমাদের থেকে সম্পূর্ণ উল্টো। ঐসব দেশে ছেলেদের যৌন পরিপক্কতা আসে অনেক দেরিতে, অনেকের ১৬-১৮ বছর হয়ে যায়। তাছাড়া তারা যে কারো সাথে মেলামেশার সুযোগ পেয়ে থাকার কারণে  হস্তমৈথুন ততটা করে না। তাই তারা এর জন্য ক্ষতির সম্মুখীন হয় না বললেই চলে। তাই আপনাদের অবশ্যই এ বিষয়টা বুঝতে হবে এবং তাদের ক্ষেত্রে যে থিওরি তাদের দেশের বিশেষজ্ঞরা দিয়ে থাকেন তা আমাদের দেশের ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার চেষ্টা করা নিছক বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ তারা যদি আমাদের দেশের ছেলেদের মত হস্তমৈথুনে আসক্ত হয়ে এটা করতে থাকত তাহলে তারাও এর কুফল গুলির সম্মুখীন হত। 

যারা হস্তমৈথুন করাকে ক্ষতিকর না বলে ভালো বলে থাকেন তাদের কাছে প্রশ্ন ????
সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম হলো ইসলাম, যাকে বলা হয়ে থাকে *A complete code of life.* এ বিষয়ে হয়ত আপনারা সবাই আমার সাথে একমত হবেন আশা করি যদি আপনি মুসলিম হন। হস্তমৈথুন করাটা যদি মানুষের জন্য উপকারীই হত তাহলে সেই সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলামের অনেক মুফতীগণ রাসূলের হাদিসের আলোকে এটাকে কেন পাপ বলে অবহিত করলো। আশা করি বিষয়টি নিয়ে আর বেশি দূর বলার প্রয়োজন নেই। জেনে রাখুন হস্তমৈথুন অভ্যাসটা এমন কিছু মারাত্মক সমস্যার জন্ম দেয়, যা এক সময় একজন পুরুষের যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলে। এটা যুবকদের শারীরিক এবং মানুষিক উভয় সমস্যারই সৃষ্টি করে থাকে। আমাদের কাছে চিকিত্সা নিতে আসা হাজর হাজার যুবকরা নিজ মুখেই স্বীকার করেছে তাদের জীবনের অতীত কালের এ সকল অনাচারের কথা। 

ইসলামের দৃষ্টিতে হস্তমৈথুনের ক্ষতিকারক দিক সমুহ :-
অনেক আলেমরা এটিকে ইসলামের দৃষ্টিতে এটিকে হারাম ঘোষণা করেছেন । শরীয়ত অনুযায়ী যারা হস্তমৈথুনকরে তারা সীমালংগনকারী। তবে এখানে আমি শারীরিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব, যেহেতু আমি একজন ডাক্তার। পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান যে্সব সমস্যায় ভুগতে পারে সেগুলি হলো :-
  • পুরুষ হস্তমৈথুন করতে থাকলে সে ধীরে ধীরে নপুংসক (Impotent) হয়ে যায়। অর্থাৎ যৌন সংগম স্থাপন করতে অক্ষম হয়ে যায় ।
  • আরেকটি সমস্যা হল অকাল বীর্যপাত। ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয় । বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না ।
  • অকাল বীর্যপাত হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায় । তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম । যার ফলে সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার দেখা দেয় । (যে বীর্য বের হয় সে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত । স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতে কোন পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ থেকে কোন সন্তান হয়না। )
  • অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়। Dr.Liu বলেন - "There is a huge change in body chemistry when one masturbates excessively"
হস্তমৈথুনের ফলে শরীরের অন্যান্য যেসব ক্ষতি হয় :-
  • Nervous system, heart, digestive system, urinary system এবং আরো অন্যান্য system ক্ষতিগ্রস্ত হয় । পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ - বালাইয়ের যাদুঘর হয়ে যায় ।
  • মাথা ব্যথা হয় ইত্যাদি আরো অনেক সমস্যা হয় হস্তমৈথুনের কারণে।
  • স্মরণ শক্তি কমে যায়  এবং চোখেরও ক্ষতি হয় ।
  • আরেকটি সমস্যা হল সামান্য উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হওয়া যাকে বলা হয়  Leakage of semen । ফলে অনেক মুসলিম ভাই নামায পড়তে কষ্ট হয়।
মহান আল্লাহ্ তা’ আলার স্মরণ থেকে মুসলিমদের দূরে রাখে হস্তমৈথুন। রসূলুল্লাহ্ ( সঃ ) বলেছেন-
"যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী জিনিস (জিহ্বার) এবং দুইপায়ের মধ্যবর্তী জিনিস (যৌনাঙ্গের) নিশ্চয়তা (সঠিক ব্যবহারের) দেবে আমি তার বেহেশতের নিশ্চয়তা দিব । "
-(বুখারী ও মুসলিম)
তাই কাউকে হস্তমৈথুন করার উপদেশ দিয়ে আপনি নিজে গুনাহ বা পাপের অংশীদার হবেন না। পারলে কেউ এতে আসক্ত হলে যথাযথ হোমিও চিকিত্সার মাধ্যমে তাকে এই পথ থেকে ফিরিয়ে আনুন। কারণ হোমিওপ্যাথিই একমাত্র কার্যকর চিকিত্সা বিজ্ঞান যা কোন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই যুবকদের হস্তমৈথুন অভ্যাস দূরীকরণে সফলতা দেখিয়ে আসছে।
বিস্তারিত

নারীদের যৌন অনীহার কারণ, লক্ষন, প্রতিকার ও হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা

নারীদেরও কি 'যৌন দুর্বলতা' হয়ে থাকে ? হ্যাঁ, যৌন আকাঙ্খা কম থাকাকেই নারীদের ক্ষেত্রে "ফিমেল সেক্সুয়াল এ্যরুসাল ডিজওর্ডার" বা যৌন দুর্বলতা বলা হয়ে থাকে। কিন্তু বেশিরভাগ নারীর ক্ষেত্রেই এটা খুবই ক্ষনস্থায়ী ব্যাপার। তাই হয়ত আমাদের সমাজের পুরুষদের মত যৌন দুর্বলতার সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে নারীদের যেতে ততটা দেখা যায় না। 
অনেক নারী আপনা থেকেই এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারেন। কন্তু যারা পারেন না তাদের অবশ্যই অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে পরামর্শ করা উচিত। কারণ এর পেছনে হয়ত অন্য কোন কারণও থাকতে পারে। তবে এই যৌন অনীহার বিষয়টি  পুরুষের ক্ষেত্রে বিরল কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে সচরাচর। নারীর যৌন অনীহা শাররীক কিংবা মনস্তাস্তিক উভয় কিংবা যেকোন একটি কারনে হতে পারে।

নারীর যৌন অনীহার শারীরিক কারনগুলি :-
  • ডায়াবেটিস জাতীয় রোগ দেখা যায়। 
  • রক্ত স্বল্পতা, যা নারীদের মাসিক ঋজচক্রকালীন রক্তে আয়রনের হার হ্রাস পাওয়া থেকে প্রকট হয়। 
  • মাদাকাসক্তি
  • মদ্যপানে আসক্তি
  • কিছু অ্যালোপ্যাথি ঔষধের পাশ্বপ্রতিক্রিয়া
  • Hyperprolactinaemia – পিটুহিটারী গ্রন্থির অতিরিক্ত ক্রিয়াশীলতায় এ সমস্যা দেখা দেয়। 
  • সন্তান প্রসব। সন্তান প্রসবের পরবর্তী কিছু সময়কাল নারীর যৌন আকঙ্খা সম্পুর্ন হারিয়ে যায়। এটি শরীরে হরমোনাল পরিবর্তনের সাথে প্রায় সরাসরি জড়িত। বেশির ভাগ নারী সন্তান জন্মদেবার পর মানসিক ভাবে অনেকটা বিক্ষিপ্ত থাকেন তাই তারা শাররীক মিলন নিয়ে চিন্তা করার অবকাশ পাননা। 
নারীর যৌন অনীহার মনস্তাস্তিক কারনগুলি :-
  • উদ্বিগ্নতা
  • অবসাদ 
  • বিষন্নতা 
  • শিশুসুলভ মনোভাবের পুর্নজন্ম। 
  • স্বামীর সাথে প্রচন্ড মানসিক বিবাধ থাকা। 
  • দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়া; যখন নারী দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে তখন এ্যডরিনাল (মুত্র) গ্রন্থি ইষ্ট্রোজেন এবং টেষ্ট্রোষ্টিরন হরমোন সৃষ্টিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ইষ্ট্রোজেন এবং টেষ্ট্রোষ্টিরন হরমোনই নারী শরীরে যৌন আকাঙ্খা উৎপন্ন করে। 
  • পুর্বের ধর্ষণ কিংবা যন্ত্রনাদায়ক শারীরিক সম্পর্কের শিকার হওয়া। 
নারীদের যৌন অনীহায় করনীয় :-
যৌনকামে আপনার অনীহার কারন কি সেটা যদি আপনি অনুধাবন করতে না পারেন  তাহলে কাল বিলম্ব না করে ভালো একজন হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন। কিছুক্ষেত্রে ডায়াগোনোসিস এর প্রয়োজনও পড়তে পারে। কারণ এর পিছনে হয়ত অন্য আরো কোন কারণ থাকতে পারে যেটা আপনার হোমিওপ্যাথ বুঝবেন এবং আপনাকে যথাযথ সমাধান দিবেন।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি    *********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

Thursday, August 28, 2014

সহবাসে মহিলাদের কষ্টদায়ক কিছু সমস্যা এবং তার কার্যকরী সমধান

অনেক সময়ই দেখা যায় বিবাহিত মহিলারা সহবাসে বেশ কিছু কষ্টদায়ক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। বিষয়গুলি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকলে তারা নিজেরাই এরকম অনেক সমস্যার সমাধান করে নিতে পারেন। আবার কিছু কিছু সমস্যা রয়েছে তার জন্য যথাযথ ট্রিটমেন্ট নেয়া প্রয়োজন। কিন্তু তারা সংকোচ করে তা চিকিত্সককে বলেন না, গোপনে গোপনে শুধু কষ্টই সহ্য করে যান যা করা আদৌ উচিত হয়। এমনি কিছু সমস্যা এবং তার প্রতিকার সম্পর্কে নিচে আলোকপাত করা হলো।
সহবাসে মহিলাদের কষ্টদায়ক কিছু সমস্যা ও সমধান
যৌন চাহিদা কমে যাওয়া
এর কারণ কি হতে পারে ?
মেনোপজের কাছাকাছি বয়সের মহিলাদের এটি একটি উল্লেখযোগ্য সমস্যা। মেনোপজের আগে ইস্ট্রোজেন হরমোন লেভেল কমে যায়। লুব্রিকেশনের অভাবে ব্যথা ও ব্যথা থেকে আগ্রহ কমে যাওয়া এর প্রধান কারণ।

কি ভাবে সমাধান করবেন ?
হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি, ইস্ট্রোজেন ক্রিম ও সাপোজিটরি আর লুব্রিকেন্ট (পিচ্ছিল কারক ) কাজ দিতে পারে। এতে কাজ না হলে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন এবং চিকিত্সা নিন। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই নিশ্চিত সেরে যাবেন। 

যৌন চাহিদা হওয়ার পরেও লুব্রিকেশনের অভাব
এর কারণ কি হতে পারে ?
অনেকেরই যৌন চাহিদা হওয়া সত্ত্বেও যৌন স্থান ভিজে না। পানিশূন্যতা, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ( কাউন্টার এন্টিহিস্টামিন), নার্সিং, মেনোপজের সময় হরমোন লেভেল পরিবর্তন এর উল্লেখযোগ্য কারণ।

কি ভাবে সমাধান করবেন ?
পিচ্ছিল কারক পদার্থ ব্যবহার করতে হবে, পানি জাতীয় ব্যবহার করলে ভালো, কারণ কনডম এর জন্যে নিরাপদ। কিন্তু কেউ যদি তৈলাক্ত পিচ্ছিল কারক ব্যবহার করে তখন এটি কনডমের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে দিতে পারে। রঙ দেয়া, সেন্ট দেয়া ও ফ্লেভার জাতীয় লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা যাবে না। কারণ তা ইস্ট ইনফেকশন করে শুকনা ভাব আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেকের প্রশ্ন হতে পারে, ইস্ট ইনফেকশন কি তার পুরুষ সঙ্গীর শরীরেও ইনফেকশন করতে পারে? উত্তর হবে হ্যাঁ । এটি অনেক কমই হয়, কিন্তু হয়। একই রকম লক্ষণ যেমন- লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি, যৌনমিলনের পর অস্বাভাবিক নিঃসরণ হতে পারে। কোন পুরুষের যদি ডায়াবেটিস থাকে, এন্টিবায়োটিক নিতে থাকে অথবা সে তার যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কোন কারণে কমে যায় তখন তার আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি বেড়ে যায়। খৎনা করা না থাকলেও এর ঝুকি বেড়ে যায়। কারণ এর উপরের চামড়া ভেজা ভেজা অবস্থার সৃষ্টি করে যা ইস্ট বেড়ে ওঠায় সাহায্য করে।

মিশনারি (পুরুষ উপরে থাকা ) পজিশনে যৌন মিলনে সমস্যা হওয়া
শতকরা ২০ ভাগ মহিলার জরায়ু নরমালের উল্টো দিকে থাকতে পারে অর্থাৎ পেটের দিকে না থকে শিরদাঁড়ার দিকে থাকেতে পারে। এ ক্ষেত্রে টেম্পুন বা ডায়াফ্রাম ব্যবহার করা কষ্টকর হয় কারণ তা জরায়ুর ভেতর পর্যন্ত চলে যেতে পারে। তাই নারী উপরে থেকে মিলনে কষ্ট লাঘব হবে। আর মা হতে চাইলে যৌন মিলনের পর পেটের উপর অর্থাৎ উপুড় হয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলে তা স্পার্ম কে সাঁতরে জরায়ুমুখে যেতে সাহায্য করবে।

যৌনমিলনের পর তীব্র দুর্গন্ধ ও চুলকানি
এর কারণ কি হতে পারে ?
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এমন হতে পারে। নতুন বা একাধিক মিলন সঙ্গীর কারণে এমন হতে পারে। যৌন স্থানের ভেতরে কিছু দেয়া থাকলে ( যেমন চিকিৎসার জন্যে বা রোগ নির্ণয়ে কোন কিছু ব্যবহার করা হলে ) তা থেকেও হতে পারে। এর পাশাপাশি ইনফেকশনের আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে যেমন অস্বাভাবিক নিঃসরণ, জ্বালাপোড়া। চিকিৎসা না করা হলে ডেট এর আগেই ডেলিভারি হওয়া, স্বল্প ওজনের বাচ্চা জন্ম নিতে পারে।

কি ভাবে সমাধান করবেন ?
এন্টিবায়োটিক, যেমন- মেট্রোনিডাজল বা ক্লিন্ডামাইসিন ব্যবহারে লাভ হতে পারে। যাদের বাচ্চার জন্মকালীন ওজন কম বা যাদের ডেট এর পূর্বেই সন্তান জন্ম নিয়েছে তাদের স্ক্রিনিং করাতে হবে।

যৌন মিলনের পর প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া
এর কারণ কি হতে পারে ?
চাপে ঘষা লেগে মূত্রনালিতে ইরিটেশন হলে জ্বালাপোড়া হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ মিলন আর যৌন স্থানের শুষ্ক ভাবও এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ। প্রস্রাব নালীতে ইনফেকশন হলেও এই সমস্যা হতে পারে। যদি প্রস্রাব যৌন স্থানে লাগার পর জ্বালাপোড়া হয় তবে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মুত্রথলি খালি হওয়ার সাথে সাথে ব্যথা বাড়তে থাকলে মুত্রথলি ইনফেকশনের ব্যাপারেই সন্দেহ বেড়ে যায়।

কি ভাবে সমাধান করবেন ?
যৌন মিলনের পর বাথ টাব ভর্তি কুসুম গরম পানিতে বসে থাকলে ব্যথা কমতে পারে। তাছাড়া পিচ্ছিল কারক ব্যবহারেও মাঝে মাঝে উপকার পাওয়া যেতে পারে। যদি এসব কিছুতেই লাভ না হয় তবে ডাক্তার দেখাতে হবে কারণ তখন কারণটা ইনফেকশনের দিকেই বেশি ইঙ্গিত করে। পানি বেশি পান করলে পিচ্ছিলতা ও ইনফেকশন থেকে মুক্তি দুইটা জিনিসেই উপকার পাওয়া যায়।

সব শেষে কি করবেন ?
যখন দেখবেন কোনটাতেই কোনো ফল পাচ্ছেন না তখন কোনো প্রকার সংকোচ না করে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন এবং চিকিত্সা নিন। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই সমস্ত সমস্যাবলী নিশ্চিতরূপে দূর হয়ে যাবে। কারণ স্ত্রীরোগসমূহের চিকিত্সায় এবং মহিলাদের জটিল রোগসমূহ নির্মূলে জন্মলগ্ন থেকেই হোমিওপ্যাথি এক এবং অদ্বিতীয় ভুমিকা পালন করে আসছে।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি     ********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

ছেলে-মেয়েদের বয়ঃসন্ধি দেরীতে শুরু হওয়ার কারণ, লক্ষন এবং করণীয়

ছেলে-মেয়েদের কিশোর বা কিশোরী বয়সের প্রাথমিক পর্যায়ে শারীরিক এবং হরমোনজনিত পরিবর্তন শুরু হওয়াকেই সাধারণত বয়ঃসন্ধির সময় ধরা হয়ে থাকে। বয়ঃসন্ধি হচ্ছে কিশোরকালীন সময়ের শুরুতে শারীরিক পরিবর্তনের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যার ফলে সে শিশু থেকে কৈশরে পা রাখে এবং প্রজননে সামর্থ হয়। এই সময়ে যে পরিবর্তনগুলি হওয়ার কথা তা যদি সঠিক ভাবে না হয়ে থাকে তাহলে বিষয়টি চিন্তার উদ্রেগ করে বৈকি। তাই আপনার ছেলে মেয়েদের কারো এমনটি হলে বিষয়টা নিয়ে চিকিত্সকের সাথে আলোচনা করতে দেরী করবেন না। এখন আসুন এবিষয়ে আরো কিছু তথ্য জেনে নেই -
দেরীতে বয়ঃসন্ধি কত সময় স্থায়ী হতে পারে?
বয়ঃসন্ধি হয়তো কয়েক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং তা স্বাভাবিক বিষয়, তাই এটিকে স্বাভাবিক বলা যায়।

দেরীতে বয়ঃসন্ধির লক্ষন :-
ছেলে মেয়েদের বয়ঃসন্ধির দেরী হবার লক্ষন সমুহের মাঝে উল্ল্যেখযোগ্য কিছু কারণ নিম্নরূপ :-

ছেলেদের ক্ষেত্রে কেন হয় ?
  • ছেলেদের ১৪ বছর বয়সের আগে শুক্রাশয় বড় না হওয়া। 
  • বয়ঃসন্ধি শুরুর পাঁচ বছরের মধ্যে লিঙ্গের পরিপুর্নতা/বৃদ্ধি সম্পুর্ন না হওয়া। 
  • গোপনাঙ্গে এবং গোঁফে ১৫ বছর বয়সের মধ্যে চুল না গজানো। 
মেয়েদের ক্ষেত্রে কেন হয় ?
  • মেয়েদের ১৩ বছর বয়সের মধ্যে স্তনের আকার পরিবর্তন না হওয়া। 
  • মাসিক ঋজঃস্রাব এবং স্তনের আকার পরিবর্তনে পাঁচ বছরের বেশি ব্যবধান থাকা। 
  • ১৬ বছর বয়সের আগে মাসিক ঋজঃস্রাব শুরু না হওয়া। 
  • গোপনাঙ্গে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে চুল না গজানো। 
কি কারনে বয়ঃসন্ধি দেরী হতে পারে ?
নানা কারনে দেরীতে বয়ঃসন্ধি হতে পারে। তবে সচরাচর যে সকল বিষয় দেখা যায় তা হচ্ছেঃ
  • ক্ষুধাহীনতা
  • খাবারে অনীহা
  • মনস্তত্ত্বিক খাদ্য গ্রহনে অনীহা
কি করবেন ?
অনেক সময় অভ্যন্তরীণ শারীরিক গন্ডগোলের কারণে বা অন্য কোনো রোগ-ব্যাধির কারনেও এমনটি হতে পারে। তাই যে কারণেই হোক না কেন বিষয়টি নিয়ে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে আলোচনা করুন।
বিস্তারিত

Wednesday, August 27, 2014

অন্তঃসত্বা বা গর্ভবতী অবস্থায় যৌন মিলন - করণীয় এবং বর্জনীয়

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে অন্তঃসত্বা স্ত্রীর সাথে সহবাস বা যৌন মিলন করলে অনাগত সন্তানের কোনো ক্ষতি হবে কি না। বিশেষ করে নারীদের মনেই বেশি সন্দেহ জাগে যে গর্ভবতী অবস্থায় মিলন করা যায় কিনা। উত্তর প্রায় সবসময়/বেশিরভাগ নারীর জন্য 'হ্যাঁ'। অর্থাৎ যদি আপনার গর্ভকালীন সময় স্বাভাবিক ভাবে চলমান থাকে তাহলে আপনি সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায়ও সহবাস করতে পারেন। তবে আপনাকে গর্ভকালীন সময়ের নির্দিষ্ট কিছু সময়ব্যপ্তিতে সহবাস করা থেকে বিরত থাকতে হবে। 
গর্ভকালীন সময়ে সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে কখন ? 
কোন কারনে যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরন হলে :-
যদি আপনার গর্ভকালীন সময়ে অল্প কিংবা বেশি রক্তক্ষরন পরিলক্ষিত হলে শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। 

যৌন-সংক্রামন ব্যাধি :-
বীর্যের সংস্পর্শে  প্রোস্টাগ্লেনডিনস্ সংকুচিত হবার সম্ভাবনা থাকে যা প্রাক-প্রসব-বেদনাকে ঝামেলাপূর্ণ করে তুলতে পারে। আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার যৌন-সংক্রামন ব্যাধি থাকলে গর্ভকালীন শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। 

জরায়ুর গলদেশে সমস্যা থাকলে :-
যদি আপনার জরায়ুর মুখ অকালে খুলতে শুরু করে তাহলে শাররীক মিলন করলে রোগ সংক্রমনের সমুহ সম্ভাবনা থাকে। তাই এই অবস্থায় সহবাস করা উচিত নয়।

গর্ভের ফুল বা অমরা সমস্যায় থাকলে :-
যদি গর্ভের ফুল বা অমরা জরায়ুমুখ আংশিক কিংবা সম্পুর্নরূপে ঢেকে ফেলে তাহলে সহবাসের ফলে রক্তপাত এবং প্রাক প্রসব বেদনা শুরু হয়ে যেতে পারে। 

যদি আপনার চিকিত্সক আপানাকে গর্ভকালীন সহবাস করা থেকে বিরত থাকতে বলে তাহলে খুজে বের করুন তিনি কি বলতে চেয়েছে? ডাক্তার কি শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে বলেছে নাকি যৌন উত্তেজনা/তৃপ্তি থেকে বিরত থাকতে বলেছে? আর যদি ডাক্তার বারন করে তাহলে অবশ্যই জেনে নিবেন – কত সময়ের জন্য বারন করেছেন? উদাহরন স্বরূপঃ অনেক নারীর গর্ভধারনের প্রাথমিক ধাপে (প্রথম তিনমাস সময়ে) যদি অল্প পরিমান রক্তক্ষরন হয় তাহলে ডাক্তার বলেন শেষ বার রক্তক্ষরনের পর কমপক্ষে এক সপ্তাহ সময়কাল মিলন/অন্যকোন ভাবে যৌন তৃপ্তি থেকে বিরত থাকেন।

গর্ভবতী অবস্থায় নারীর জন্য আরামদায়ক যৌন আসন ভঙ্গি সমুহ
গর্ভকালীন সময় অন্য সময়কালের মত আসনভঙ্গিতে শাররীক মিলন করা যায়না। এটি মা এবং সন্তান উভয়ের জন্য ক্ষতির কারন হতে পারে। তাই এই সময়কালে যৌন আসন সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরী।

স্পুনিং / একপাশে কাত হয়ে শুয়ে মিলন :-
এ আসনে স্ত্রী হাটেু ভেঙ্গে পাশে কাত হয়ে শুবেন এবং স্বামী তার  স্ত্রীর পিছেনে থেকে শাররীক মিলন করবেন। স্পুনিং ভাল ভাবে কাজ করে যদি পুরুষ নারীর ঊরূর মাঝে দিয়ে লিঙ্গ সঞ্চালন করেন। এ পদ্ধতিতে তলপেটে কোন চাপ পড়েনা এবং আস্তে আস্তে মিলন করার সুবিধা থাকে যা গর্ভবতীর জন্য জরুরী।

হাটু এবং হাতে ভর :-
এই ভঙ্গিটি দেখতে হামাগুড়ি দিয়ে হাটার সময় শরীরের যে রকম আকার হয় সেরকম। এই ভঙ্গিটিও গর্ভবতী নারীর জন্য ভাল – এতে পেটে কোন প্রকার চাপ পড়েনা।

নারী উপরে :-
এ আসনে নারীর নিয়ন্ত্রন থাকে কত গভীরতায় লিঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হবে। এ পদ্ধতিতে বেশিরভাগ কার্যক্রম নারী নিজের ইচ্ছে/সুবিধা মত করতে পারেন। এই ভঙ্গিতে গর্ভের পুরো সময়কাল এমনকি শেষ সময়েও নারী অনেক কম ঝুকিতে থাকেন।

অনেক বিবাহিত যুগল এই ভেবে উদ্বিগ্ন থাকেন যে – গর্ভবতী অবস্থায় সহবাস করলে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, প্রধানতঃ গর্ভধারনের প্রথম তিন মাস সময়কালে। সাধারনত প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রুন নষ্ট হওয়া ক্রোমোজোম অস্বাভাবিকতা অথবা নিষিক্ত ডিম্বানু ভ্রুনে রূপান্তরিত হবার সময়কালে অন্যান্য সমস্যার সাথে সম্পর্কিত – শাররীক মিলনের ফলে ভ্রুন নষ্ট হবার ধারনাটি ভুল। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। 
বিস্তারিত

চাপমুক্ত মন পুরুষের সুস্থ যৌন জীবনের প্রতিশ্রতি

"পুরুষের যৌন দুর্বলতা" প্রসঙ্গে আমাদের ইংরেজি ব্লগের একটা আর্টিকেলে আমেরিকার একজন যৌন বিশেষজ্ঞ কমেন্ট এর মাধ্যমে পুরুষের যৌন দুর্বলতা এবং দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা সমাধানে চাপ মুক্ত থাকার পক্ষে যুক্তি দেখিয়েছিলেন। যদি আপনার অন্য কোনো রোগ-ব্যাধি এ সমস্যার পেছনে না থেকে থাকে তাহলে চাপ মুক্ত থাকাটা এক্ষেত্রে ভালো ভুমিকা রাখে। বর্তমান ব্যস্ত সময়ে প্রতিনিয়তই মানুষকে বিভিন্ন পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হয়। এতে মানুষের শরীর ও মনে পড়ে বাড়তি চাপ। তাই আসুন কিভাবে প্রত্যাহিক জীবনে চাপমুক্ত থাকবেন এই বিষয়ে অবগত হই।
হোন ইতিবাচক :-
সমস্যা ও ভুলের প্রতি নজর কমান। সমস্যা বেশি বড় মনে করলে ও কৃত ভুলগুলো বেশি বেশি নজরে আনলে মানসিক চাপ বেশি বাড়ে। সুতরাং, ইতিবাচক হোন, এগিয়ে যান ভবিষ্যত লক্ষ্য সামনে রেখে।

বর্তমানকে গুরুত্ব দিন :-
চাপমুক্ত জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো বর্তমান সময়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। অতীতে কি হয়েছে কিংবা ভবিষ্যতে কি হবে তা চিন্তা না করে চলমান সময়কে উপভোগ করুন, অভ্যস্ত হোন চাপমুক্ত জীবন-যাপনে।

দৃষ্টি সরিয়ে নিন :-
অনেক সময় কোনো একটা ইস্যুতে শরীর ও মন ভীষণ চাপের মধ্যে থাকে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে ওই বিষয়টি থেকে দৃষ্টি অন্য দিকে সরিয়ে নিন। দেখবেন মানসিক চাপ অনেকটাই কমে গেছে। পরবর্তীতে ওই সমস্যাটাও সমাধান করতে পারছেন।

হাল ছাড়বেন না :-
জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন মনে হয় সব কিছুই বিরুদ্ধে যাচ্ছে। তখন অনেকেই দিশেহারা হয়ে হাল ছেড়ে দেন। সফল ও ব্যর্থ লোকদের মধ্যে পার্থক্য এখানেই। সফলরা এরকম সময়ে হাল ছাড়েন না। অন্যদিকে ব্যর্থরা হাল ছেড়ে দিয়ে সবকিছু হারিয়ে ফেলেন। তাই হাল ধরে রাখুন, সফল হোন। 

ঘুমান ও ব্যায়াম করুন :-
ঘুম ও ব্যায়াম সব প্রকার মানসিক চাপ থেকে মুক্তির মহাষৌধ। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। দেখবেন চাপ আপনার মন থেকে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে।

ভালো সময় কাটান :-
যখনই মানসিক চাপ অনুভব করবেন তড়িৎগতিতে সিদ্ধান্ত নিন ভালো কোনো জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার। আর হ্যাঁ, সঙ্গে অবশ্যই প্রিয় কোনো মানুষকে নিতে ভুলবেন না। কাছের মানুষের উপস্থিতি সুন্দর মুহূর্তগুলোর আনন্দ অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

সতর্ক ও প্রস্তুত থাকুন :-
নিয়মিত পড়াশোনা, অনুধাবন ও সচেতনতার মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত রাখুন। যখন কোনো বিষয়ে প্রচণ্ড মানসিক চাপ অনুভব করবেন তখন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে আপন জ্ঞানের ভুবনে ডুব মারুন। চাপ কীভাবে দূর হবে টেরই পাবেন না।
বিস্তারিত

Tuesday, August 26, 2014

স্বামী স্ত্রীর সহবাস বা যৌন মিলনের স্থায়িত্ব কত সময় হওয়া উচিৎ?

তরুণ-যুবকদের কাছ থেকে প্রায়ই এ ধরনের প্রশ্ন আসে আমাদের কাছে। তাই চিন্তা করলাম বিষয়টা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা দরকার। স্বামী স্ত্রীর সহবাস বা যৌন মিলনের স্থায়িত্ব বা আদর্শ সময় কতটুকু হওয়া দরকার এ বিষয়টা নিয়ে মূলত অবিবাহিত তরুণরাই বেশি প্রশ্ন করে থাকেন।

সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব সেক্সুয়াল মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণার ফলাফলে পাওয়া গেছে যে- "সর্বোত্তম যৌন মিলনের সময়-ব্যপ্তি ৭ (সাত) থেকে ১৩ (তের) মিনিট পর্যন্ত হয়ে থাকে " তবে ড. ইরিক কোট্রি, বিহ্‌রেন্ড কলেজ ইন ইরিক, পেনসিলভিনিয়া তার গবেষনায় প্রমান করেছেন - ৩ (তিন) মিনেটের ভালবাসাপুর্ন শাররীক মিলনই 'পর্যাপ্ত'।

গবেষনায় যৌন অভিজ্ঞদের কাছে তাদের 'পেনিট্রেটিভ সেক্স অর্থাৎ লিঙ্গ যৌনাঙ্গে স্থাপন করে অন্তরঙ্গ মিলন' এর সময় ব্যপ্তির বিশ্বাস সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। এজন্য আমেরিকান এবং কানাডিয়ান যুগলকে র‌্যান্ডম সিলেকশানের মাধ্যমে প্রশ্ন করা হয়। তাদের সবার উত্তর-ই ছিল – সাত থেকে তের মিনিটের যৌন মিলন 'কাম্য বা বাঞ্চনীয়'।

গবেষনার সমাপ্তিতে  বলা হয় ৩ (তিন) থেকে ৭ (সাত) মিনেটের যৌনমিলন মোটের উপর "পর্যাপ্ত" কিন্তু তিন মিনেটের কম সময় "খুব কম সময়" এবং তের মিনিটের বেশি সময় মিলন "খুব লম্বা সময়"।
স্বামী স্ত্রীর সহবাস বা যৌন মিলনের স্থায়িত্ব কত সময় হওয়া উচিৎ?
এই গবেষনা মুলত নারীপুরুষের স্বাস্থ্যকর শাররীক মিলনে সময়কাল নিয়ে "অবাস্তব কল্পনা" দূর করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছিল। কারণ নিউজ.কম.এইউ ড. ইরিক কোট্রি এর উদ্বৃতি দিয়ে প্রকাশ করেছে যে-যৌন বিষয়ে নারীর অবাস্তব কল্পনাগুলো হচ্ছে – পুরুষের লিঙ্গ হবে মোটা এবং লম্বা, উত্তেজিত অবস্থায় রডের মত দৃঢ়, এবং সারারাত ধরে মিলনে সামর্থ্যবান। অন্যদিকে পুরুষের ভাবনায় – নারী হবে বিছানায় যৌনকর্মঠ, নিটোল এবং সুন্দর শরীরের অধিকারী, সকল অবস্থায় সহযোগী।

অংশগ্রহনকারী যুগলকে তাদের উত্তর প্রদানের পর যৌনমিলনের আদর্শ/মানদন্ড সম্পর্কে নির্দেশনা দেয়া হয়। তাদেরকে শাররীক মিলনে তৃপ্তির সুচক হিসেবে অলীক কল্পনা থেকে বেরিয়ে এসে বাস্তববাদী হবার পরামর্শ দেয়া হয়।

অন্য একটি গবেষনায় পাওয়া তথ্য মতে – যৌনবিষয়ে সঠিক শিক্ষা, অঞ্চল, চামড়ার রঙ এবং শারীরিক আকারের পার্থক্যের উপর ভিত্তি করে যৌনমিলনে সময়-ব্যপ্তির তারতম্য দেখা যায়। দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলি যেমন:- বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার (বাদামী চামড়ার মধ্যম আকারের মানুষ) অর্থাৎ এই অঞ্চলের দম্পতীদের মিলনকালের (পেনিট্রেটিভ সেক্স) গড় সময় ৪ (চার) মিনিট কে "পর্যাপ্ত" বলা হয়েছে। এর সাথে উল্লেখ্য – এ অঞ্চলের নারীরা অজ্ঞতা এবং সঙ্গী খারাপ মনে করবে এই ধারনা থেকে মিলনকালে সক্রিয় না থাকার কারনে পশ্চিমা বিশ্বের তুলনায় অনেক কম হারে পুর্ন-কাম-তৃপ্তি অর্জন করে থাকেন।

আশা করি আপনাদের সবারই স্বামী স্ত্রীর সহবাস বা যৌন মিলনের স্থায়িত্ব নিয়ে বাস্তব ধারনাটা হয়ে গেছে। আর একটা বিষয় মনে রাখবেন পুরুষদের ক্ষেত্রে যৌন মিলনের স্থায়িত্বটা তাদের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে না। এটা সরাসরি নির্ভর করে শারীরিক সক্ষমতার উপর। তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, ব্যায়াম করা ইত্যাদির মাধ্যমে পুরুষ তাদের যৌন মিলনের সক্ষমতাটা ধরে রাখতে পারেন, এক্ষেত্রে  কোন প্রকার ঔষধ খাওয়ার দরকার নেই।

গবেষণায় দেখা গেছে যে সকল পুরুষ যৌন শক্তির জন্য নানা প্রকার হারবাল ঔষধ খেয়ে থাকেন এক সময় তারা নিজেদের যৌন সক্ষমতাটা হারিয়ে ফেলেন এমন কি তখন তাদের শরীরে এর জন্য আর কোনো ঔষধই কাজ করে না। তাই কোনো সময় ভুল করেও চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া অথবা সখের বসে ঐসব উত্তেজক হারবাল ঔষধ খাবেন না। কারণ এটাই এক সময় আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলবে। যৌন সংক্রান্ত কোন সমস্যা থাকলে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিন যা অল্প কয়েক দিনেই আপনাকে চির আরোগ্যের দিকে নিয়ে যাবে এবং তার জন্য আপনাকে আর কখনো ঔষধ খেতে হবে না।
বিস্তারিত

Tuesday, August 19, 2014

যৌনতা নিয়ে পুরুষরা সতর্ক হন - ক্ষতিকর হারবাল ঔষধে পুরুষের ক্ষমতা হ্রাস পায়

উত্তেজক হারবাল ঔষধের বাস্তব ক্ষতিকর দিক গুলি নিয়ে আলোকপাত করেছেন প্রখ্যাত চিকিত্সক ডাঃ মোড়ল নজরুল ইসলাম। প্রায় বছর দুয়েক ধরে স্বাস্থ্য পাতায় পুরুষের সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে লিখে আসছি। লেখাটির উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশের হাজার হাজার তরুণ, যুবক এবং বিবাহিত পুরুষের মধ্যে শারীরিক সমস্যা নিয়ে নানা ভুল ধারণা নিরসন করা। আমার এই লেখাটি বিভ্রান্ত যুবসমাজের কতটা উপকারে এসেছে তা বলার জন্য আজকের এই লেখাটি নয়। গতমাসে প্যারিস গিয়েছিলাম ইউরোপিয়ান একাডেমী অব ডার্মাটোলজি কনফারেন্সে। আমার সঙ্গে ছিলেন বারডেম হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ রেজা বিন জায়েদ।
সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ১৫ হাজার চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ যোগ দেন বিশ্বের এই অন্যতম বৃহত্তম ডার্মাটোলজি কনফারেন্সে। চর্মরোগ, লেজার ও ত্বকের কসমেটিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিশ্ব কতখানি অগ্রসর হয়েছে তা ইউরোপিয়ান কংগ্রেসে যোগদান না করলে বুঝা কঠিন। বিশ্বের অপর বৃহত্তম ডার্মাটোলজী কংগ্রেস হচ্ছে আমেরিকান একাডেমী অভ ডার্মাটোলজি কংগ্রেস। এ দুটো কংগ্রেস নিয়ে আমার লেখার কোন ইচ্ছা নেই। শুধু ইউরোপিয়ান একাডেমী অব ডার্মাটোলজির একটি বিষয় নিয়ে লিখতে চাই। আর এ বিষয়টি আমার লেখা পুরুষ সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। 

প্যারিসে অনুষ্ঠিত ডার্মাটোলজি কংগ্রেস এর একটি পেইড টপিকস ছিলো এন্ড্রোলজি বা পুরুষের যৌন সমস্যা বা শারীরিক সমস্যা বিষয়ক। আমার এবং ডাঃ রেজা বিন জায়েদের খুব ইচ্ছা ছিলো এন্ড্রোলজির লেকচার শুনবো। প্যারিস ডার্মাটোলজি কনফারেন্সে এমনিতে ফিস দিয়েই রেজিস্ট্রেশন করতে হয়েছে। কিন্তু এন্ড্রোলজি লেকচারে যোগদান করতে হলে অতিরিক্ত ৩৫ ইউরো বা সাড়ে তিন হাজার টাকা দিতে হবে। এতেও আমাদের আপত্তি ছিলো না। কিন্তু এন্ড্রোলজি লেকচারে অংশ নিতে বিশেষজ্ঞদের এতই উৎসাহ ছিলো যে, কুপন ফুললি সোল্ড হয়ে যায়। অনেক চেষ্টা করে বিনা কুপনে হলে ঢুকে পড়ি। 

আমার খুব ইচ্ছা ছিল এন্ড্রোলজি সম্পর্কে জানবো। কারণ বাংলাদেশে পুরুষের সেক্স সমস্যা নিয়ে আমাকে অনেক ক্ষেত্রে পরামর্শ দিতে হয়। সম্ভবতঃ ডাঃ রেজা বিন জায়েদ আমার পথ অনুসরণ করতে পারেননি। যাহোক পুরো এক ঘণ্টার লেখচারে দেখানো হলো ইউরোপেও কিভাবে পুরুষের শারীরিক সমস্যা বাড়ছে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো সেক্স সমস্যার সমাধানে বিশেষজ্ঞ কখনও বললেন না কোন হারবাল মেডিসিনের কথা। শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ পুরুষের নানা কারণে শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়।

আমি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের তরুণ ও যুব সমাজকে সচেতন করার জন্য যে ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছি মোটামুটি একই রকম তথ্য দেয়া হয় প্যারিস কনফারেন্সে। তবে পার্থক্য হচ্ছে বাংলাদেশের লাখ লাখ তরুণ নানা বিভ্রান্তির শিকার । আর ইউরোপে তরুণদের শারীরিক সমস্যা নিয়ে কোন বিভ্রান্তি নেই। তারা জানেন না এ ধরনের সমস্যার কথা। তবে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষায় শতকরা সর্বোচ্চ ২ থেকে ৫ ভাগ অক্ষমতা থাকতে পারে। এ ধরনের সমস্যায় কখনও হারবাল চিকিৎসার কোন বৈজ্ঞানিক যৌক্তিকতা নেই। কিন্তু বাংলাদেশে একশ্রেণীর ওষুধ প্রুস্ততকারী  প্রতিষ্ঠান তরুণ-যুবকদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে হারবালের নামে নানা ক্ষতিকর উপাদানে তৈরী যৌন উত্তেজক ওষুধ উচ্চমূল্যে বিক্রয় হয়। আর তরুণ-যুবক এবং অনেক ক্ষেত্রে বিবাহিত পুরুষরাও এসব ক্ষতিকর ওষুধ সেবন করছে। 

কোনভাবেই উপযুক্ত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোন ধরনের যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। এতে শরীরের স্বাভাবিক ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। প্যারিস কনফারেন্সে এন্ড্রোলজি লেকচারে যেসব কারণে পুরুষের শারীরিক সমস্যা হতে পারে তা তুলে ধরা হয়। যেমন ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বি বা কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়া, দীর্ঘদিন মানসিক চিকিৎসার ওষুধ সেবন, ননস্টেরাডাল এন্টি ইনক্লামেটরী ড্রাগ সেবন, হরমোনের স্বল্পতা, কিছু কিছু হ্নদরোগ এবং প্রবল মানসিক চাপ অন্যতম। বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের সমস্যার যথাযথ চিকিৎসা, মানসিক চাপমুক্ত থাকা এবং শারীরিক ফিটনেসের কথা বলেন।

এছাড়া যাদের শতকরা ২ ভাগ ক্ষেত্রে প্রকৃত শারীরিক সমস্যা রয়েছে তাদের চিকিৎসার প্রয়োজনীতার কথা বলা হয়। এন্ড্রোলজির আরও কিছু তথ্য নিয়ে পরবর্তীতে লিখতে চাই। তবে যে কথাটি বলতে চাই তা হচ্ছে তরুণ-যুবক এবং বিবাহিত পুরুষদের কোনভাবেই অপ্রয়োজনীয় উত্তেজক ওষুধ সেবন করা উচিত নয়। পাশাপাশি কোন ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়।
বিস্তারিত

Sunday, August 17, 2014

পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার কারণ, জটিলতা, প্রতিরোধ এবং চিকিত্সা

কোনো নারী-পুরুষ যখন যৌন সঙ্গম শুরু করার আগেই কিংবা যৌনসঙ্গম শুরুর একটু পরেই যদি পুরুষের বীর্যপাত ঘটে যায় - তাহলে পুরুষটির ক্ষেত্রে যে সমস্যাটি বুঝায় তার নাম প্রি-ম্যাচিউর ইজেকুলেশন সহজ বাংলায় যাকে বলা হয় দ্রুত বীর্যপাত। দ্রুত বীর্যপাত পুরুষদের একটি সাধারণ যৌনগত সমস্যা। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প্রতি তিনজন পুরুষের মধ্যে একজনই দ্রুত বীর্যপাত সমস্যায় ভোগে থাকেন।
একসময়ে ধারণা করা হতো যে, দ্রুত বীর্যপাতের কারণ হলো সম্পূর্ণ মানসিক, কিন্তু বর্তমানে বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত বীর্যপাতের ক্ষেত্রে শারীরিক বিষয়গুলোও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে দ্রুত বীর্যপাতের সাথে পুরুষত্বহীনতার সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে অনেক চিকিৎসা বেরিয়েছে - যেমন বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও বিভিন্ন যৌন পদ্ধতির শিক্ষা। কিন্তু দেখা গেছে এগুলোরই কোনই অধিকাংশের ক্ষেত্রেই কোনো ফল দেয় না ।

দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার উপসর্গ কি কি :-
পুরুষের বীর্যপাত হতে কতটা সময় নেবে সে ব্যাপারে চিকিৎসা বিজ্ঞানে আদর্শ মাপকাঠি নেই। দ্রুত বীর্যপাতের প্রাথমিক লক্ষণ হলো নারী-পুরুষ উভয়ের পুলক লাভের আগেই পুরুষটির বীর্যপাত ঘটে যাওয়া। এ সমস্যা সব ধরনের যৌনতার ক্ষেত্রে ঘটতে পারে। এমনকি হস্তমৈথুনের সময়ও কিংবা শুধু যৌনমিলনের সময়ও।

দ্রুত বীর্যপাত সমস্যাকে  দু' ভাগে ভাগ করা হয় :-
  • প্রাইমারি প্রি-ম্যাচিউর ইজেকুলেশন :- এটি হলো আপনি যৌন সক্রিয় হওয়া মাত্রই বীর্যপাত ঘটে যাওয়া।
  • সেকেন্ডারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন :- এ ক্ষেত্রে আগের বা প্রথম দিকের যৌনজীবন তৃপ্তিদায়কই ছিল, বর্তমানে দ্রুত বীর্যপাত ঘটছে।
পুরুষের দ্রুত বীর্যপাতের কারণ :-
কী কারণে দ্রুত বীর্যপাত হচ্ছে তা নিরূপণ করতে বিশেষজ্ঞরা এখন পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একসময় ধারণা করা হতো, এটা সম্পূর্ণ মানসিক ব্যাপার। কিন্তু বর্তমানে জানা যায়, দ্রুত বীর্যপাত হওয়া একটি জটিল বিষয় এবং যার সাথে মানসিক ও জৈবিক দু’টিরই সম্পর্ক রয়েছে।

জৈবিক কারণ :-
বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন, কিছুসংখ্যক জৈবিক বা শারীরিক কারণে দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে পারে। এসব কারণের মধ্যে রয়েছে-
  • হরমোনের অস্বাভাবিক মাত্রা
  • মস্তিষ্কের রাসায়নিক উপাদান বা নিউরোট্রান্সমিটারের অস্বাভাবিক মাত্রা
  • বীর্যস্খলনে অস্বাভাবিক ক্রিয়া
  • থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
  • প্রোস্টেট অথবা মূত্রনালীর প্রদাহ ও সংক্রমণ
  • বংশগত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
মানসিক কারণ :-
কিছু চিকিৎসক বিশ্বাস করেন, প্রথম বয়সে যৌন অভিজ্ঞতা ঘটলে তা এমন একটি অবস্থায় পৌছে যে, পরবর্তী যৌন জীবনে সেটা পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে। যেমন-
  • লোকজনের দৃষ্টিকে এড়ানোর জন্য তড়িঘড়ি বা তাড়াতাড়ি করে চরম পুলকে পৌঁছানোর তাগিদ।
  • অপরাধ বোধ, যার কারণে যৌনক্রিয়ার সময় হঠাৎ করেই বীর্যপাত ঘটে যায়। অন্য কিছু বিষয়ও আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটাতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
পুরুষাঙ্গের শিথিলতা :- যেসব পুরুষ যৌনমিলনের সময় তাদের লিঙ্গের উত্থান ঠিকমতো হবে কি না কিংবা কতক্ষণ লিঙ্গ উত্থিত অবস্থায় থাকবে এসব বিষয় নিয়ে চিন্তিত পুরুষের দ্রুত বীর্যস্খলন ঘটে।
দুশ্চিন্তা :- অনেক পুরুষের দ্রুত বীর্যপাতের একটি প্রধান কারণ দুশ্চিন্তা। সেটা যৌনকাজ ঠিকমতো সম্পন্ন করতে পারবেন কি না সে বিষয়ে হতে পারে। আবার অন্য কারণেও হতে পারে। দ্রুত বীর্যপাতের আরেকটি প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত উত্তেজনা।
নিচের কারণগুলোর জন্যও দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে পারে :-
  • সার্জারি বা আঘাতের কারণে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হওয়া।
  • মাদক বা নারকোটিকস কিংবা দুশ্চিন্তার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ ট্রাইফ্লুপেরাজিন প্রত্যাহার করা এবং অন্য মানসিক সমস্যা থাকা।
বেশির ভাগ প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনের ক্ষেত্রে শারীরিক ও মানসিক দু’টি বিষয়ই দায়ী। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন প্রাথমিকভাবে সবচেয়ে দায়ী হলো শারীরিক কারণ যদি সেটা জীবনভর সমস্যা হয়ে থাকে ।

দ্রুত বীর্যপাতে ঝুঁকি বাড়াতে পারে যেসব বিষয় :-
  • স্বাস্থ্যগত সমস্যা :- যদি এমন স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে যার কারণে যৌনমিলনের সময় উদ্বেগ অনুভব করে যথা- হৃদরোগ থাকে। এতেও দ্রুত বীর্যপাতের ঘটনা ঘটতে পারে।
  • পুরুষাঙ্গের শিথিলতা :- লিঙ্গ ঠিকমতো উত্থিত না হয়, মাঝে মাঝে উত্থিত হয় অথবা উত্থিত হয় কিন্তু বেশিক্ষন এ অবস্থায় না থাকে তাহলে দ্রুত বীর্যপাত ঘটার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। যৌনসঙ্গমের সময় লিঙ্গের উত্থান অবস্থা বেশিক্ষণ থাকবে না, এমন ভয়ও দ্রুত বীর্যপাত ঘটাতে পারে।
  • মানসিক চাপ :- আবেগজনিত কারণ কিংবা মানসিক চাপ দ্রুত বীর্যস্খলনের ব্যাপারে ভূমিকা রাখে।
  • ওষুধ :- ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও দ্রুত বীর্যস্খলন ঘটাতে পারে।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রোগ নির্ণয় :-
চিকিৎসক বিস্তারিত যৌন ইতিহাস জেনে তার ওপর ভিত্তি করে দ্রুত বীর্যপাত রোগ নির্ণয় করেন। চিকিৎসক স্বাস্থ্যের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন। তিনি সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা করতে পারেন।
পুরুষ হরমোনের (টেস্টোস্টেরন) মাত্রা দেখার জন্য রক্ত পরীক্ষাসহ আরো কিছু পরীক্ষা করতে দিতে পারেন।

কি কি জটিলতা রয়েছে :-
যদিও দ্রুত বীর্যপাত আপনার মারাত্মক স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ায় না, কিন্তু এটা ব্যক্তিগত জীবনে ধস নামাতে পারে। যেমন-
  • সম্পর্কে টানাপড়েন :- দ্রুত বীর্যপাতের সাধারণ জটিলতা হলো যৌনসঙ্গিনীর সাথে সম্পর্কের অবনতি।
  • বন্ধ্যত্ব সমস্যা :- দ্রুত বীর্যপাত মাঝে মধ্যে বন্ধ্যাত্ব ঘটাতে পারে। যেসব দম্পতি সন্তান নেয়ার চেষ্টা করছেন সেটা অসম্ভব হতে পারে। যদি দ্রুত বীর্যপাতের ঠিকমতো চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে সঙ্গি ও সঙ্গিনীর দু’জনেরই বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
প্রতিরোধ :-
দ্রুত বীর্যপাতের কারণে যৌনসঙ্গিনীর সাথে ঠিকমতো যোগাযোগ বন্ধন গড়ে উঠতে নাও পারে। চরম পুলকে পৌঁছতে পুরুষের তুলনায় নারীর দীর্ঘ উদ্দীপনার প্রয়োজন হয় আর এই পার্থক্য একটা দম্পতির মধ্যে যৌন অসন্তুষ্টি ঘটাতে পারে। অনেক পুরুষ যৌন মিলনের সময় চাপ অনুভব করেন বলে দ্রুত বীর্যপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

নারী ও পুরুষ একে অপরকে বুঝতে পারলে দু’জনের জন্যই যৌন আনন্দ লাভ করা সহজ হয়। এতে উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তাও দূর হয়। যদি সঙ্গিনীর কাছ থেকে যৌনসুখ লাভ না করেন তাহলে তার সাথে খোলামেলা আলাপ করুন। আপনাদের মধ্যে সমস্যাটা কোথায় তা খুঁজে বের করুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিন। এ ক্ষেত্রে সব লজ্জা ও জড়তা ঝেড়ে ফেলে খোলা মনে আলাপ করুন। এ সমস্যা খুবই সাধারণ এবং এর চিকিৎসাও রয়েছে।

হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা :-
সেক্সুয়াল থেরাপি, সাইকোথেরাপি বা অ্যালোপ্যাথি কোনটাই কার্যকর সমাধান আজও দিতে পারে নি এ ক্ষেত্রে । অথচ প্রতিদিনই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন ও সফল হোমিওপ্যাথি চিকিত্সায় লাখ লাখ তরুণ-যুবক দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়ে নব যৌবন লাভ করছে। আবার এটাও সত্য যে, অনেক অনভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার দ্বারা ভুল চিকিত্সায় প্রতারিতও হচ্ছেন অনেকে । তাই যারা এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এবং দক্ষ হোমিওপ্যাথ তাদের থেকে চিকিত্সা নিন আশা করি দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা থেকে চির মুক্তি পাবেন। ধন্যবাদ।
বিস্তারিত

Tuesday, July 29, 2014

স্তনের আকৃতি বড় করতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

হোমিও রিমেডি ব্যবহার করে স্তনের আকৃতি বড় করতে অনেক নামকরা হোমিওপ্যাথরাও অসস্তিতে পড়ে যান। কারণ, এর পেছনে রয়েছে রোগীর পারিবারিক বংশগত এবং পূর্বসূরীদের জিনগত বৈশিষ্ট্য। তার পরেও হোমিওপ্যাথিতে এর বেশ সাফল্য রয়েছে। 

শারীরিক আকৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সুগঠিত দুটি স্তন কেবল দুগ্ধপোষ্য শিশুদের জীবন রক্ষার জন্যই প্রয়োজনীয় নয়, বরং এগুলো নারীদের স্বাভাবিক সৌন্দর্যের জন্যও একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। বয়স হওয়ার পরেও যেসব মেয়েদের স্তন ক্ষুদ্রাকৃতিই রয়ে গেছে, এজন্য তারা ভীষণ দুঃশ্চিন্তায় ভোগেন। 

পশ্চিমা দেশের পয়সাওয়ালা ফ্যামিলির মেয়েরা অপারেশন করে স্তনের ভেতরে সিলিকনের বস্তা ভরে স্তনের আকৃতি বড় করে থাকে। এতোদিন সার্জনরা এই অপারেশনে কোন ক্ষতি হয় না বলে প্রচার করলেও সমপ্রতি আমেরিকার খাদ্য ও ঔষধ কর্তৃপক্ষ (FDA) এই বলে সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই অপারেশনের ফলে autoimmune reactions অথবা connective tissue disorders সমস্যা দেখা দিতে পারে, যার ফলে weakness, immune system damage, poor memory, fatigue, chronic flu-like illness ইত্যাদি রোগ হতে পারে।

তাই, মা বোনদের কারো যদি স্তনের আকৃতি বড় করতে একান্ত কোনো ইচ্ছা থেকে থাকে তাহলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে দেখতে পারেন আশা করি ভালো ফল পাবেন। ধন্যবাদ।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি    *********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
বিস্তারিত

Thursday, July 17, 2014

দ্রুত বীর্যপাত এর স্থায়ী সমাধান কি ?

আসুন প্রথমেই জেনে নেয়া যাক, দ্রুত বীর্যপাত বা Premature Ejaculation মানে কি? যৌনমিলনের সময় যোনিতে মৈথুন করা শুরু করার সামান্য কিছুক্ষন পরেই এবং কিছু ক্ষেত্রে যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশের পূর্বেই Foreplay এর মাঝে ছেলেদের বীর্যস্খলন হয়ে যাওয়াকে দ্রুত বীর্যপাত বলে। যাদের এ প্রবনতা আছে বলে ধরা হয় তাদের মূলত যৌনমিলনের মৈথুন বা হস্তমৈথুন করার সময় ১-৫ মিনিট এর মধ্যেই বীর্যস্খলন ঘটে যায়। আমাদের দেশের তরুণরা সাধারণত বিয়ের আগে নানা প্রকার যৌন অনাচারে অভ্যস্থ হয়ে এ সমস্যাটির সৃষ্টি করে থাকে। 

স্বাভাবিক অবস্থায় এ সময় সাধারনত ৫ থেকে ১০-১৫ মিনিট পর্যন্ত হয়ে থাকে। যেহেতু কমবেশি সব মেয়েরই Foreplay’র মাধ্যমে মোটামুটিভাবে যৌনত্তেজিত হওয়ার পরও, যোনি মৈথুনে অর্গাজম হতে কমপক্ষে ৫-৭ মিনিট সময় লাগে তাই ১-৫ মিনিটের এত সংক্ষিপ্ত মিলনে তার তৃপ্তি হয়না বলাই বাহুল্য। তাছাড়া ছেলেদেরও সামান্য সময়ের এই মিলনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অর্গাজম হয়না। এপ্রসঙ্গে অনেকেরই একটা ভুল ধারনা এই যে ছেলেদের বীর্যপাত মানেই অর্গাজম। কিন্ত প্রকৃতপক্ষে, বীর্যপাত আর অর্গাজম সম্পূর্ন আলাদা দুটি অবস্থা। এটা ঠিক যে প্রায় সব ক্ষেত্রেই ছেলেদের যখনই অর্গাজম হয় তাদের বীর্যপাত ঘটে। কিন্ত অনেক সময় ছেলেটি পরিপূর্ন উত্তেজিত না থাকলে, তার বীর্যস্খলন হলেও অর্গাজম নাও হতে পারে। তবে দ্রুত বীর্যপাত সমস্যায় কেউ আক্রন্ত হলে এর সুচিকিৎসা ছাড়া এ থেকে নিস্তার পাওয়া প্রায় অসম্ভব। তাই কোন প্রকার সংকোচ না করে ঠিক সময়ে যথাযথ চিকিৎসা নেয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
দ্রুত বীর্যপাত এর স্থায়ী সমাধান কি
দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার বেশ কিছু কারণ থাকে যার অধিকাংশ সময় ডাক্তারি পরীক্ষায় ধরা পড়ে না। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা রোগীর Characteristics symptoms দেখে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন যা মূল কারণটাকে নির্মূল করে দেয় যার কারণে দ্রুত বীর্যপাত বলেন আর পরুষের অন্যান্য সমস্যাসমূহ বলেন সব গুলিকে দূর করতে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ বরাবরই সিদ্ধ হস্ত এ বিষয়ে আপনারা অনেকেই হয়ত অবগত আছেন।

অনেকেই আমাকে ঔষধের নাম উল্লেখ করতে অনুরোধ করে থাকেন। কিন্তু তাতে বিপত্তিটাই বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ অ্যালোপ্যাথির মত কিনে এনে খেয়েই আপনি রেজাল্ট আশা করেতে পারবেন না যদি আপনি একজন হোমিওপ্যাথ না হন । আপনারা অনেকই হয়তো জানেন না যে, হোমিওপ্যাথিক ঔষধ Person to Person vary করে। তাছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই হোমিওপ্যাথরা ঔষধ প্রয়োগ করেন Characteristic Symptoms পর্যালোচনা করে। তখন খুব দ্রুত রোগীদের সুস্থ করে তোলা যায়। আপনি যদি কোন একটা হোমিওপ্যাথিক ঔষধের নাম আপনার বন্ধুর কাছ থেকে শুনেন আর সেটা গ্রহণ করতে শুরু করেন, দেখা যাবে আপনার Characteristic Symptoms এর সাথে পুরোপুরি সদৃশ না হওয়ার কারণে সেই একই রোগেরজন্য প্রয়োগ করা সত্তেও ঔষধটি আপনার ক্ষেত্রে কাজ করছে না, তখন হয়ত আপনি মনে মনে হোমিওপ্যাথির পুরো গুষ্ঠি পর্যন্ত উদ্ধার করতে কার্পন্য করবেন না।

আবার অনেকের ধারণা হোমিও ঔষধ দেরিতে কাজ করে। এটাও ঠিক নয়। হোমিওপ্যাথি অ্যালোপ্যাথি ঔষধের মতই দ্রুত কাজ করে। কারণ এটা হলো like as atomic power. কিন্তু দেখা যায় আমাদের কাছে রোগীরা আসেন তাদের রোগের একেবারে জটিল পর্যায়ে। এবার বিষয়টা আপনিই চিন্তা করুন। প্রাথমিক অবস্থায় যেকোন ব্যাধিই হোমিওপ্যাথরা খুব দ্রুত সারিয়ে ফেলেন কিন্তু রোগটি যখন ক্রনিক হয়ে যায়, আর অ্যালোপ্যাথিও যেখানে কাজ করে না তখন রোগীরা আমাদের কাছে এসে বিস্তর তাড়াহুড়া শুরু করে দেন। সেই মুহুর্তে আমাদের যে কি.. পরিমান সহনশীলতার পরিচয় দিতে হয় সেটা একজন হোমিওপ্যাথ ছাড়া আর কেউ বুঝবেন না। অথচ প্রথমিক পর্যায়ে সমস্যাটা খুব দ্রুতই সারিয়ে তোলা সম্ভব। তাই যৌনরোগসহ যেকোন রোগের শুরুতেই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন এবং দ্রুত আরোগ্য লাভ করুন। ধন্যবাদ। 
বিস্তারিত