Showing posts with label রক্তচাপ. Show all posts
Showing posts with label রক্তচাপ. Show all posts

Saturday, February 7, 2015

ব্লাড প্রেসার লো হলে ঘরোয়াভাবে যা যা করতে পারেন !

আমাদের শরীরের জন্য উচ্চরক্তচাপের মতোই নিম্ন রক্তচাপ অর্থাৎ লো ব্লাড প্রেসার ক্ষতিকারক। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন। অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে। প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা দেখা দেয়।

একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০। অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশেপাশে থাকে তাহলে তা লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিন্ডে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না, ফলে ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একবার চোখ বুলিয়ে নিন।
ব্লাড প্রেসার লো হলে ঘরোয়াভাবে যা যা করতে পারেন !
কফি :- স্ট্রং কফি, হট চকলেট, কোলাসহ যেকোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ায়। হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। যারা অনেকদিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন তারা সকালে ভারি নাশতার পর এক কাপ স্ট্রং কফি খেতে পারেন। তবে সবসময় লো প্রেসার হলে কোলা না খাওয়াই ভালো। কারণ এর অন্যান্য ক্ষতিকারক দিকও রয়েছে।

লবণ পানি :- লবণে রয়েছে সোডিয়াম যা রক্তচাপ বাড়ায়। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা চামচ চিনি ও এক-দুই চা চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে চিনি বর্জন করতে হবে।

কিসমিস :- হাইপোটেনশনের ওষুধ হিসেবে অতি প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিছমিস। এক-দুই কাপ কিছমিছ সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালিপেটে সেগুলো খান। সঙ্গে কিছমিছ ভেজানো পানিও খেয়ে নিন। এছাড়াও পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চীনাবাদাম খেতে পারেন।

পুদিনা :- ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনা পাতা বেঁটে তাতে মধু মিশিয়ে পান করুন।

যষ্টিমধু :- যষ্টিমধু আদিকাল থেকেই নানা রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে পান করুন। এছাড়াও দুধে মধু দিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

বিটের রস :- বিটের রস হাই প্রসার ও লো প্রেসার উভয়ের জন্যই সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। হাইপোটেনশনের রোগীরা দিনে দুই কাপ বিটের রস খেতে পারেন। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।
বিস্তারিত

Thursday, August 28, 2014

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করুন প্রাকৃতিক উপায়ে

গবেষণা বলছে, খাবারের তালিকায় কিছু খাবার যোগ এবং বিয়োগ করলে সহজেই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারা যায়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, রক্তচাপ এবং রক্ত শর্করার সমস্য থাকলে যা খুশি খেলে কখনই চলবে না। তবে আগে থেকে সাবধান হলে, ওযুধ খাওয়ার ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এক নজরে দেখে নিন, খাদ্য তালিকায় কি কি খাবার রাখলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
স্কিমড দুধ :-
এই দুধের বৈশিষ্ট হল, দুধ থেকে ক্রিম এবং ফ্যাট বার করে নেওয়া হয়। ফলে শরীরের জন্য এটা খুবই ভাল। দুধ ক্যালসিয়াম প্রাকৃতিক ভাণ্ডার। তাছাড়া দুধে প্রচুর পটাসিয়াম ও ভিটামিন-ডি থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

পালং শাক :-
পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম থাকে। যা রক্তচাপ কমানোর জন্য সব থেকে জরুরি। ফলে প্লেটে পালং শাকের পরিমাণ বাড়লে আপনার প্রেসার কমবে।

ডার্ক চকোলেট :-
খাবারের নামটা শুনেই হামলে পড়বেন না। তাহলে লাভের চাইতে ক্ষতি বেশি। গবেষকরা জানাচ্ছেন, ডার্ক চকোলেটে ফল্যাভানল রয়েছে। দিনে ২৫-৩০ ক্যালোরি ডার্ক চকোলেট আপনার প্রেসারের খেয়াল রাখবে।

সয়াবিন :-
এতে প্রচুর পটাসিয়াম থাকে। যা রক্তচাপ বাড়তে দেয় না।

টমেটো :-
অসাধারণ অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস। নানা কাজে লাগে। রক্তের উচ্চচাপও কমায়। সঙ্গে আপনার ত্বকেরও খেয়াল রাখে।
বিস্তারিত